ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

না ফেরার দেশে কবি ও সাংবাদিক মাশুক চৌধুরী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০ ২২৭ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য, কবি ও সাংবাদিক মাসুক চৌধুরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ঠান্ডাজনিত রোগে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মাশুক চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান বার্তা সম্পাদক ছিলেন।

গত ১৬ জুন অসুস্থ হলে তাকে শাহজাহানপুরে প্যান প্যাসিফিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার করোনা পরীক্ষা করা হয়, রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর তার নিউমোনিয়া ধরা পড়ে।

মাশুক চৌধুরীর ছোট ভাই আশরাফুল হায়দার চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার রাত ১২টায় তার অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসকরা আইসিইউয়ের জন্য অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেখান থেকে তাকে রাশমনো হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু রাত দেড়টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বুধবার সকাল ৭টায় হাজীপাড়ায় প্রথম এবং উত্তর মাদারটেক বায়তুল্লাহ জামে মসজিদে তার দিতীয় নামাজে জানাজা হয়। জানাজা শেষে মাদারটেক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মাশুক চৌধুরীর মৃত্যুতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কবি ও সাংবাদিক মাশুক চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা বিভাগে পড়াশোনা শেষ করে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন। তিনি দৈনিক সংবাদ, দৈনিক খবর, দৈনিক দেশসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেন। বাংলাদেশ প্রতিদিন তার সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল।

তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে বিখ্যাত কয়েকটি হলো- ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘মুক্তিযুদ্ধ প্রিয়তমা আমার’, ‘অত্যাগসহন’, ‘নদীর নাম দুঃসময়’ ও ‘স্বর্গের রেপ্লিকা’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

না ফেরার দেশে কবি ও সাংবাদিক মাশুক চৌধুরী

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য, কবি ও সাংবাদিক মাসুক চৌধুরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ঠান্ডাজনিত রোগে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মাশুক চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান বার্তা সম্পাদক ছিলেন।

গত ১৬ জুন অসুস্থ হলে তাকে শাহজাহানপুরে প্যান প্যাসিফিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার করোনা পরীক্ষা করা হয়, রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর তার নিউমোনিয়া ধরা পড়ে।

মাশুক চৌধুরীর ছোট ভাই আশরাফুল হায়দার চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার রাত ১২টায় তার অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসকরা আইসিইউয়ের জন্য অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেখান থেকে তাকে রাশমনো হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু রাত দেড়টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বুধবার সকাল ৭টায় হাজীপাড়ায় প্রথম এবং উত্তর মাদারটেক বায়তুল্লাহ জামে মসজিদে তার দিতীয় নামাজে জানাজা হয়। জানাজা শেষে মাদারটেক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মাশুক চৌধুরীর মৃত্যুতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

কবি ও সাংবাদিক মাশুক চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা বিভাগে পড়াশোনা শেষ করে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন। তিনি দৈনিক সংবাদ, দৈনিক খবর, দৈনিক দেশসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করেন। বাংলাদেশ প্রতিদিন তার সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল।

তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে বিখ্যাত কয়েকটি হলো- ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘মুক্তিযুদ্ধ প্রিয়তমা আমার’, ‘অত্যাগসহন’, ‘নদীর নাম দুঃসময়’ ও ‘স্বর্গের রেপ্লিকা’