ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে আলোচনায় খায়রুল হাসান জুয়েল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯ ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দলের শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠনের সম্মেলন শুরু হয়েছে। কৃষক লীগের সম্মেলন দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের সম্মেলন শুরু হয়। এ সম্মেলন চলবে আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। ক্যাসিনো কাণ্ড, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজী সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে খোদ সরকার প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নির্দেশে দল ও দলের বাইরে চলছে শুদ্ধি অভিযান।

আওয়ামী লীগের সকল অংঙ্গ সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর লক্ষে ঘোষণা করা হয়েছে কাউন্সিলের। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছে দলের নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দলে জায়গা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

এর ধারাবাহিকতায় আগামী ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এর আগে ১১ ও ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ দুই শাখা ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন।

বর্তমান কমিটির তিন সহ-সভাপতি এবং এক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্মল গুহ, মতিউর রহমান মতি, আফজালুর রহমান বাবু এবং গাজী মেজবাউল হক সাচ্চু পরবর্তী কমিটির সভাপতি প্রার্থী
এবং বর্তমান কমিটির চার সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে পরবর্তী কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ১/১১ এর দু:সময়ের কারা নির্যাতীত ছাত্রনেতা খায়রুল হাসান জুয়েল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টি পু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ শাকিব বাদশা, আব্দুল আলীম বেপারী রয়েছেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ পদের দৌড়ে।

শীর্ষ এ পদের জন্যে যারা এগিয়ে আছেন তাদের মধ্যে খায়রুল হাসান জুয়েলের নাম অনেকটাই বেশী এগিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একটি সুত্র। তার সততা, স্বচ্ছতা, কমিটমেন্ট এবং সাহসীকতা ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকেই বেশ প্রশংসনীয়।

খায়রুল হাসান জুয়েল ১৯৯৩ সালে মাদারীপুর জেলার ১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে ছাত্র রাজনীতির পথচলার শুভ সূচনা করেন,
১৯৯৭-৯৮ শিক্ষা বর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে ভর্তী হয়ে , ফজলুল হক মুসলিম হলের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন।

খায়রুল হাসান জুয়েল ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা কালীন সময়ে ফজলুল হক হলের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন, তখন নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কার্যক্রম ধরে রাখতে যারা কাজ করছিলেন তাদের মধ্যে খায়রুল হাসান জুয়েল ছিলেন অন্যতম সাহসী ছাত্রলীগ নেতা।

 

 

পরবর্তীতে ২০০৬ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করেন।

ওয়ান ইলেভেনের সময়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েও প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোষ করেননি তিনি।
শেখ হাসিনার প্রতি আস্থায় অবিচল থাকতে গিয়ে দীর্ঘ এক বছর ডিটেনশনে কারাগারের অন্ধকার প্রকষ্টে কাটাতে হয়েছে; তবু এক মিনিটের জন্যেও আদর্শচ্যুত হননি। পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েই কাজ করার সুযোগ পান স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে।

প্রায় সাড়ে সাত বছর ধরে নিষ্ঠার সাথে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দীর্ঘ সারে সাত বছর পর এই সম্মেলনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। নানা রকম অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ও অনুপ্রবেশকারীরা দলে ঠাঁই পাবেনা বলে আশা করছেন পদপ্রত্যাশীগন।

এবারের নেতৃত্ব কেমন হতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, দখল বাজ, টেন্ডার বাজ চাঁদাবাজ সহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং ইমেজ নষ্টকারীদের নেতৃত্বে দেওয়া হবেনা।সর্বশেষ ২০১২ সালে মোল্লা মো. আবু কাওছারকে সভাপতি এবং পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি হয়েছিল। মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও ওই কমিটিই এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে কাসিনোকাণ্ডে নাম এসেছে কাওসারেরও।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটি দেখভাল করছেন সাবেক সভাপতি বাহাউদ্দিন নাছিম। ফলে কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে তার প্রভাব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

খায়রুল হাসান জুয়েল নতুন কাগজকে বলেন, এক-এগারোতে নেত্রীর কারা মুক্তির আন্দোলনে দীর্ঘ এক বছর জেলে থেকেছি। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বার বার হামলা মামলার শিকার হয়েছি, জেল খেটেছি। সততা স্বচ্ছতা কমিটমেন্ট এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে দলের জন্য সব সময় নিয়োজিত রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি নেতৃত্বে যেই আসুক তার যেন অবশ্যই সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, কনট্রিবিউশন, কমিটমেন্ট এবং সর্বোপরি দল পরিচালনার সক্ষমতা অবশ্যই থাকতে হবে।
এ ব্যাপারে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম সম্প্রতি গণমাধ্যমকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নতুন নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে আলোচনায় খায়রুল হাসান জুয়েল

আপডেট সময় : ১০:৫২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দলের শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠনের সম্মেলন শুরু হয়েছে। কৃষক লীগের সম্মেলন দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের সম্মেলন শুরু হয়। এ সম্মেলন চলবে আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। ক্যাসিনো কাণ্ড, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজী সহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে খোদ সরকার প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নির্দেশে দল ও দলের বাইরে চলছে শুদ্ধি অভিযান।

আওয়ামী লীগের সকল অংঙ্গ সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর লক্ষে ঘোষণা করা হয়েছে কাউন্সিলের। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছে দলের নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দলে জায়গা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

এর ধারাবাহিকতায় আগামী ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এর আগে ১১ ও ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ দুই শাখা ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন।

বর্তমান কমিটির তিন সহ-সভাপতি এবং এক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্মল গুহ, মতিউর রহমান মতি, আফজালুর রহমান বাবু এবং গাজী মেজবাউল হক সাচ্চু পরবর্তী কমিটির সভাপতি প্রার্থী
এবং বর্তমান কমিটির চার সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে পরবর্তী কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, ১/১১ এর দু:সময়ের কারা নির্যাতীত ছাত্রনেতা খায়রুল হাসান জুয়েল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টি পু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ শাকিব বাদশা, আব্দুল আলীম বেপারী রয়েছেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ পদের দৌড়ে।

শীর্ষ এ পদের জন্যে যারা এগিয়ে আছেন তাদের মধ্যে খায়রুল হাসান জুয়েলের নাম অনেকটাই বেশী এগিয়ে এমনটাই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একটি সুত্র। তার সততা, স্বচ্ছতা, কমিটমেন্ট এবং সাহসীকতা ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকেই বেশ প্রশংসনীয়।

খায়রুল হাসান জুয়েল ১৯৯৩ সালে মাদারীপুর জেলার ১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে ছাত্র রাজনীতির পথচলার শুভ সূচনা করেন,
১৯৯৭-৯৮ শিক্ষা বর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে ভর্তী হয়ে , ফজলুল হক মুসলিম হলের ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন।

খায়রুল হাসান জুয়েল ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা কালীন সময়ে ফজলুল হক হলের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন, তখন নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কার্যক্রম ধরে রাখতে যারা কাজ করছিলেন তাদের মধ্যে খায়রুল হাসান জুয়েল ছিলেন অন্যতম সাহসী ছাত্রলীগ নেতা।

 

 

পরবর্তীতে ২০০৬ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করেন।

ওয়ান ইলেভেনের সময়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েও প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোষ করেননি তিনি।
শেখ হাসিনার প্রতি আস্থায় অবিচল থাকতে গিয়ে দীর্ঘ এক বছর ডিটেনশনে কারাগারের অন্ধকার প্রকষ্টে কাটাতে হয়েছে; তবু এক মিনিটের জন্যেও আদর্শচ্যুত হননি। পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েই কাজ করার সুযোগ পান স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে।

প্রায় সাড়ে সাত বছর ধরে নিষ্ঠার সাথে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দীর্ঘ সারে সাত বছর পর এই সম্মেলনকে ঘিরে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। নানা রকম অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ও অনুপ্রবেশকারীরা দলে ঠাঁই পাবেনা বলে আশা করছেন পদপ্রত্যাশীগন।

এবারের নেতৃত্ব কেমন হতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, দখল বাজ, টেন্ডার বাজ চাঁদাবাজ সহ বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং ইমেজ নষ্টকারীদের নেতৃত্বে দেওয়া হবেনা।সর্বশেষ ২০১২ সালে মোল্লা মো. আবু কাওছারকে সভাপতি এবং পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি হয়েছিল। মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও ওই কমিটিই এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে কাসিনোকাণ্ডে নাম এসেছে কাওসারেরও।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটি দেখভাল করছেন সাবেক সভাপতি বাহাউদ্দিন নাছিম। ফলে কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে তার প্রভাব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

খায়রুল হাসান জুয়েল নতুন কাগজকে বলেন, এক-এগারোতে নেত্রীর কারা মুক্তির আন্দোলনে দীর্ঘ এক বছর জেলে থেকেছি। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে বার বার হামলা মামলার শিকার হয়েছি, জেল খেটেছি। সততা স্বচ্ছতা কমিটমেন্ট এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে দলের জন্য সব সময় নিয়োজিত রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি নেতৃত্বে যেই আসুক তার যেন অবশ্যই সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, কনট্রিবিউশন, কমিটমেন্ট এবং সর্বোপরি দল পরিচালনার সক্ষমতা অবশ্যই থাকতে হবে।
এ ব্যাপারে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম সম্প্রতি গণমাধ্যমকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নতুন নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হবে।