ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সালমা চৌধুরী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০১৯ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে শপথ নিলেন আওয়ামী লীগের মনোনীত সালমা চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

সংরক্ষিত মহিলা আসনে উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন সালমা চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে শপথ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমদ।

গত রোববার দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সালমা চৌধুরী এ নির্বাচনে একমাত্র বৈধ প্রার্থী ছিলেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ আগস্ট তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হলো।

এর আগে গত রোববার (২৮ জুলাই) রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন সালমা চৌধুরীকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।

গত ৯ জুলাই (মঙ্গলবার) রুশেমা বেগম মারা গেলে জাতীয় সংসদের ৩৩৪ নম্বর সংরক্ষিত মহিলা আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এ অবস্থায় ১৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) আসনটিতে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ছিল ২৫ জুলাই (বৃহস্পতিবার), বাছাই ২৮ জুলাই (রোববার)। প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) এবং ভোট ১৮ আগস্ট (রোববার)।

সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত ওয়াজেদ চৌধুরীর কন্যা সালমা চৌধুরী। সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন আইন অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রাপ্ত আসন অনুসারে দলগুলোর মধ্যে সংরক্ষিত আসন বণ্টন করে দেয় নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৪৩টি, জাতীয় পার্টির চারটি, বিএনপির একটি, ওয়ার্কার্স পার্টির একটি এবং স্বতন্ত্ররা একটি আসন পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সালমা চৌধুরী

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে শপথ নিলেন আওয়ামী লীগের মনোনীত সালমা চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

সংরক্ষিত মহিলা আসনে উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন সালমা চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে শপথ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমদ।

গত রোববার দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সালমা চৌধুরী এ নির্বাচনে একমাত্র বৈধ প্রার্থী ছিলেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১ আগস্ট তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হলো।

এর আগে গত রোববার (২৮ জুলাই) রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন সালমা চৌধুরীকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।

গত ৯ জুলাই (মঙ্গলবার) রুশেমা বেগম মারা গেলে জাতীয় সংসদের ৩৩৪ নম্বর সংরক্ষিত মহিলা আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এ অবস্থায় ১৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) আসনটিতে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ছিল ২৫ জুলাই (বৃহস্পতিবার), বাছাই ২৮ জুলাই (রোববার)। প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) এবং ভোট ১৮ আগস্ট (রোববার)।

সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত ওয়াজেদ চৌধুরীর কন্যা সালমা চৌধুরী। সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন আইন অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রাপ্ত আসন অনুসারে দলগুলোর মধ্যে সংরক্ষিত আসন বণ্টন করে দেয় নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৪৩টি, জাতীয় পার্টির চারটি, বিএনপির একটি, ওয়ার্কার্স পার্টির একটি এবং স্বতন্ত্ররা একটি আসন পায়।