ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নিরাপত্তার স্বার্থে শাবি শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড সাথে রাখার আহবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের Logo জনস্বাস্থ্যের প্রধান সাধুর যত অসাধু কর্ম: দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ! Logo বিআইডব্লিউটিএ বন্দর শাখা যুগ্ম পরিচালক আলমগীরের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য  Logo রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনকে হয়রানিমূলক মামলায় বএিমইউজরে নিন্দা ও প্রতিবাদ Logo শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হবেঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী Logo ‘কানামাছি শিশুসাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ পেলেন লেখক Logo মধ্যরাতে শাবি ছাত্রলীগের ‘ তুমি কে, আমি কে- বাঙ্গালী, বাঙ্গালী’ শ্লোগানে উত্তাল ক্যাম্পাস Logo আম নিয়ে কষ্টগাঁথা Logo ঘুমান্ত বিবেক মাতাল আবেগ’ – আকাশমণি Logo পুলিশের হামলার পরও ৬ ঘন্টা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধে কুবি শিক্ষার্থীর




হেরে গেলেন ষড়যন্ত্রকারীরা : বিদিশা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;
নানা নাটকীয়তা আর জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে রংপুরের পল্লী নিবাসেই সমাহিত হচ্ছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রংপুরবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পল্লী নিবাসে দাফন করার অনুমতি দিয়েছেন বেগম রওশন এরশাদ। পাশে রওশন এরশাদের জন্য কবরের জায়গা রাখার অনুরোধও করেছেন তিনি।

যদিও এর আগে এরশাদের দাফন রাজধানীর সামরিক কবরস্থানে সমাহিত করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।

এদিকে,এইচএম এরশাদের দাফন রংপুরে হওয়ায় সিদ্ধান্তকে রংপুরবাসীর বিজয়ী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা। আজ মঙ্গলবার পৌনে বিকেল তিনটার দিকে নিজের ফেসবুক পেইজে এক স্ট্যাটাস দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘রংপুরবাসীর বিজয়। হেরে গেলেন ষড়যন্ত্রকারীরা।’

প্রয়াত সাবেক স্বামীর এইচএম এরশাদের মৃত্যুর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বেশ সরব বিদিশা। একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়েই যাচ্ছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে আরেক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘দোয়া করি রংপুরের পল্লী নিবাস যেন শেষ ঠিকানা হয়।’

এর আগে গতকাল সোমবার প্রয়াত এরশাদ এবং ছেলে এরিক এরশাদকে নিয়ে এক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি রংপুরের মানুষের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন। এছাড়া এরশাদ বেঁচে থাকাকালীন সময়ে পল্লীনিবাসে তার যেন শেষ ঠিকানা হয় সে কথাও জানিয়েছেন বিদিশা। দেশে ফিরে সাবেক স্বামীর মরদেহ শেষবার দেখতে না পাওয়া এবং ছেলে এরিক এরশাদকে নিয়ে রাজনীতির অভিযোগ তোলেন তিনি।

গত রোববার সকালে জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




হেরে গেলেন ষড়যন্ত্রকারীরা : বিদিশা

আপডেট সময় : ০৪:৪২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;
নানা নাটকীয়তা আর জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে রংপুরের পল্লী নিবাসেই সমাহিত হচ্ছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রংপুরবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পল্লী নিবাসে দাফন করার অনুমতি দিয়েছেন বেগম রওশন এরশাদ। পাশে রওশন এরশাদের জন্য কবরের জায়গা রাখার অনুরোধও করেছেন তিনি।

যদিও এর আগে এরশাদের দাফন রাজধানীর সামরিক কবরস্থানে সমাহিত করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।

এদিকে,এইচএম এরশাদের দাফন রংপুরে হওয়ায় সিদ্ধান্তকে রংপুরবাসীর বিজয়ী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা। আজ মঙ্গলবার পৌনে বিকেল তিনটার দিকে নিজের ফেসবুক পেইজে এক স্ট্যাটাস দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘রংপুরবাসীর বিজয়। হেরে গেলেন ষড়যন্ত্রকারীরা।’

প্রয়াত সাবেক স্বামীর এইচএম এরশাদের মৃত্যুর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বেশ সরব বিদিশা। একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়েই যাচ্ছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে আরেক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘দোয়া করি রংপুরের পল্লী নিবাস যেন শেষ ঠিকানা হয়।’

এর আগে গতকাল সোমবার প্রয়াত এরশাদ এবং ছেলে এরিক এরশাদকে নিয়ে এক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি রংপুরের মানুষের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন। এছাড়া এরশাদ বেঁচে থাকাকালীন সময়ে পল্লীনিবাসে তার যেন শেষ ঠিকানা হয় সে কথাও জানিয়েছেন বিদিশা। দেশে ফিরে সাবেক স্বামীর মরদেহ শেষবার দেখতে না পাওয়া এবং ছেলে এরিক এরশাদকে নিয়ে রাজনীতির অভিযোগ তোলেন তিনি।

গত রোববার সকালে জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।