ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

করোনার ভয় উপেক্ষা করে রাস্তায় বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২০ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন রিপোর্ট | 

দীর্ঘ দুই বছর এক মাস ১৬ দিন পর মুক্তি পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ইতোমধ্যে মুক্তির প্রক্রিয়া শেষে গুলশানের বাসভবনে ফিরেছেন তিনি। পুরো পথজুড়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা বিশাল গাড়িবহরে যুক্ত ছিলেন। পায়ে হেটে বা দৌরে খালেদা জিয়ার বাসভবন পর্যন্ত গিয়েছেন।
যদিও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এই সংকটকালীন সময়ে সরকারি নির্দেশনা অনুসারে এ ধরনের সমাবেশ বা নেতা-কর্মী জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে আগামীকাল থেকে দেশজুড়ে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনী। সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলইসলাম আলমগীর এমন আশঙ্কা থেকেই নেটা-কর্মীদের আশপাশে ভিড় করতে নিষেধ করেছিলেন। তবে এসব নির্দেশ মানেনি দলটির নেতা-কর্মীরা। করোনার ভয়কে উড়িয়ে খালেদার গাড়ি বহরে যুক্ত হয়েছেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সাজা হলে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর সেখান থেকে গত বছরের ১ এপ্রিল তাকে নিয়ে আসা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে। এতদিন তিনি কারাবন্দি অবস্থায় এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
২০১০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোডের বাসভবন ছেড়ে গুলশানে ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের বাসায় ওঠেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। ওই বছরই গুলশান ৭৯ নম্বর রোডের ১ নম্বর ফিরোজা নামের এ বাড়িটি ভাড়া নেন খালেদা জিয়া।
২০০১-২০০৬ পর্যন্ত খালেদা জিয়া সরকারের প্রতিমন্ত্রী মেজর (অব.) কামরুল ইসলামের ছেলের ওই বাড়িটি ভাড়া নেওয়ার পর সংস্কার করে ২০১১ সালের ২১ এপ্রিল ভাইয়ের বাসা ছেড়ে ওই বাড়িতে ওঠেন তিনি। দুই বছর এক মাস পর আবার তিনি সেই বাড়িতেই উঠতে যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এতদিন ওই বাড়িতে গৃহকর্মী ছাড়া আর কেউ বসবাস করেননি। তবে তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলী রহমান সিঁথি মাঝে মধ্যে লন্ডন থেকে ঢাকায় এলে উঠতেন ওই বাড়িতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

করোনার ভয় উপেক্ষা করে রাস্তায় বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী

আপডেট সময় : ০৭:০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২০

অনলাইন রিপোর্ট | 

দীর্ঘ দুই বছর এক মাস ১৬ দিন পর মুক্তি পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ইতোমধ্যে মুক্তির প্রক্রিয়া শেষে গুলশানের বাসভবনে ফিরেছেন তিনি। পুরো পথজুড়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা বিশাল গাড়িবহরে যুক্ত ছিলেন। পায়ে হেটে বা দৌরে খালেদা জিয়ার বাসভবন পর্যন্ত গিয়েছেন।
যদিও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এই সংকটকালীন সময়ে সরকারি নির্দেশনা অনুসারে এ ধরনের সমাবেশ বা নেতা-কর্মী জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে আগামীকাল থেকে দেশজুড়ে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনী। সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলইসলাম আলমগীর এমন আশঙ্কা থেকেই নেটা-কর্মীদের আশপাশে ভিড় করতে নিষেধ করেছিলেন। তবে এসব নির্দেশ মানেনি দলটির নেতা-কর্মীরা। করোনার ভয়কে উড়িয়ে খালেদার গাড়ি বহরে যুক্ত হয়েছেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সাজা হলে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর সেখান থেকে গত বছরের ১ এপ্রিল তাকে নিয়ে আসা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে। এতদিন তিনি কারাবন্দি অবস্থায় এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
২০১০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোডের বাসভবন ছেড়ে গুলশানে ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের বাসায় ওঠেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। ওই বছরই গুলশান ৭৯ নম্বর রোডের ১ নম্বর ফিরোজা নামের এ বাড়িটি ভাড়া নেন খালেদা জিয়া।
২০০১-২০০৬ পর্যন্ত খালেদা জিয়া সরকারের প্রতিমন্ত্রী মেজর (অব.) কামরুল ইসলামের ছেলের ওই বাড়িটি ভাড়া নেওয়ার পর সংস্কার করে ২০১১ সালের ২১ এপ্রিল ভাইয়ের বাসা ছেড়ে ওই বাড়িতে ওঠেন তিনি। দুই বছর এক মাস পর আবার তিনি সেই বাড়িতেই উঠতে যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এতদিন ওই বাড়িতে গৃহকর্মী ছাড়া আর কেউ বসবাস করেননি। তবে তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলী রহমান সিঁথি মাঝে মধ্যে লন্ডন থেকে ঢাকায় এলে উঠতেন ওই বাড়িতে।