ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

তাপদাহ আরও দু-এক দিন, মাসের শেষে হতে পারে ঘূর্ণিঝড়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯ ২৩০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক |
রাজধানীসহ সারা দেশের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু তাপদাহ। গরমে অতিষ্ঠ পুরো দেশবাসী। গত কয়েক দিনের মধ্যে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আরও দু-এক দিন এই তাপদাহ অব্যাহত থাকতে পারে এবং মাসের শেষদিকে ঘূর্ণিঝড়েরও শঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ঢাকাতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবারও তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তাপমাত্রা সামান্য বাড়তেও পারে। তাপপ্রবাহ মৃদু অবস্থা থেকে মাঝারি আকার ধারণ করতে পারে। তবে এটি দু একদিনের বেশি থাকবে না।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে মৃদু তাপদাহ, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি, ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির মধ্যে হলে তীব্র এবং তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তাকে অতি তীব্র তাপদাহ বলা হয়ে থাকে।

এর আগে আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান দেশ রূপান্তরকে বলেছেন, চলতি মাসের ২৯-৩০ তারিখের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তখন তাপমাত্রাও কিছুটা কমবে। আগামী মে মাসের ১০-১২ তারিখের দিকে কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া সাগরে নিম্নচাপেরও শঙ্কা রয়েছে।

মাসের শেষ দিকে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ মাসের শেষ দিকে মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে ৩০ এপ্রিলের পর ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর সেটি আগামী ৩ মে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

তাপদাহ আরও দু-এক দিন, মাসের শেষে হতে পারে ঘূর্ণিঝড়

আপডেট সময় : ১১:১২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক |
রাজধানীসহ সারা দেশের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু তাপদাহ। গরমে অতিষ্ঠ পুরো দেশবাসী। গত কয়েক দিনের মধ্যে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আরও দু-এক দিন এই তাপদাহ অব্যাহত থাকতে পারে এবং মাসের শেষদিকে ঘূর্ণিঝড়েরও শঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ঢাকাতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবারও তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তাপমাত্রা সামান্য বাড়তেও পারে। তাপপ্রবাহ মৃদু অবস্থা থেকে মাঝারি আকার ধারণ করতে পারে। তবে এটি দু একদিনের বেশি থাকবে না।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে মৃদু তাপদাহ, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি, ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির মধ্যে হলে তীব্র এবং তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তাকে অতি তীব্র তাপদাহ বলা হয়ে থাকে।

এর আগে আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান খান দেশ রূপান্তরকে বলেছেন, চলতি মাসের ২৯-৩০ তারিখের দিকে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তখন তাপমাত্রাও কিছুটা কমবে। আগামী মে মাসের ১০-১২ তারিখের দিকে কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া সাগরে নিম্নচাপেরও শঙ্কা রয়েছে।

মাসের শেষ দিকে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ মাসের শেষ দিকে মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে ৩০ এপ্রিলের পর ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর সেটি আগামী ৩ মে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।’