ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

সাগরে নৌযানের মাধ্যমে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষেধ : মৎস্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০ ১৯১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের নৌযানের মাধ্যমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ।

সচিবালয়ে রোববার (১৭ মে) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মৎস্যমন্ত্রী বলেন, এ সময়ে দেশি ও বিদেশি মৎস্য আহরণকারীদের অবৈধ মৎস্য আহরণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে। সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের মাসে ৪০ কেজি করে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হবে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের নৌযানের মাধ্যমে মৎস্য ও ক্রাস্টাশিয়ান্স (চিংড়ি, লবস্টার, কাটল ফিশ প্রভৃতি) আহরণ নিষিদ্ধ। এ সময়ে দেশি ও বিদেশি মৎস্য আহরণকারীদের অবৈধ মৎস্য আহরণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে।

অনলাইন সভায় সংযুক্তদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো বলেন, মাছ বেড়ে উঠতে দেওয়া ও মাছ অবৈধভাবে আহরণ করতে না দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। কাউকে আইনের বাইরে কোনো কিছু করতে দেওয়া হবে না। দায়িত্ব পালনে কোনো শৈথিল্য দেখা গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অনলাইন সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদসহ কয়েকজন কর্মকর্তা। এ ছাড়াও অনলাইনে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের প্রতিনিধি, নৌ পুলিশের ডিআইজি, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বেশ কয়েকজন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং মেরিন হোয়াইট ফিশ ট্রলার ওনার অ্যাসোসিয়েশন, সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী বোট মালিক সমিতি, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন ও জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সাগরে নৌযানের মাধ্যমে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষেধ : মৎস্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের নৌযানের মাধ্যমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ।

সচিবালয়ে রোববার (১৭ মে) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মৎস্যমন্ত্রী বলেন, এ সময়ে দেশি ও বিদেশি মৎস্য আহরণকারীদের অবৈধ মৎস্য আহরণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে। সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের মাসে ৪০ কেজি করে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হবে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের নৌযানের মাধ্যমে মৎস্য ও ক্রাস্টাশিয়ান্স (চিংড়ি, লবস্টার, কাটল ফিশ প্রভৃতি) আহরণ নিষিদ্ধ। এ সময়ে দেশি ও বিদেশি মৎস্য আহরণকারীদের অবৈধ মৎস্য আহরণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে।

অনলাইন সভায় সংযুক্তদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো বলেন, মাছ বেড়ে উঠতে দেওয়া ও মাছ অবৈধভাবে আহরণ করতে না দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। কাউকে আইনের বাইরে কোনো কিছু করতে দেওয়া হবে না। দায়িত্ব পালনে কোনো শৈথিল্য দেখা গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অনলাইন সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদসহ কয়েকজন কর্মকর্তা। এ ছাড়াও অনলাইনে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের প্রতিনিধি, নৌ পুলিশের ডিআইজি, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বেশ কয়েকজন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং মেরিন হোয়াইট ফিশ ট্রলার ওনার অ্যাসোসিয়েশন, সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী বোট মালিক সমিতি, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন ও জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা।