ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

কিল-ঘুষিতে রোগীর বাবাকে আহত করলেন চিকিৎসক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯ ২১৩ বার পড়া হয়েছে

পাবনা প্রতিনিধি |

পাবনার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর বাবাকে কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে । বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার বিকেলে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের চিকিৎসক বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিলন মাহমুদ কর্মস্থল ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। ওই দিন রাতেই এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানায় একটি অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বেড়া উপজেলার সানিলা গ্রামের রাজেম মোল্লার ছেলে সোনাই মোল্লা (৩৫) তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। এ সময় সোনাই মোল্লা তার ছেলেকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বললে ডা. মিলন মাহমুদ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি সোনাই মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন এবং সোনাই মোল্লার বাইসাইকেল লাথি দিয়ে ফেলে দেন। এতে সোনাই মোল্লার বাঁ চোখে আঘাত লাগে ও ঠোঁট ফেটে যায়। এ ছাড়া শরীরের নানাস্থানে জখম হয়।

আহত সোনাই মোল্লা বলেন, আমি ছেলেকে নিয়ে তাড়াহুড়ায় বাইসাইকেল হাসপাতালের গেটে রেখে ঢুকে পড়েছিলাম। ডা. মিলন মাহমুদ বাইসাইকেলটি লাথি মেরে ফেলে দেন। আমি ছেলের চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে, কোনো কিছু বোঝার আগেই আমাকে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেন। এখন ছেলের সাথে আমি নিজেও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে ডা. মিলন মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে।

যোগাযোগ করা হলে পাবনার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. কেএম আবু জাফর বলেন, বিষয়টি মৌখিক ভাবে শুনেছি। ঘটনা জেনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ মাহমুদ বলেন, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কিল-ঘুষিতে রোগীর বাবাকে আহত করলেন চিকিৎসক

আপডেট সময় : ০১:২৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯

পাবনা প্রতিনিধি |

পাবনার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর বাবাকে কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে । বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার বিকেলে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের চিকিৎসক বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিলন মাহমুদ কর্মস্থল ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন। ওই দিন রাতেই এ ব্যাপারে বেড়া মডেল থানায় একটি অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

থানার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বেড়া উপজেলার সানিলা গ্রামের রাজেম মোল্লার ছেলে সোনাই মোল্লা (৩৫) তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। এ সময় সোনাই মোল্লা তার ছেলেকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বললে ডা. মিলন মাহমুদ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি সোনাই মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারেন এবং সোনাই মোল্লার বাইসাইকেল লাথি দিয়ে ফেলে দেন। এতে সোনাই মোল্লার বাঁ চোখে আঘাত লাগে ও ঠোঁট ফেটে যায়। এ ছাড়া শরীরের নানাস্থানে জখম হয়।

আহত সোনাই মোল্লা বলেন, আমি ছেলেকে নিয়ে তাড়াহুড়ায় বাইসাইকেল হাসপাতালের গেটে রেখে ঢুকে পড়েছিলাম। ডা. মিলন মাহমুদ বাইসাইকেলটি লাথি মেরে ফেলে দেন। আমি ছেলের চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে, কোনো কিছু বোঝার আগেই আমাকে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেন। এখন ছেলের সাথে আমি নিজেও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে ডা. মিলন মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে।

যোগাযোগ করা হলে পাবনার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. কেএম আবু জাফর বলেন, বিষয়টি মৌখিক ভাবে শুনেছি। ঘটনা জেনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ মাহমুদ বলেন, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।