ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে, ফল মেনে নেব: রুবানা হক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০১৯ ৩৭৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হলে সবার জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক।

নির্বাচনের ফল মেনে নেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থে আমরা বিজয়ী হলে সেই বিজিএমইএ গড়ে তুলব, যেখানে ছোট-বড় সব কারখানা সমান সুযোগ-সুবিধা পাবে। একইসঙ্গে নির্বাচনের ফল যাই হোক কেন, তা সানন্দে মেনে নেব।

শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বিজিএমইএ ভবনে সকাল সাড়ে ১০টায় ভোট দেয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা জানান।

নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে মন্তব্য করে রুবানা হক বলেন, একটি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে আমরা আছি, আবার আমাদের প্রতিপক্ষও আছে।নির্বাচন নিয়ে অনেকেই নানা অভিযোগ দিচ্ছেন। বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে যে, অভিযোগ করতে করতে অভিযোগ করায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। এটা বলতে পারি, সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে। এ নির্বাচনের ফল যাই আসুক, তা সানন্দে মেনে নেবো।

দীর্ঘ ৬ বছর পর তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকার ৮টায়। চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। এ ভোটের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের (২০১৯-২১) জন্য পোশাক মালিকরা তাদের কাণ্ডারি নির্বাচিত করবেন।

নির্বাচনে ঢাকা অঞ্চলের ২৬ পরিচালক পদের বিপরীতে লড়ছেন দুই প্যানেলের ৪৪ জন প্রার্থী। মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের নেতৃত্ব দেবেন। আর স্বাধীনতা পরিষদের নেতৃত্ব দেবেন জাহাঙ্গীর আলম।

বিজিএমইএ’র পরিচালক সংখ্যা ৩৫। আজ শুধু ঢাকা অঞ্চলের ২৬ পরিচালক পদের বিপরীতে ভোট হবে। কারণ চট্টগ্রাম অঞ্চলে নির্ধারিত ৯টি পরিচালক পদের বিপরীতে ৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় তারা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার এক হাজার ৯৫৬ জন। তার মধ্যে ঢাকার এক হাজার ৫৯৭ এবং চট্টগ্রামে ৩৫৯ জন। পরিচালক পদে বিজয়ীরা পরবর্তীতে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন করবেন।

সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন- রুবানা হক, এসএম মান্নান, ফয়সাল সামাদ, মোহাম্মদ নাছির, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল, এমএ রহিম, কেএম রফিকুল ইসলাম, শহীদুল হক, মশিউল আজম, ইনামুল হক খান, মাসুদ কাদের, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, একেএম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাবউদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, শরীফ জহির ও নজরুল ইসলাম। এ যৌথ প্যানেলের চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ীরা হলেন- আবদুস সালাম, এএম চৌধুরী, এএম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা।

অন্যদিকে স্বাধীনতা পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, দেলোয়ার হোসেন, হুমায়ুন রশিদ, রফিক হাসান, সাইফুল ইসলাম, শওকত হোসেন, খন্দকার ফরিদুল আকবর, জাহাঙ্গীর কবির, জাহিদ হাসান, শরিফুল আলম চৌধুরী, কাজী আবদুস সোবহান, জহিরুল ইসলাম, কাজী মাহয্যাবিন মমতাজ, মাহমুদ হোসাইন, হোসেন সাব্বির মাহমুদ, আয়েশা আক্তার, মো. ওয়ালীউল্লাহ এবং ওমর নাজিম হেকমত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে, ফল মেনে নেব: রুবানা হক

আপডেট সময় : ০৪:৪২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০১৯

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হলে সবার জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক।

নির্বাচনের ফল মেনে নেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থে আমরা বিজয়ী হলে সেই বিজিএমইএ গড়ে তুলব, যেখানে ছোট-বড় সব কারখানা সমান সুযোগ-সুবিধা পাবে। একইসঙ্গে নির্বাচনের ফল যাই হোক কেন, তা সানন্দে মেনে নেব।

শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বিজিএমইএ ভবনে সকাল সাড়ে ১০টায় ভোট দেয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা জানান।

নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে মন্তব্য করে রুবানা হক বলেন, একটি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে আমরা আছি, আবার আমাদের প্রতিপক্ষও আছে।নির্বাচন নিয়ে অনেকেই নানা অভিযোগ দিচ্ছেন। বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে যে, অভিযোগ করতে করতে অভিযোগ করায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। এটা বলতে পারি, সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে। এ নির্বাচনের ফল যাই আসুক, তা সানন্দে মেনে নেবো।

দীর্ঘ ৬ বছর পর তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকার ৮টায়। চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। এ ভোটের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের (২০১৯-২১) জন্য পোশাক মালিকরা তাদের কাণ্ডারি নির্বাচিত করবেন।

নির্বাচনে ঢাকা অঞ্চলের ২৬ পরিচালক পদের বিপরীতে লড়ছেন দুই প্যানেলের ৪৪ জন প্রার্থী। মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের নেতৃত্ব দেবেন। আর স্বাধীনতা পরিষদের নেতৃত্ব দেবেন জাহাঙ্গীর আলম।

বিজিএমইএ’র পরিচালক সংখ্যা ৩৫। আজ শুধু ঢাকা অঞ্চলের ২৬ পরিচালক পদের বিপরীতে ভোট হবে। কারণ চট্টগ্রাম অঞ্চলে নির্ধারিত ৯টি পরিচালক পদের বিপরীতে ৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় তারা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার এক হাজার ৯৫৬ জন। তার মধ্যে ঢাকার এক হাজার ৫৯৭ এবং চট্টগ্রামে ৩৫৯ জন। পরিচালক পদে বিজয়ীরা পরবর্তীতে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন করবেন।

সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন- রুবানা হক, এসএম মান্নান, ফয়সাল সামাদ, মোহাম্মদ নাছির, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল, এমএ রহিম, কেএম রফিকুল ইসলাম, শহীদুল হক, মশিউল আজম, ইনামুল হক খান, মাসুদ কাদের, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, একেএম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাবউদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, শরীফ জহির ও নজরুল ইসলাম। এ যৌথ প্যানেলের চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ীরা হলেন- আবদুস সালাম, এএম চৌধুরী, এএম মাহবুব চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা।

অন্যদিকে স্বাধীনতা পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, দেলোয়ার হোসেন, হুমায়ুন রশিদ, রফিক হাসান, সাইফুল ইসলাম, শওকত হোসেন, খন্দকার ফরিদুল আকবর, জাহাঙ্গীর কবির, জাহিদ হাসান, শরিফুল আলম চৌধুরী, কাজী আবদুস সোবহান, জহিরুল ইসলাম, কাজী মাহয্যাবিন মমতাজ, মাহমুদ হোসাইন, হোসেন সাব্বির মাহমুদ, আয়েশা আক্তার, মো. ওয়ালীউল্লাহ এবং ওমর নাজিম হেকমত।