ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্বল্প বেতনে এলজিইডি গাড়িচালকের সম্পদের অট্টালিকা Logo পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিচালক মীর সাজেদুর রহমানকে ঘিরে প্রশাসনিক অনিয়মের বিতর্ক Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ

অবশেষে সিদ্দান্তঃ বনানীর সামরিক কবরস্থানে শায়িত হবেন এরশাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯ ১৯১ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক; 
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন নিয়ে কয়েকদফা আলোচনার পর অবশেষে সমাধান হয়েছে। তার মরদেহ মঙ্গলবার বনানীর সামরিক কবরস্থানেই দাফন করা হবে।

এরশাদ মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী রওশন এরশাদ ও ভাই জি এম কাদের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এর আগে কেউ চেয়েছেন রংপুর আবার কেউ আদাবর দাফন করতে।

এর আগে এরশাদের মৃত্যুর আগেই সম্প্রতি প্রেসিডিয়াম সদস্যদের এক বৈঠকে তার দাফন নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা হয়। সেখানে এনিয়ে মতবিরোধও হয়।

এ সময় দাফনের বিষয়ে রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও মেয়র মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘এরশাদ স্যার যদি পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেন, তাহলে তার পবিত্র সমাধি কোথায় হবে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এক্ষেত্রে আমাদের একমাত্র দাবি, রংপুরের পল্লীনিবাসে তার সমাধি করা হোক।’

সভায় উপস্থিত অধিকাংশ নেতা পাবলিক প্লেসে (আজিমপুর অথবা অন্য কোথাও) জায়গা কিনে সেখানে এরশাদের কবর করার পক্ষে মত দেন। যদিও কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, এরশাদ সেনানিবাস অথবা আসাদগেটের বিপরীতে সংসদ প্রাঙ্গণে তার কবরের কথা বলেছেন।

বৈঠকে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও সফিকুল ইসলাম সেন্টু মোহাম্মদপুরের আদাবরে জায়গা কিনে কবর দেয়ার প্রস্তাব দেন। তবে কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘আদাবরে জায়গা না পাওয়া গেলে সাভারে আমার নিজস্ব জায়গা থেকে দুই বিঘা জমি এরশাদের কবরস্থানের জন্য লিখে দেব।’

তবে পরিবার ও এরশাদের ইচ্ছা অনুযায়ী বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

জাতীয় পার্টি সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এরশাদের দ্বিতীয় জানাজা হবে। বেলা ১১টায় এরশাদের মরদেহ নেয়া হবে কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে।

বাদ আসর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এরশাদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রাতে সিএইমচের হিমঘরে এরশাদের মরদেহ রাখা হবে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এরশাদের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে রংপুরে। সেখানে জানাজার পর মরদেহ নিয়ে আসা হবে ঢাকায়। পরে বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

গত ২৬ জুন সকালে এরশাদ (৮৯) অসুস্থবোধ করলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। তিনি রক্তে হিমোগ্লোবিন-স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

আজ রোববার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এরশাদ। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

অবশেষে সিদ্দান্তঃ বনানীর সামরিক কবরস্থানে শায়িত হবেন এরশাদ

আপডেট সময় : ১১:১২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক; 
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন নিয়ে কয়েকদফা আলোচনার পর অবশেষে সমাধান হয়েছে। তার মরদেহ মঙ্গলবার বনানীর সামরিক কবরস্থানেই দাফন করা হবে।

এরশাদ মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী রওশন এরশাদ ও ভাই জি এম কাদের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এর আগে কেউ চেয়েছেন রংপুর আবার কেউ আদাবর দাফন করতে।

এর আগে এরশাদের মৃত্যুর আগেই সম্প্রতি প্রেসিডিয়াম সদস্যদের এক বৈঠকে তার দাফন নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা হয়। সেখানে এনিয়ে মতবিরোধও হয়।

এ সময় দাফনের বিষয়ে রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও মেয়র মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘এরশাদ স্যার যদি পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেন, তাহলে তার পবিত্র সমাধি কোথায় হবে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এক্ষেত্রে আমাদের একমাত্র দাবি, রংপুরের পল্লীনিবাসে তার সমাধি করা হোক।’

সভায় উপস্থিত অধিকাংশ নেতা পাবলিক প্লেসে (আজিমপুর অথবা অন্য কোথাও) জায়গা কিনে সেখানে এরশাদের কবর করার পক্ষে মত দেন। যদিও কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, এরশাদ সেনানিবাস অথবা আসাদগেটের বিপরীতে সংসদ প্রাঙ্গণে তার কবরের কথা বলেছেন।

বৈঠকে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও সফিকুল ইসলাম সেন্টু মোহাম্মদপুরের আদাবরে জায়গা কিনে কবর দেয়ার প্রস্তাব দেন। তবে কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘আদাবরে জায়গা না পাওয়া গেলে সাভারে আমার নিজস্ব জায়গা থেকে দুই বিঘা জমি এরশাদের কবরস্থানের জন্য লিখে দেব।’

তবে পরিবার ও এরশাদের ইচ্ছা অনুযায়ী বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

জাতীয় পার্টি সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এরশাদের দ্বিতীয় জানাজা হবে। বেলা ১১টায় এরশাদের মরদেহ নেয়া হবে কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে।

বাদ আসর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এরশাদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রাতে সিএইমচের হিমঘরে এরশাদের মরদেহ রাখা হবে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এরশাদের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে রংপুরে। সেখানে জানাজার পর মরদেহ নিয়ে আসা হবে ঢাকায়। পরে বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

গত ২৬ জুন সকালে এরশাদ (৮৯) অসুস্থবোধ করলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। তিনি রক্তে হিমোগ্লোবিন-স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

আজ রোববার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এরশাদ। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।