ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষণের পর বিষ খাইয়ে মুনিয়াকে হত্যা চেষ্টা থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ ৪৬৪ বার পড়া হয়েছে

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ এবং ধর্ষণের পর কোল্ড ড্রিংসের সাথে বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে মুনিয়াকে। মুনিয়ার সাথে দির্ঘদিন যাবত প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগরের মামুন কাজীর ছেলে সাদ্দাম কাজীর সাথে। বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে মুনিয়ার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করে আসছিল সাদাম। গত ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের চুনকুটায় সাদ্দাম তার নিজ বাসায় মুনিয়াকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ধর্ষনের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় ওইদিনই সাদ্দামের স্ত্রী পিয়াঙ্কা ও তার সাথে অজ্ঞাত আরও ৩জন মুনিয়াকে এলোপাথারীভাবে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত নিলা ফুলা জখম করে। এরপর মুনিয়াকে হত্যার ভয় দেখিয়ে কয়েকটি নন-জুডিশিয়াল ষ্টাম্পে ও সাদা কাগজে জোরপূর্বক স্বাক্ষর ও টিপসহি নেয়।
এক পর্যায়ে সাদ্দাম সিন্ডিকেটের সকলে মিলে কোল্ড ড্রিংসের মধ্যে বিষ মিশিয়ে মুনিয়াকে জোরপূর্বক খাইয়ে দেয়। মুনিয়া গুরুতর আহত হলে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকার কদমতলী বাস ষ্টানে ফেলে পালিয়ে যায়।
এরপর মুনিয়ার আত্বীয় স্বজন খবর পেয়ে মুনিয়াকে উদ্ধার করে নিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া চিকিৎসা করায়।
মুনিয়া জানায়, এই ধারাবাহিক ধর্ষণের সহযোগিতা করে আসছিলো কুমিল্লা দুর্গাপুর গ্রামের লালু মিয়ার ছেলে কামাল, নারায়ণগঞ্জের জালাল উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সাত্তার, কেরানীগঞ্জের ফারুক, রাকিব ও ইসমাইল।
মুনিয়া তার লিখিত অভিযোগে জানায়, ২৬ নভেম্বরের আগে সাদ্দাম তার সাথে একাধিকবার জোরপুর্বক অনৈতিক কাজ করায় তিনি অন্তসত্ত্বা হয়ে পরেন। বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য গত ৩০জুলাই সাদ্দাম মুনিয়াকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অবৈধভাবে গর্ভপাত করায়।
এবিষয়ে মুনিয়া নিজে বাদি হয়ে বিকেলে ঢাকার দক্ষিণ কেরানিগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মুনিয়া জানায়, বর্তমানে সাদ্দাম সিন্ডিকেট তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার উদ্দেসে খুঁজে বেড়াচ্ছে। তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে কেরানিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে একাধিকবার ফোনকলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ধর্ষণের পর বিষ খাইয়ে মুনিয়াকে হত্যা চেষ্টা থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ এবং ধর্ষণের পর কোল্ড ড্রিংসের সাথে বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে মুনিয়াকে। মুনিয়ার সাথে দির্ঘদিন যাবত প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগরের মামুন কাজীর ছেলে সাদ্দাম কাজীর সাথে। বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে মুনিয়ার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করে আসছিল সাদাম। গত ২৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের চুনকুটায় সাদ্দাম তার নিজ বাসায় মুনিয়াকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ধর্ষনের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় ওইদিনই সাদ্দামের স্ত্রী পিয়াঙ্কা ও তার সাথে অজ্ঞাত আরও ৩জন মুনিয়াকে এলোপাথারীভাবে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত নিলা ফুলা জখম করে। এরপর মুনিয়াকে হত্যার ভয় দেখিয়ে কয়েকটি নন-জুডিশিয়াল ষ্টাম্পে ও সাদা কাগজে জোরপূর্বক স্বাক্ষর ও টিপসহি নেয়।
এক পর্যায়ে সাদ্দাম সিন্ডিকেটের সকলে মিলে কোল্ড ড্রিংসের মধ্যে বিষ মিশিয়ে মুনিয়াকে জোরপূর্বক খাইয়ে দেয়। মুনিয়া গুরুতর আহত হলে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকার কদমতলী বাস ষ্টানে ফেলে পালিয়ে যায়।
এরপর মুনিয়ার আত্বীয় স্বজন খবর পেয়ে মুনিয়াকে উদ্ধার করে নিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া চিকিৎসা করায়।
মুনিয়া জানায়, এই ধারাবাহিক ধর্ষণের সহযোগিতা করে আসছিলো কুমিল্লা দুর্গাপুর গ্রামের লালু মিয়ার ছেলে কামাল, নারায়ণগঞ্জের জালাল উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সাত্তার, কেরানীগঞ্জের ফারুক, রাকিব ও ইসমাইল।
মুনিয়া তার লিখিত অভিযোগে জানায়, ২৬ নভেম্বরের আগে সাদ্দাম তার সাথে একাধিকবার জোরপুর্বক অনৈতিক কাজ করায় তিনি অন্তসত্ত্বা হয়ে পরেন। বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য গত ৩০জুলাই সাদ্দাম মুনিয়াকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অবৈধভাবে গর্ভপাত করায়।
এবিষয়ে মুনিয়া নিজে বাদি হয়ে বিকেলে ঢাকার দক্ষিণ কেরানিগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মুনিয়া জানায়, বর্তমানে সাদ্দাম সিন্ডিকেট তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার উদ্দেসে খুঁজে বেড়াচ্ছে। তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে কেরানিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে একাধিকবার ফোনকলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।