ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

মজলুম জননেতার ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী আজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ ২৭২ বার পড়া হয়েছে

 

আজ ১২ ডিসেম্বর, আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী। ১৮৮০ সালের এই দিনে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তারা বাবার নাম হাজী শরাফত আলী ও মায়ের নাম মজিরন বিবি।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী মক্তব হতে শিক্ষা গ্রহণ করে কিছুদিন মক্তবেই শিক্ষকতা করেন। ১৮৯৭ সালে পীর সৈয়দ নাসিরুদ্দীনের সঙ্গে আসাম যান। এরপর ইসালামিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯০৭ সালে দেওবন্দ যান তিনি। দুই বছর সেখানে পড়াশুনার পর আসামে ফিরে আসেন। ১৯১৭ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ময়মনসিংহ সফরে আসলে তার ভাষণ শুনে ভাসানী অনুপ্রাণিত হন। ১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন এবং খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেয়ায় দশ মাস কারাভোগ করেন। ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন স্বরাজ্য পার্টি গঠন করলে ভাসানী সেই দল সংগঠিত করার ব্যাপারে ভূমিকা রাখেন।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯২৬ সালে আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটান। ১৯২৯-এ আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসান চরে প্রথম কৃষক সম্মেলন করেন। এখান থেকে তার নাম রাখা হয় ‘ভাসানীর মাওলানা’। এরপর থেকে তার নামের শেষে ভাসানী শব্দ যুক্ত হয়।

১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এদিকে মজলুম জননেতার ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এরমধ্যে রয়েছে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সকাল সোয়া ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মমরহুমেরর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মজলুম জননেতার ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

 

আজ ১২ ডিসেম্বর, আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী। ১৮৮০ সালের এই দিনে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তারা বাবার নাম হাজী শরাফত আলী ও মায়ের নাম মজিরন বিবি।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী মক্তব হতে শিক্ষা গ্রহণ করে কিছুদিন মক্তবেই শিক্ষকতা করেন। ১৮৯৭ সালে পীর সৈয়দ নাসিরুদ্দীনের সঙ্গে আসাম যান। এরপর ইসালামিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯০৭ সালে দেওবন্দ যান তিনি। দুই বছর সেখানে পড়াশুনার পর আসামে ফিরে আসেন। ১৯১৭ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ময়মনসিংহ সফরে আসলে তার ভাষণ শুনে ভাসানী অনুপ্রাণিত হন। ১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন এবং খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নেয়ায় দশ মাস কারাভোগ করেন। ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন স্বরাজ্য পার্টি গঠন করলে ভাসানী সেই দল সংগঠিত করার ব্যাপারে ভূমিকা রাখেন।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯২৬ সালে আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটান। ১৯২৯-এ আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসান চরে প্রথম কৃষক সম্মেলন করেন। এখান থেকে তার নাম রাখা হয় ‘ভাসানীর মাওলানা’। এরপর থেকে তার নামের শেষে ভাসানী শব্দ যুক্ত হয়।

১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এদিকে মজলুম জননেতার ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এরমধ্যে রয়েছে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সকাল সোয়া ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মমরহুমেরর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।