বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে হামলায় পুলিশ আহত, ইউপি সদস্য শ্রীঘরে

সকালের সংবাদ ডেস্ক;সকালের সংবাদ ডেস্ক;
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:৫৬ অপরাহ্ণ, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়ায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনূর্ধ্ব-১৭ ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জনতার হামলায় লোহাগড়া থানার এসআই জয়নুল আবেদীন আহত হয়েছেন। তাকে লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কাশিপুর ইউপি সদস্য আব্দুল অহেদ শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার বিকালে লোহাগড়া শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনূর্ধ্ব-১৭ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ ও নলদী ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফুটবল খেলায় একজন বদলি খেলোয়াড়কে মাঠে নামানোকে কেন্দ্র করে কাশিপুর ইউনিয়ন সমর্থিত দর্শকরা প্রতিপক্ষ নলদী ইউনিয়ন সমর্থিত দর্শকদের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় মঞ্চে থাকা লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শিকদার আবদুল হান্নান রুনু, লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমএম আরাফাত হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সমরেন বিশ্বাসসহ উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদের ওপর কাশিপুর ইউপির লোকজন চড়াও হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমএম আরাফাত হোসেন উপস্থিত লোহাগড়া থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।

এ সময় লোহাগড়া থানার পুলিশ উভয়পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টাকালে উত্তেজিত দর্শকদের হামলায় লোহাগড়া থানার এসআই জয়নুল আবেদীন আহত হয়। আহত এসআইকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার আবুল হাসনাত জানান, আহত এসআই জয়নুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জয়নুল আবেদীন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে আমার ওপর চেয়ার, লাটিশোঠা দিয়ে হামলা করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ কাশিপুর ইউপি সদস্য আব্দুল অহেদ শেখকে আটক করা হয়েছে।

লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমানুল্লাহ বারী জানান, খেলার মাঠে দুই পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে এসআই জয়নুল আবেদীন আহত হয়েছেন।

লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুকুল কুমার মৈত্র জানান, খেলা চলাকালে নলদী ইউনিয়ন দল একজন প্লেয়ারকে মাঠে নামায়। এ নিয়ে কাশিপুর ইউনিয়নের লোকজন আপত্তি জানান এবং নলদী ইউনিয়নের একজনকে মারপিঠ করে আহত করে। এ নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

আপনার মতামত লিখুন :