ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

‘আব্বু-আম্মু মিলেমিশে থেক’ লিখে কিশোরের আত্মহত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

‘আব্বু-আম্মু মিলেমিশে থেক’ লিখে কিশোরের আত্মহত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় চিরকুট লিখে এক কিশোর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরের নাম অপু মিয়া (১৫)। সে ওই গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে।
মৃত্যুর আগে অপু একটি চিরকুট লিখে যায়। তাতে লেখা রয়েছে- ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি চাই আব্বু ও আম্মু মিলেমিশে থাকুক। কখনও ঝগড়া না করুক। ভাই-বোনদের যেন না মারে। তাদের যেন আদর-স্নেহ করে। আমাকে মাফ করে দিও, ইতি অপু।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার দুপুরে অপুর বসতঘরের দরজা-জানালা দীর্ঘক্ষণ বন্ধ দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। দরজায় ধাক্কা দিয়ে কোনও সাড়া না পাওয়ায় আখাউড়া থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে অপুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
জানা যায়, বুধবার সকালে নিহত অপুর মায়ের সঙ্গে প্রবাসে থাকা তার বাবা আনোয়ার মিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে অপুর মা তাকে মারধর করে। পরে অপুকে রেখে বাবার বাড়ি চলে যায়। এরপরই এই ঘটনা ঘটে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ বিষয়ে এখনও পুলিশ কিছু নিশ্চিত করতে পারেনি।
অপুর মা নিলুফা বেগম জানান, আমি ছেলের জন্য দুপুরের খাবার রান্না করে বাবার বাড়ি যাই। কিন্তু পরে শুনি-আমার ছেলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
কেন আত্মহত্যা করেছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কোনও কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। আমার কাছে ছেলের মৃত্যুটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে আখাউড়া থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

‘আব্বু-আম্মু মিলেমিশে থেক’ লিখে কিশোরের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় চিরকুট লিখে এক কিশোর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরের নাম অপু মিয়া (১৫)। সে ওই গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে।
মৃত্যুর আগে অপু একটি চিরকুট লিখে যায়। তাতে লেখা রয়েছে- ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি চাই আব্বু ও আম্মু মিলেমিশে থাকুক। কখনও ঝগড়া না করুক। ভাই-বোনদের যেন না মারে। তাদের যেন আদর-স্নেহ করে। আমাকে মাফ করে দিও, ইতি অপু।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার দুপুরে অপুর বসতঘরের দরজা-জানালা দীর্ঘক্ষণ বন্ধ দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। দরজায় ধাক্কা দিয়ে কোনও সাড়া না পাওয়ায় আখাউড়া থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে অপুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
জানা যায়, বুধবার সকালে নিহত অপুর মায়ের সঙ্গে প্রবাসে থাকা তার বাবা আনোয়ার মিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে অপুর মা তাকে মারধর করে। পরে অপুকে রেখে বাবার বাড়ি চলে যায়। এরপরই এই ঘটনা ঘটে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ বিষয়ে এখনও পুলিশ কিছু নিশ্চিত করতে পারেনি।
অপুর মা নিলুফা বেগম জানান, আমি ছেলের জন্য দুপুরের খাবার রান্না করে বাবার বাড়ি যাই। কিন্তু পরে শুনি-আমার ছেলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
কেন আত্মহত্যা করেছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কোনও কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। আমার কাছে ছেলের মৃত্যুটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে আখাউড়া থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।