ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ Logo কবি আকাশমণির রোমান্টিক লেখা “ক্লান্তরা সুখ হয়ে ওঠে” Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা

কিল-ঘুষিতে রোগীর বাবাকে আহত করলেন চিকিৎসক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

পাবনা প্রতিনিধি |

পাবনার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর বাবাকে কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে । বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার বিকেলে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের চিকিৎসক বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিলন মাহমুদ কর্মস্থল ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। ওই দিন রাতেই এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানায় একটি অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বেড়া উপজেলার সানিলা গ্রামের রাজেম মোল্লার ছেলে সোনাই মোল্লা (৩৫) তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। এ সময় সোনাই মোল্লা তার ছেলেকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বললে ডা. মিলন মাহমুদ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি সোনাই মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন এবং সোনাই মোল্লার বাইসাইকেল লাথি দিয়ে ফেলে দেন। এতে সোনাই মোল্লার বাঁ চোখে আঘাত লাগে ও ঠোঁট ফেটে যায়। এ ছাড়া শরীরের নানাস্থানে জখম হয়।

আহত সোনাই মোল্লা বলেন, আমি ছেলেকে নিয়ে তাড়াহুড়ায় বাইসাইকেল হাসপাতালের গেটে রেখে ঢুকে পড়েছিলাম। ডা. মিলন মাহমুদ বাইসাইকেলটি লাথি মেরে ফেলে দেন। আমি ছেলের চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে, কোনো কিছু বোঝার আগেই আমাকে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেন। এখন ছেলের সাথে আমি নিজেও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে ডা. মিলন মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে।

যোগাযোগ করা হলে পাবনার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. কেএম আবু জাফর বলেন, বিষয়টি মৌখিক ভাবে শুনেছি। ঘটনা জেনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ মাহমুদ বলেন, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কিল-ঘুষিতে রোগীর বাবাকে আহত করলেন চিকিৎসক

আপডেট সময় : ০১:২৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯

পাবনা প্রতিনিধি |

পাবনার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর বাবাকে কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে । বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার বিকেলে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের চিকিৎসক বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিলন মাহমুদ কর্মস্থল ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। ওই দিন রাতেই এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানায় একটি অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বেড়া উপজেলার সানিলা গ্রামের রাজেম মোল্লার ছেলে সোনাই মোল্লা (৩৫) তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। এ সময় সোনাই মোল্লা তার ছেলেকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বললে ডা. মিলন মাহমুদ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি সোনাই মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন এবং সোনাই মোল্লার বাইসাইকেল লাথি দিয়ে ফেলে দেন। এতে সোনাই মোল্লার বাঁ চোখে আঘাত লাগে ও ঠোঁট ফেটে যায়। এ ছাড়া শরীরের নানাস্থানে জখম হয়।

আহত সোনাই মোল্লা বলেন, আমি ছেলেকে নিয়ে তাড়াহুড়ায় বাইসাইকেল হাসপাতালের গেটে রেখে ঢুকে পড়েছিলাম। ডা. মিলন মাহমুদ বাইসাইকেলটি লাথি মেরে ফেলে দেন। আমি ছেলের চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে, কোনো কিছু বোঝার আগেই আমাকে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেন। এখন ছেলের সাথে আমি নিজেও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে ডা. মিলন মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে।

যোগাযোগ করা হলে পাবনার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. কেএম আবু জাফর বলেন, বিষয়টি মৌখিক ভাবে শুনেছি। ঘটনা জেনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ মাহমুদ বলেন, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।