ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ Logo উন্নয়নের নামে লুটপাট: ডিএসসিসি এডিবি প্রকল্পে ‘১২ টেবিল’ ভাগাভাগি হয় ঘুষের টাকা  Logo বাংলাদেশ ভারত কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে ১৫১ জেলের মুক্তিতে বন্দি বিনিময়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল ঘোষণা Logo ঢাকা মহানগর দক্ষিণে স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্বাচনী প্রচারণা টিম গঠন Logo ‘আওয়ামী প্রেতাত্মা’ পিডিপির নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন: ফতেহাবাদ সাবস্টেশনে চুরির ঘটনায় রহস্য! Logo গতকাল শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাকেরগঞ্জ বিএনপির নেতারা Logo বিআরটিসিতে দুর্নীতির বরপুত্র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড়

৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1,"square_fit":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি, অনিয়ম ও রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত কাস্টমস কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একাধিক অভিযোগ জমা পড়লেও আজ পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগ নিষ্পত্তি না করেই তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পদে দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনা প্রশাসনিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

বর্তমানে তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কর ফাঁকি উদঘাটন ও দুর্নীতি দমনের দায়িত্বে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের নেতৃত্বে এমন একজন কর্মকর্তার অবস্থান করদাতা ও সংশ্লিষ্ট মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।

স্বৈরাচার আমলের ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প ও দুর্নীতির অভিযোগ

বিগত শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে নেওয়া ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা কাস্টমস কমিশনার মুহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠে আসে। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী সততা, নিরপেক্ষতা ও স্বার্থের সংঘাত এড়িয়ে চলা বাধ্যতামূলক হলেও অভিযোগ অনুযায়ী তিনি এসব বিধি বারবার লঙ্ঘন করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, তার শ্যালকের নামে বাজারমূল্যের তুলনায় প্রায় তিন গুণ দামে এসি ক্রয় দেখানো হয়, যা সরকারি ক্রয় বিধিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। একই সঙ্গে Dhrupadi Techno Consortium Ltd. নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকার কাজ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তা নিজের বা আত্মীয়স্বজনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিকভাবে জড়িত থাকতে পারেন না, যা স্পষ্ট স্বার্থের সংঘাতের উদাহরণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিদেশ ভ্রমণ, সম্পদ ও কর ফাঁকি

বিগত দিনে সরকারি সফরের নামে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ দেখিয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তার ও তার পরিবারের সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, লুটপাট ও দুর্নীতির মাধ্যমে জাকির হোসেন তার স্ত্রীর নামে ফ্ল্যাট প্লট, একাধিক বন্ড প্রতিষ্ঠানের মালিকানা রয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানকে অডিটে অন্তর্ভুক্ত করে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে, যা রাজস্ব কর্মকর্তাদের আচরণবিধি ও দুর্নীতি দমন আইনের পরিপন্থী। রয়েছে দেশের অবিজত ক্লাবে প্রায় অর্ধ-লক্ষ টাকা খরচ করে সদস্যপদ হওয়ার মত গুরুতর অভিযোগ।

যশোর কাস্টমস কমিশনার থাকাকালে তার স্ত্রী সোনা চোরাচালানে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে এবং ঢাকার বিমানবন্দরে সোনাসহ আটক হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ২০২২ সালে ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে বনানী ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ করলেও সেই অর্থ কর ফাইলে প্রদর্শন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। মাসিক চাঁদার অর্থও আয়কর বিবরণীতে না দেখানো কর আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের পাহাড়, কিন্তু নেই দৃশ্যমান ব্যবস্থা:

এই সব অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে একাধিক লিখিত অভিযোগ দাখিল হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কার্যকর তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নজির নেই। বরং অভিযোগকারীদের মতে, স্বৈরাচার সরকারের সময় গড়ে ওঠা প্রভাবশালী নেটওয়ার্কের কারণে তিনি দায়মুক্তি পেয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এতসব অভিযোগ নিষ্পত্তি না করেই তাকে বর্তমানে ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দপ্তরের মূল দায়িত্ব কর ফাঁকি, অনিয়ম ও দুর্নীতি উদঘাটন করা। ফলে একজন বিতর্কিত কর্মকর্তার হাতে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে পূনর্বাসন রহস্যজনক। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা জাকিরের মত দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি দায়িত্বে থাকলে রাষ্ট্র এই খাতের বৃহৎ আয় হারাবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞগণ।

সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন ও দাবি:

সুশীল সমাজ ও অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বৈরাচার আমলের দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তাকে পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের বিশ্বাস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের মতে, অবিলম্বে দুদকের মাধ্যমে তার সম্পদ, কর ফাঁকি এবং ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট সব দূর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকারি কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের সাহস না পায়।

দ্বিতীয় পর্বে থাকছে বিস্তারিত…

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন

আপডেট সময় : ১২:৩৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি, অনিয়ম ও রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাটের অভিযোগে আলোচিত কাস্টমস কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একাধিক অভিযোগ জমা পড়লেও আজ পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগ নিষ্পত্তি না করেই তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পদে দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনা প্রশাসনিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

বর্তমানে তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আওতাধীন ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কর ফাঁকি উদঘাটন ও দুর্নীতি দমনের দায়িত্বে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের নেতৃত্বে এমন একজন কর্মকর্তার অবস্থান করদাতা ও সংশ্লিষ্ট মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।

স্বৈরাচার আমলের ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প ও দুর্নীতির অভিযোগ

বিগত শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে নেওয়া ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা কাস্টমস কমিশনার মুহাম্মদ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠে আসে। সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী সততা, নিরপেক্ষতা ও স্বার্থের সংঘাত এড়িয়ে চলা বাধ্যতামূলক হলেও অভিযোগ অনুযায়ী তিনি এসব বিধি বারবার লঙ্ঘন করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, তার শ্যালকের নামে বাজারমূল্যের তুলনায় প্রায় তিন গুণ দামে এসি ক্রয় দেখানো হয়, যা সরকারি ক্রয় বিধিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। একই সঙ্গে Dhrupadi Techno Consortium Ltd. নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকার কাজ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তা নিজের বা আত্মীয়স্বজনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিকভাবে জড়িত থাকতে পারেন না, যা স্পষ্ট স্বার্থের সংঘাতের উদাহরণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিদেশ ভ্রমণ, সম্পদ ও কর ফাঁকি

বিগত দিনে সরকারি সফরের নামে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ দেখিয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তার ও তার পরিবারের সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, লুটপাট ও দুর্নীতির মাধ্যমে জাকির হোসেন তার স্ত্রীর নামে ফ্ল্যাট প্লট, একাধিক বন্ড প্রতিষ্ঠানের মালিকানা রয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানকে অডিটে অন্তর্ভুক্ত করে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে, যা রাজস্ব কর্মকর্তাদের আচরণবিধি ও দুর্নীতি দমন আইনের পরিপন্থী। রয়েছে দেশের অবিজত ক্লাবে প্রায় অর্ধ-লক্ষ টাকা খরচ করে সদস্যপদ হওয়ার মত গুরুতর অভিযোগ।

যশোর কাস্টমস কমিশনার থাকাকালে তার স্ত্রী সোনা চোরাচালানে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে এবং ঢাকার বিমানবন্দরে সোনাসহ আটক হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ২০২২ সালে ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে বনানী ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ করলেও সেই অর্থ কর ফাইলে প্রদর্শন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। মাসিক চাঁদার অর্থও আয়কর বিবরণীতে না দেখানো কর আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের পাহাড়, কিন্তু নেই দৃশ্যমান ব্যবস্থা:

এই সব অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে একাধিক লিখিত অভিযোগ দাখিল হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কার্যকর তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নজির নেই। বরং অভিযোগকারীদের মতে, স্বৈরাচার সরকারের সময় গড়ে ওঠা প্রভাবশালী নেটওয়ার্কের কারণে তিনি দায়মুক্তি পেয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এতসব অভিযোগ নিষ্পত্তি না করেই তাকে বর্তমানে ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দপ্তরের মূল দায়িত্ব কর ফাঁকি, অনিয়ম ও দুর্নীতি উদঘাটন করা। ফলে একজন বিতর্কিত কর্মকর্তার হাতে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে পূনর্বাসন রহস্যজনক। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা জাকিরের মত দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি দায়িত্বে থাকলে রাষ্ট্র এই খাতের বৃহৎ আয় হারাবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞগণ।

সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন ও দাবি:

সুশীল সমাজ ও অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বৈরাচার আমলের দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তাকে পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের বিশ্বাস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের মতে, অবিলম্বে দুদকের মাধ্যমে তার সম্পদ, কর ফাঁকি এবং ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট সব দূর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকারি কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের সাহস না পায়।

দ্বিতীয় পর্বে থাকছে বিস্তারিত…