ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




আ.লীগে যোগ দিলেন কেসিসির ১২ কাউন্সিলর, আটজন বিএনপি নেতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ ১০ বার পড়া হয়েছে

খুলনা ব্যুরো | খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ১২ জন কাউন্সিলর আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মহানগরের হাদিস পার্কে আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল ও সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের হাতে ফুল দিয়ে তারা আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ায় কাউন্সিলরদের মধ্যে আটজন জন সাবেক ও বর্তমান বিএনপি নেতা, বাকী চারজন স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া কাউন্সিলরা হলেন- কেসিসির ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, ৬ নং ওয়ার্ডের শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, ৭ নং ওয়ার্ডের সুলতান মাহমুদ পিন্টু, ৮ নং ওয়ার্ডের এইচ এম ডালিম, ১২ নং ওয়ার্ডের মনিরুজ্জামান মনির, ১৬ নং ওয়ার্ডেরআনিসুর রহমান বিশ্বাস, ১৭ নং ওয়ার্ডে শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, ২০ নং ওয়ার্ডের শেখ গাউসুল আজম।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে শেখ হাফিজুর রহমান, আনিসুর রহমান বিশ্বাসকে আগেই বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো। শেখ গাউসুল আজম নিজে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেও পরে বিএনপির মনোনয়ন নিয়েই কাউন্সিলর পদে জয় পান। বাকীরা মহানগর ও থানা বিএনপির বিভিন্ন পদে রয়েছেন।
এছাড়া স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করে জয় পাওয়া চার কাউন্সিলর হলেন কেসিসির ২৩ নং ওয়ার্ডের ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, ২৬ নং ওয়ার্ডের গোলাম মওলা শানু, ৩১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ আরিফুল ইসলাম মিঠু এবং সংরক্ষিত ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনিরা আকতার। এছাড়া ১১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শেখ ইউনুস সরদারও আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, কেসিসির ৩১টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিগত নির্বাচনে নয় বিএনপি নেতা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে থেকে তিনজন ছাড়া বাকী ছয়জন আওয়ামী লীগে যোগ দিলেন।

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ভোট জালিয়াতির নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র ও সংসদ সদস্যরা তাদের দলকে শক্তিশালী করতে অসৎ প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছেন। এটা নিয়ে জনগণের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। বিএনপিতেও নেই। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

আ.লীগে যোগ দিলেন কেসিসির ১২ কাউন্সিলর, আটজন বিএনপি নেতা

আপডেট সময় : ১০:২০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯

খুলনা ব্যুরো | খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ১২ জন কাউন্সিলর আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মহানগরের হাদিস পার্কে আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল ও সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের হাতে ফুল দিয়ে তারা আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ায় কাউন্সিলরদের মধ্যে আটজন জন সাবেক ও বর্তমান বিএনপি নেতা, বাকী চারজন স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া কাউন্সিলরা হলেন- কেসিসির ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, ৬ নং ওয়ার্ডের শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, ৭ নং ওয়ার্ডের সুলতান মাহমুদ পিন্টু, ৮ নং ওয়ার্ডের এইচ এম ডালিম, ১২ নং ওয়ার্ডের মনিরুজ্জামান মনির, ১৬ নং ওয়ার্ডেরআনিসুর রহমান বিশ্বাস, ১৭ নং ওয়ার্ডে শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, ২০ নং ওয়ার্ডের শেখ গাউসুল আজম।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে শেখ হাফিজুর রহমান, আনিসুর রহমান বিশ্বাসকে আগেই বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো। শেখ গাউসুল আজম নিজে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেও পরে বিএনপির মনোনয়ন নিয়েই কাউন্সিলর পদে জয় পান। বাকীরা মহানগর ও থানা বিএনপির বিভিন্ন পদে রয়েছেন।
এছাড়া স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করে জয় পাওয়া চার কাউন্সিলর হলেন কেসিসির ২৩ নং ওয়ার্ডের ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, ২৬ নং ওয়ার্ডের গোলাম মওলা শানু, ৩১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ আরিফুল ইসলাম মিঠু এবং সংরক্ষিত ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনিরা আকতার। এছাড়া ১১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শেখ ইউনুস সরদারও আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, কেসিসির ৩১টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিগত নির্বাচনে নয় বিএনপি নেতা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে থেকে তিনজন ছাড়া বাকী ছয়জন আওয়ামী লীগে যোগ দিলেন।

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ভোট জালিয়াতির নির্বাচনে বিজয়ী মেয়র ও সংসদ সদস্যরা তাদের দলকে শক্তিশালী করতে অসৎ প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছেন। এটা নিয়ে জনগণের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। বিএনপিতেও নেই। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।