ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, ফ্যাসিস্ট হাসিনার অন্যতম দোসর প্রবাসী পল্লী গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহিদুর রহমান মুহিদ। যার সাথে ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্টতা। শেখ রেহানাকে ম্যানেজ করে তার ভাই হাবিবুর রহমান হাবিবকে সিলেট-৩ আসনের এমপি বানিয়ে ছিলেন। মুহিদ ছিলেন ২০২১ সালের তাঁতী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। শেখ রেহানার কয়েকজন ক্যাশিয়ারের অন্যতম একজন ছিলেন মুহিদুর রহমান মুহিদ। আবাসন ব্যবসার আড়ালে প্রবাসী পল্লী গ্রুপ ফ্যাসিস্টদের কালো টাকা নিরাপদে রাখার গোপন চুক্তিতে কাজ করছে বলে জানা গেছে। প্রবাসী পল্লী কার্যত ফ্যাসিসদের কালো টাকা বিনিয়োগের নিরাপদ একটি আবাসন প্রকল্পে পরিনত হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

অভিযোগ আছে, শেখ রেহানাসহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন এমপি মন্ত্রির ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে প্রবাসী পল্লী গ্রুপে। খাল, বিল, নীচু জমি, জলাশয় ভরাট এবং ফসলি জমি সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ আছে এই প্রবাসী পল্লী গ্রুপের বিরুদ্ধে। শেখ রেহানার ক্যাশিয়ার এবং ডামি এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব ও তার কোম্পানির বিরুদ্ধে পাঁচ আগষ্ঠ পরবর্তী সময়ে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
প্রবাসী পল্লী লিমিটেড নামের এই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি গত প্রায় ১৭ বছর ধরে “প্রবাসী পল্লী হাউজিং প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে আসছে।
প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রলোভন ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে। ভুক্তভোগীরা তাদের পৈত্রিক ভিটা মাটি ফেরত চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, গনপূর্ত ও ভূমিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকল মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা

আপডেট সময় : ০১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, ফ্যাসিস্ট হাসিনার অন্যতম দোসর প্রবাসী পল্লী গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহিদুর রহমান মুহিদ। যার সাথে ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্টতা। শেখ রেহানাকে ম্যানেজ করে তার ভাই হাবিবুর রহমান হাবিবকে সিলেট-৩ আসনের এমপি বানিয়ে ছিলেন। মুহিদ ছিলেন ২০২১ সালের তাঁতী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। শেখ রেহানার কয়েকজন ক্যাশিয়ারের অন্যতম একজন ছিলেন মুহিদুর রহমান মুহিদ। আবাসন ব্যবসার আড়ালে প্রবাসী পল্লী গ্রুপ ফ্যাসিস্টদের কালো টাকা নিরাপদে রাখার গোপন চুক্তিতে কাজ করছে বলে জানা গেছে। প্রবাসী পল্লী কার্যত ফ্যাসিসদের কালো টাকা বিনিয়োগের নিরাপদ একটি আবাসন প্রকল্পে পরিনত হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

অভিযোগ আছে, শেখ রেহানাসহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন এমপি মন্ত্রির ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে প্রবাসী পল্লী গ্রুপে। খাল, বিল, নীচু জমি, জলাশয় ভরাট এবং ফসলি জমি সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ আছে এই প্রবাসী পল্লী গ্রুপের বিরুদ্ধে। শেখ রেহানার ক্যাশিয়ার এবং ডামি এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব ও তার কোম্পানির বিরুদ্ধে পাঁচ আগষ্ঠ পরবর্তী সময়ে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
প্রবাসী পল্লী লিমিটেড নামের এই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি গত প্রায় ১৭ বছর ধরে “প্রবাসী পল্লী হাউজিং প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে আসছে।
প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রলোভন ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে। ভুক্তভোগীরা তাদের পৈত্রিক ভিটা মাটি ফেরত চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, গনপূর্ত ও ভূমিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকল মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।