ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




দাউদ ইব্রাহিমকে হত্যার ছক, পাকিস্তানে খুন সহচর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯ ২০ বার পড়া হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মুম্বাই হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী তথা অন্ধকার জগতের বাদশা দাউদ ইব্রাহিমের অন্যতম সহচর ফারুক দেবডিওয়ালাকে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যমে এমন খবর এসেছে।

এই দেবডিওয়ালাকে গত বছর দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হলেও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয় ভারত। মনে করা হচ্ছে দাউদের একসময়ের সহচর ছোটা শাকিলের নির্দেশেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

ভারতের মাটিতে একাধিক অভিযোগ ছিল ফারুকের বিরুদ্ধে। ভারতে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সংগঠনে লোক নিয়োগ করারও অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।

২০১৮ সালের জুলাই মাসে একাধিক জাল নথিপত্র ও পাক পাসপোর্টের সহায়তায় পাকিস্তানে যান ফারুক।

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে খবরে বলা হয়েছে, সূত্রের খবর, দাউদের অন্যতম সহচর ছোটা শাকিল চরের মাধ্যমে খবর পায় ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রেখেছিলেন ফারুক এবং দাউদকে হত্যার চক্রান্ত করছিলেন।

মনে করা হচ্ছে, পরে গোটা বিষয়টির স্পষ্ট ভাবে জানার পর ‘ডি গ্যাং’ ঠিক করে ফেলে ফারুকের ওপর আর বিশ্বাস নয়; যার জেরেই ফারুককে হত্যা করা হয়।

তবে এ বিষয়ে মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফ থেকে পরিষ্কার করে কিছু জানানো হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




দাউদ ইব্রাহিমকে হত্যার ছক, পাকিস্তানে খুন সহচর

আপডেট সময় : ১১:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মুম্বাই হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী তথা অন্ধকার জগতের বাদশা দাউদ ইব্রাহিমের অন্যতম সহচর ফারুক দেবডিওয়ালাকে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যমে এমন খবর এসেছে।

এই দেবডিওয়ালাকে গত বছর দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হলেও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয় ভারত। মনে করা হচ্ছে দাউদের একসময়ের সহচর ছোটা শাকিলের নির্দেশেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

ভারতের মাটিতে একাধিক অভিযোগ ছিল ফারুকের বিরুদ্ধে। ভারতে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সংগঠনে লোক নিয়োগ করারও অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।

২০১৮ সালের জুলাই মাসে একাধিক জাল নথিপত্র ও পাক পাসপোর্টের সহায়তায় পাকিস্তানে যান ফারুক।

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে খবরে বলা হয়েছে, সূত্রের খবর, দাউদের অন্যতম সহচর ছোটা শাকিল চরের মাধ্যমে খবর পায় ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রেখেছিলেন ফারুক এবং দাউদকে হত্যার চক্রান্ত করছিলেন।

মনে করা হচ্ছে, পরে গোটা বিষয়টির স্পষ্ট ভাবে জানার পর ‘ডি গ্যাং’ ঠিক করে ফেলে ফারুকের ওপর আর বিশ্বাস নয়; যার জেরেই ফারুককে হত্যা করা হয়।

তবে এ বিষয়ে মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফ থেকে পরিষ্কার করে কিছু জানানো হয়নি।