ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ Logo কবি আকাশমণির রোমান্টিক লেখা “ক্লান্তরা সুখ হয়ে ওঠে” Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা Logo থাইল্যান্ডের চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে সেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যাংককের বিএনএইচ হাসপাতালের

সাগরে নৌযানের মাধ্যমে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষেধ : মৎস্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০ ১৮২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের নৌযানের মাধ্যমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ।

সচিবালয়ে রোববার (১৭ মে) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মৎস্যমন্ত্রী বলেন, এ সময়ে দেশি ও বিদেশি মৎস্য আহরণকারীদের অবৈধ মৎস্য আহরণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে। সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের মাসে ৪০ কেজি করে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হবে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের নৌযানের মাধ্যমে মৎস্য ও ক্রাস্টাশিয়ান্স (চিংড়ি, লবস্টার, কাটল ফিশ প্রভৃতি) আহরণ নিষিদ্ধ। এ সময়ে দেশি ও বিদেশি মৎস্য আহরণকারীদের অবৈধ মৎস্য আহরণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে।

অনলাইন সভায় সংযুক্তদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো বলেন, মাছ বেড়ে উঠতে দেওয়া ও মাছ অবৈধভাবে আহরণ করতে না দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। কাউকে আইনের বাইরে কোনো কিছু করতে দেওয়া হবে না। দায়িত্ব পালনে কোনো শৈথিল্য দেখা গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অনলাইন সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদসহ কয়েকজন কর্মকর্তা। এ ছাড়াও অনলাইনে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের প্রতিনিধি, নৌ পুলিশের ডিআইজি, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বেশ কয়েকজন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং মেরিন হোয়াইট ফিশ ট্রলার ওনার অ্যাসোসিয়েশন, সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী বোট মালিক সমিতি, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন ও জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সাগরে নৌযানের মাধ্যমে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষেধ : মৎস্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের নৌযানের মাধ্যমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ।

সচিবালয়ে রোববার (১৭ মে) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনলাইন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মৎস্যমন্ত্রী বলেন, এ সময়ে দেশি ও বিদেশি মৎস্য আহরণকারীদের অবৈধ মৎস্য আহরণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে। সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের মাসে ৪০ কেজি করে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হবে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের নৌযানের মাধ্যমে মৎস্য ও ক্রাস্টাশিয়ান্স (চিংড়ি, লবস্টার, কাটল ফিশ প্রভৃতি) আহরণ নিষিদ্ধ। এ সময়ে দেশি ও বিদেশি মৎস্য আহরণকারীদের অবৈধ মৎস্য আহরণ যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে।

অনলাইন সভায় সংযুক্তদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো বলেন, মাছ বেড়ে উঠতে দেওয়া ও মাছ অবৈধভাবে আহরণ করতে না দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। কাউকে আইনের বাইরে কোনো কিছু করতে দেওয়া হবে না। দায়িত্ব পালনে কোনো শৈথিল্য দেখা গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অনলাইন সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদসহ কয়েকজন কর্মকর্তা। এ ছাড়াও অনলাইনে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের প্রতিনিধি, নৌ পুলিশের ডিআইজি, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বেশ কয়েকজন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং মেরিন হোয়াইট ফিশ ট্রলার ওনার অ্যাসোসিয়েশন, সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী বোট মালিক সমিতি, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন ও জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা।