ঢাকা ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০ ৫০৩৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

অনলাইন রিপোর্ট্;

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বার্ধক্যজনিত নানা রোগে বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) তার ছেলে আনন্দ জামান সাংবাদিকদের জানান তার বাবার হার্ট ও কিডনিতে জটিলতা রয়েছে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তার বাবা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স ও ১৯৫৭ সালে এম.এ. পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। বাংলা একাডেমির যেকোনো সিদ্ধান্তের সাথে তিনি সব সময় জড়িত ছিলেন। বাংলা বানান রীতির অভিধানসহ যেকোন প্রকল্পে তার অবস্থান ছিল অবধারিত।

তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেন। ১৯৭১ সালে মুজিব নগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরও সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের বাংলা ভাষায় অনুবাদের যে কমিটি ছিল সেটার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে গঠিত গণ আদালতের একজন অভিযোগকারী ছিলেন আনিসুজ্জামান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট্;

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান মারা গেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

বার্ধক্যজনিত নানা রোগে বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) তার ছেলে আনন্দ জামান সাংবাদিকদের জানান তার বাবার হার্ট ও কিডনিতে জটিলতা রয়েছে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তার বাবা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স ও ১৯৫৭ সালে এম.এ. পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। বাংলা একাডেমির যেকোনো সিদ্ধান্তের সাথে তিনি সব সময় জড়িত ছিলেন। বাংলা বানান রীতির অভিধানসহ যেকোন প্রকল্পে তার অবস্থান ছিল অবধারিত।

তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেন। ১৯৭১ সালে মুজিব নগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরও সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের বাংলা ভাষায় অনুবাদের যে কমিটি ছিল সেটার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে গঠিত গণ আদালতের একজন অভিযোগকারী ছিলেন আনিসুজ্জামান।