ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ জুন ২০২৩, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ




নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা: শ্রীলঙ্কার প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯ ৪৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক;
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে গুলি চালানোর ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডে উদযাপনের সময় একের পর এক বোমা হামলা চালানো হয়। শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টে আজ মঙ্গলবার এক অধিবেশনে দেশের প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুয়ান বিজেবর্ধনে এ মন্তব্য করেন। রোববারের ওই হামলায় ৩২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়। দ্য গার্ডিয়ান অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওয়াজেবর্ধনে বলেন, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ক্রাইস্টচার্চে হামলার প্রতিশোধ নিতেই শ্রীলঙ্কায় এ হামলা চালানো হয়।
হামলার ঘটনার আগে একটি গোয়েন্দা সংস্থার স্মারকে বলা হয়, সন্ত্রাসী দলের একজন সদস্য তাঁর সামাজিক যোগাযোগের অ্যাকাউন্টে চরমপন্থী বিষয়ক বিভিন্ন লেখা পোস্ট করতে শুরু করেছিলেন।
সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, এ ধরনের গভীর ও জটিল হামলা চালাতে যে সরঞ্জাম লাগে, এর প্রস্তুতিতে কয়েক মাস সময় দরকার। এর মধ্যে আত্মঘাতী সদস্য জোগাড় করা ও বিস্ফোরকদ্রব্য পরীক্ষার মতো বিষয়ও রয়েছে।
পার্লামেন্টে ওয়াইজেবর্ধনে বলেন, হামলায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৩২১ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৩৮ জন বিদেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা: শ্রীলঙ্কার প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক;
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে গুলি চালানোর ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডে উদযাপনের সময় একের পর এক বোমা হামলা চালানো হয়। শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টে আজ মঙ্গলবার এক অধিবেশনে দেশের প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুয়ান বিজেবর্ধনে এ মন্তব্য করেন। রোববারের ওই হামলায় ৩২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়। দ্য গার্ডিয়ান অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওয়াজেবর্ধনে বলেন, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ক্রাইস্টচার্চে হামলার প্রতিশোধ নিতেই শ্রীলঙ্কায় এ হামলা চালানো হয়।
হামলার ঘটনার আগে একটি গোয়েন্দা সংস্থার স্মারকে বলা হয়, সন্ত্রাসী দলের একজন সদস্য তাঁর সামাজিক যোগাযোগের অ্যাকাউন্টে চরমপন্থী বিষয়ক বিভিন্ন লেখা পোস্ট করতে শুরু করেছিলেন।
সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, এ ধরনের গভীর ও জটিল হামলা চালাতে যে সরঞ্জাম লাগে, এর প্রস্তুতিতে কয়েক মাস সময় দরকার। এর মধ্যে আত্মঘাতী সদস্য জোগাড় করা ও বিস্ফোরকদ্রব্য পরীক্ষার মতো বিষয়ও রয়েছে।
পার্লামেন্টে ওয়াইজেবর্ধনে বলেন, হামলায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৩২১ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৩৮ জন বিদেশি।