ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের জোরালো আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত: প্রধানমন্ত্রী Logo জ্বালানি ও বিনিয়োগ সহযোগিতায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের Logo মাথাপিছু জিডিপিতে এ বছর ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ Logo মোটরসাইকেলের চেইন পরিষ্কার ও লুব করার সঠিক নিয়ম Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম পর্বের ৪০ খেলোয়াড় বিকেএসপিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণে ভর্তির সুযোগ Logo তেহরানে বৈঠকে বসছে মক্কা প্যাক্ট ও ইরান Logo নিত্যপণ্যের আমদানি বেড়েছে, রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা Logo লগি-বৈঠার আঘাতে নিহতদের স্মরণ করলেন বিরোধীদলীয় নেতা

গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬ ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ, ঢাকা: গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা সার্কেল-৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে বলা হয়, বাতিল হওয়া একটি দরপত্র পুনরায় চালু করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি প্রকল্পে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনাও সামনে এসেছে।
সূত্র জানায়, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি আবাসিক প্রকল্পে ৩০-৪০ লাখ টাকার কাজকে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হয়। পরে তদন্তে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়লেও তা রহস্যজনকভাবে ধামাচাপা পড়ে যায়।

আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ১২০ কোটি টাকার একটি বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পে শুরু থেকেই দরপত্রে কারসাজি করা হয়। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে কমিশনের বিনিময়ে দরপত্র প্রক্রিয়া প্রভাবিত করা হয়। পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে দরপত্রটি বাতিল হলেও, পুনরায় প্রাক্কলন অনুমোদন ছাড়াই নতুনভাবে দরপত্র আহ্বান করে আবারও অনিয়ম করা হয়।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলটিএম পদ্ধতির অপব্যবহার করে প্রতিযোগিতা সীমিত রেখে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষ সময়ে বিভিন্ন মেরামত কাজ বাস্তবে সম্পন্ন না করেই কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি ঘুষ লেনদেনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।
দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। রাজধানীতে একাধিক ফ্ল্যাট, নিজ জেলা কুমিল্লায় বাড়ি এবং পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ গড়ে তোলার তথ্য অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি

আপডেট সময় : ০৫:৩১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সকালের সংবাদ, ঢাকা: গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা সার্কেল-৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে বলা হয়, বাতিল হওয়া একটি দরপত্র পুনরায় চালু করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি প্রকল্পে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনাও সামনে এসেছে।
সূত্র জানায়, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি আবাসিক প্রকল্পে ৩০-৪০ লাখ টাকার কাজকে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হয়। পরে তদন্তে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়লেও তা রহস্যজনকভাবে ধামাচাপা পড়ে যায়।

আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ১২০ কোটি টাকার একটি বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পে শুরু থেকেই দরপত্রে কারসাজি করা হয়। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে কমিশনের বিনিময়ে দরপত্র প্রক্রিয়া প্রভাবিত করা হয়। পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে দরপত্রটি বাতিল হলেও, পুনরায় প্রাক্কলন অনুমোদন ছাড়াই নতুনভাবে দরপত্র আহ্বান করে আবারও অনিয়ম করা হয়।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলটিএম পদ্ধতির অপব্যবহার করে প্রতিযোগিতা সীমিত রেখে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষ সময়ে বিভিন্ন মেরামত কাজ বাস্তবে সম্পন্ন না করেই কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি ঘুষ লেনদেনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।
দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। রাজধানীতে একাধিক ফ্ল্যাট, নিজ জেলা কুমিল্লায় বাড়ি এবং পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ গড়ে তোলার তথ্য অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া সম্ভব হয়নি।