ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ

গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ, ঢাকা: গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা সার্কেল-৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে বলা হয়, বাতিল হওয়া একটি দরপত্র পুনরায় চালু করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি প্রকল্পে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনাও সামনে এসেছে।
সূত্র জানায়, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি আবাসিক প্রকল্পে ৩০-৪০ লাখ টাকার কাজকে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হয়। পরে তদন্তে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়লেও তা রহস্যজনকভাবে ধামাচাপা পড়ে যায়।

আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ১২০ কোটি টাকার একটি বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পে শুরু থেকেই দরপত্রে কারসাজি করা হয়। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে কমিশনের বিনিময়ে দরপত্র প্রক্রিয়া প্রভাবিত করা হয়। পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে দরপত্রটি বাতিল হলেও, পুনরায় প্রাক্কলন অনুমোদন ছাড়াই নতুনভাবে দরপত্র আহ্বান করে আবারও অনিয়ম করা হয়।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলটিএম পদ্ধতির অপব্যবহার করে প্রতিযোগিতা সীমিত রেখে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষ সময়ে বিভিন্ন মেরামত কাজ বাস্তবে সম্পন্ন না করেই কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি ঘুষ লেনদেনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।
দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। রাজধানীতে একাধিক ফ্ল্যাট, নিজ জেলা কুমিল্লায় বাড়ি এবং পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ গড়ে তোলার তথ্য অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি

আপডেট সময় : ০৫:৩১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সকালের সংবাদ, ঢাকা: গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা সার্কেল-৩ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে বলা হয়, বাতিল হওয়া একটি দরপত্র পুনরায় চালু করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি প্রকল্পে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনাও সামনে এসেছে।
সূত্র জানায়, রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি আবাসিক প্রকল্পে ৩০-৪০ লাখ টাকার কাজকে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হয়। পরে তদন্তে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়লেও তা রহস্যজনকভাবে ধামাচাপা পড়ে যায়।

আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ১২০ কোটি টাকার একটি বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পে শুরু থেকেই দরপত্রে কারসাজি করা হয়। পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে কমিশনের বিনিময়ে দরপত্র প্রক্রিয়া প্রভাবিত করা হয়। পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে দরপত্রটি বাতিল হলেও, পুনরায় প্রাক্কলন অনুমোদন ছাড়াই নতুনভাবে দরপত্র আহ্বান করে আবারও অনিয়ম করা হয়।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলটিএম পদ্ধতির অপব্যবহার করে প্রতিযোগিতা সীমিত রেখে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষ সময়ে বিভিন্ন মেরামত কাজ বাস্তবে সম্পন্ন না করেই কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি ঘুষ লেনদেনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।
দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। রাজধানীতে একাধিক ফ্ল্যাট, নিজ জেলা কুমিল্লায় বাড়ি এবং পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ গড়ে তোলার তথ্য অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া সম্ভব হয়নি।