ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হালান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে সিটির শুভসূচনা Logo বাঁধনের ওপর হামলায় ফুঁসছে শোবিজ Logo হুথিদের কাছ থেকে দুই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিল ইয়েমেনি বাহিনী Logo বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ Logo হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার Logo ঠিকাদারদের কাছে যিনি “মিস্টার ফাইভ পার্সেন্ট” গণপূর্তের আবুল খায়েরের দুর্নীতির আমলনামা Logo তেজগাঁওয়ের বিটিসিএলে যুবক হত্যাকাণ্ডে অঙ্গীভুত আনসার সদস্য জড়িত থাকার খবর ভিত্তিহীন Logo রাষ্ট্রপতির স‌ঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যেসব সহযোগিতার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

দেশ অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: এ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের মধ্যে সম্মানী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন, আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটিয়ে এবার দেশ পুনর্গঠনের পালা।

তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের সম্মিলন থাকে। এটিই বৈচিত্র্যময় সমাজের সৌন্দর্য। আজকের এই অনুষ্ঠানে যারা ‘সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘সংখ্যাগুরু’ হিসেবে বিবেচিত, ইউরোপ কিংবা আমেরিকা সফরে গেলে আমরা সবাই কিন্তু কথিত সংখ্যালঘু। সুতরাং, বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজে সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু, এসব পরিচয় কোনো মুখ্য বিষয় নয়। অতএব, সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, আসুন সবাই নিজেদের বাংলাদেশি মনে করি। রাষ্ট্র এবং সমাজে দল মত ধর্ম বর্ণ পরিচয় যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ বৈষম্য সৃষ্টির কারণ না হয়, সেই উপলব্ধি থেকেই দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব সংহত রেখে সমৃদ্ধ স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হলে দেশে নাগরিকদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জরুরি। সেই লক্ষ্য পূরণেই বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, সব ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য সম্মানী ভাতা দেওয়াসহ যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে চলছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়তে চায়, যে রাষ্ট্র তার সাধ্য এবং সামর্থ্য অনুযায়ী দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে দেশের নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। অপরদিকে নাগরিকরা রাষ্ট্রের প্রতি তাদের সব নাগরিক দায়িত্ব পালন করবে। এভাবেই রাষ্ট্র-সরকার এবং নাগরিকদের মধ্যকার পারস্পরিক দায়িত্ব-আস্থা এবং আলাপের মাধ্যমেই গড়ে উঠবে সবার কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ রাষ্ট্র বা কল্যাণ বাংলাদেশ। এই রাষ্ট্র এবং সমাজে কেউ যাতে পিছিয়ে না থাকে তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ ও সহায়তা। এই দেশ আপনার, আমার আমাদের সবার।

তিনি আরও বলেন, নাগরিক হিসেবে এই দেশে আপনার-আমার-আমাদের সবার অধিকার সমান। নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, বিএনপি বিশ্বাস করে, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ এবং ’‘ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

দেশ অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: এ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের মধ্যে সম্মানী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন, আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটিয়ে এবার দেশ পুনর্গঠনের পালা।

তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের সম্মিলন থাকে। এটিই বৈচিত্র্যময় সমাজের সৌন্দর্য। আজকের এই অনুষ্ঠানে যারা ‘সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘সংখ্যাগুরু’ হিসেবে বিবেচিত, ইউরোপ কিংবা আমেরিকা সফরে গেলে আমরা সবাই কিন্তু কথিত সংখ্যালঘু। সুতরাং, বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজে সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু, এসব পরিচয় কোনো মুখ্য বিষয় নয়। অতএব, সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, আসুন সবাই নিজেদের বাংলাদেশি মনে করি। রাষ্ট্র এবং সমাজে দল মত ধর্ম বর্ণ পরিচয় যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ বৈষম্য সৃষ্টির কারণ না হয়, সেই উপলব্ধি থেকেই দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব সংহত রেখে সমৃদ্ধ স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হলে দেশে নাগরিকদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জরুরি। সেই লক্ষ্য পূরণেই বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, সব ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য সম্মানী ভাতা দেওয়াসহ যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে চলছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়তে চায়, যে রাষ্ট্র তার সাধ্য এবং সামর্থ্য অনুযায়ী দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে দেশের নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। অপরদিকে নাগরিকরা রাষ্ট্রের প্রতি তাদের সব নাগরিক দায়িত্ব পালন করবে। এভাবেই রাষ্ট্র-সরকার এবং নাগরিকদের মধ্যকার পারস্পরিক দায়িত্ব-আস্থা এবং আলাপের মাধ্যমেই গড়ে উঠবে সবার কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ রাষ্ট্র বা কল্যাণ বাংলাদেশ। এই রাষ্ট্র এবং সমাজে কেউ যাতে পিছিয়ে না থাকে তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ ও সহায়তা। এই দেশ আপনার, আমার আমাদের সবার।

তিনি আরও বলেন, নাগরিক হিসেবে এই দেশে আপনার-আমার-আমাদের সবার অধিকার সমান। নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, বিএনপি বিশ্বাস করে, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ এবং ’‘ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’