ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

জেলে যেতে হতে পারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিসকে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |

ঢাকা: ব্রেক্সিট (ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া) নির্ধারিত সময় থেকে পেছাবে কি পেছাবে না তা নিয়ে উত্তাল যুক্তরাজ্যের রাজনীতি। যার কারণে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছে তিনি আর কেউ নন, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিজেই! তিনি চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের পক্ষে। কিন্তু তার বিরোধীরা এটা হতে দেবে না বলে ঘোষণা দিয়ে নেমেছে ময়দানে। প্রধানমন্ত্রী যেন সফল হতে না পারেন সেজন্য সম্ভাব্য সব করছে তারা।

বিরোধীরা ইতোমধ্যে কিছুটা সফলও হয়েছে বলা যায়। এতে বেশ বেকায়দায় পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তাই বরিস তোপ দাগছেন অনবরত। এরমধ্যে দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশনের সাবেক পরিচালকের মন্তব্য তো বরিস জনসনকে আরও উন্মত্ত করে তোলার কথা! লর্ড ম্যাকডোনাল্ড (৬৬) নামে ওই সাবেক পরিচালক বলেছেন, বরিস যদি ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ না করেন তবে তার জেলও হতে পারে।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সাংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, সাধারণত বরিস জনসন ‘নো ডিল এক্সিট’ বিলকে উপেক্ষা করতে পারেন। পরে যদি তা আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং তাকে ব্রেক্সিটের জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন করতে বলা হয়, তবে তাকে আবেদন করতে হবে। যদি তিনি এরপরও তা উপেক্ষা করে আবেদন করে ব্রাসেলসে (ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়) চিঠি না পাঠান আদালত অবমাননার দায়ে তার জেল হবে।

এর আগে ব্রিটেনের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে বিরোধী এবং বিদ্রোহীদের ‘নো ডিল ব্রেক্সিট’র বিরুদ্ধে আনা বিল অনুমোদন পেয়ে যায়। দেশটির নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সেও চুক্তিহীন ব্রেক্সিট এখনই না করার বিল পাস হয়। দু’টোতেই হেরে যান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এরমধ্যে ছড়াচ্ছিল আগাম নির্বাচনের ডালপালাও। কিন্তু তা অনেকটা মিলিয়ে গেছে পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী পর পর দু’বার হেরে যাওয়ায়।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বরিস ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে হাউস অব লর্ডসে পাস হওয়া বিলটি সম্পর্কে বলেছেন, ‘তারা একটি আইন পাস করিয়েছে যা আমাকে ব্রেক্সিটের ক্ষেত্রে ব্রাসেলসের কাছে সময় ভিক্ষা করতে বাধ্য করবে! কিন্তু এ কাজটি আমি কখনই করবো না।’

হাউস অব লর্ডসে বিরোধী এবং বিদ্রোহীদের ‘নো ডিল ব্রেক্সিট’র বিরুদ্ধে আনা বিলটি আগামী সোমবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সম্মতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী ৩১ অক্টোবর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ বা ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার দিনক্ষণ নির্ধারিত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

জেলে যেতে হতে পারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিসকে!

আপডেট সময় : ১০:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |

ঢাকা: ব্রেক্সিট (ইউরোপ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া) নির্ধারিত সময় থেকে পেছাবে কি পেছাবে না তা নিয়ে উত্তাল যুক্তরাজ্যের রাজনীতি। যার কারণে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছে তিনি আর কেউ নন, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিজেই! তিনি চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের পক্ষে। কিন্তু তার বিরোধীরা এটা হতে দেবে না বলে ঘোষণা দিয়ে নেমেছে ময়দানে। প্রধানমন্ত্রী যেন সফল হতে না পারেন সেজন্য সম্ভাব্য সব করছে তারা।

বিরোধীরা ইতোমধ্যে কিছুটা সফলও হয়েছে বলা যায়। এতে বেশ বেকায়দায় পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তাই বরিস তোপ দাগছেন অনবরত। এরমধ্যে দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশনের সাবেক পরিচালকের মন্তব্য তো বরিস জনসনকে আরও উন্মত্ত করে তোলার কথা! লর্ড ম্যাকডোনাল্ড (৬৬) নামে ওই সাবেক পরিচালক বলেছেন, বরিস যদি ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ না করেন তবে তার জেলও হতে পারে।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সাংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, সাধারণত বরিস জনসন ‘নো ডিল এক্সিট’ বিলকে উপেক্ষা করতে পারেন। পরে যদি তা আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং তাকে ব্রেক্সিটের জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন করতে বলা হয়, তবে তাকে আবেদন করতে হবে। যদি তিনি এরপরও তা উপেক্ষা করে আবেদন করে ব্রাসেলসে (ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়) চিঠি না পাঠান আদালত অবমাননার দায়ে তার জেল হবে।

এর আগে ব্রিটেনের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে বিরোধী এবং বিদ্রোহীদের ‘নো ডিল ব্রেক্সিট’র বিরুদ্ধে আনা বিল অনুমোদন পেয়ে যায়। দেশটির নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সেও চুক্তিহীন ব্রেক্সিট এখনই না করার বিল পাস হয়। দু’টোতেই হেরে যান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এরমধ্যে ছড়াচ্ছিল আগাম নির্বাচনের ডালপালাও। কিন্তু তা অনেকটা মিলিয়ে গেছে পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী পর পর দু’বার হেরে যাওয়ায়।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বরিস ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে হাউস অব লর্ডসে পাস হওয়া বিলটি সম্পর্কে বলেছেন, ‘তারা একটি আইন পাস করিয়েছে যা আমাকে ব্রেক্সিটের ক্ষেত্রে ব্রাসেলসের কাছে সময় ভিক্ষা করতে বাধ্য করবে! কিন্তু এ কাজটি আমি কখনই করবো না।’

হাউস অব লর্ডসে বিরোধী এবং বিদ্রোহীদের ‘নো ডিল ব্রেক্সিট’র বিরুদ্ধে আনা বিলটি আগামী সোমবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সম্মতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী ৩১ অক্টোবর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ বা ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার দিনক্ষণ নির্ধারিত রয়েছে।