ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ৪৪৫

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে ও কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৪৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বাজার, রেলস্টেশন, মাঠ, পরিত্যক্ত, নির্জন স্থানসহ কিশোরদের আড্ডার সম্ভাব্য জায়গায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানে আড্ডারত ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত কিশোরদের শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় ৩৫৪ জন কিশোরকে থানায় আনা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় ২৯৩ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

অপরদিকে, অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ৬১ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাদক ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও ৯১ জনকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে বিশেষ অভিযানে ৪৪৫ জনকে গ্রেপ্তার ও আটক করা হয়েছে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল বলেন, অভিযান শেষে অভিভাবকদের থানায় ডেকে সন্তানদের প্রতি আরও যত্নশীল ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সন্তানরা কখন, কোথায় এবং কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে ফিরছে কি না, সেদিকে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে বলা হয়। পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনা, চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে নজরদারি করতে এবং তাদের মাদক ও অপরাধপ্রবণ পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের সচেতন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে শুধু পুলিশের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ৪৪৫

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে ও কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৪৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, বাজার, রেলস্টেশন, মাঠ, পরিত্যক্ত, নির্জন স্থানসহ কিশোরদের আড্ডার সম্ভাব্য জায়গায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানে আড্ডারত ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত কিশোরদের শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় ৩৫৪ জন কিশোরকে থানায় আনা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় ২৯৩ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

অপরদিকে, অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ৬১ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাদক ও অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও ৯১ জনকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে বিশেষ অভিযানে ৪৪৫ জনকে গ্রেপ্তার ও আটক করা হয়েছে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল বলেন, অভিযান শেষে অভিভাবকদের থানায় ডেকে সন্তানদের প্রতি আরও যত্নশীল ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সন্তানরা কখন, কোথায় এবং কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ে বাড়িতে ফিরছে কি না, সেদিকে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে বলা হয়। পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনা, চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে নজরদারি করতে এবং তাদের মাদক ও অপরাধপ্রবণ পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের সচেতন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে শুধু পুলিশের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।