ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণে নারীপক্ষের শ্রদ্ধা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৮ ৩৫২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘আলোর স্মরণে কাটুক আঁধার’ স্লোগান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণ করেছে নারীপক্ষ নামে একটি সংগঠন। শনিবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ আয়োজন করা হয়।

১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসের প্রাক্কালে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণে বিভিন্ন প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে নারীপক্ষ নিয়মিতভাবে ‘আলোর স্মরণে কাটুক আঁধার’ নামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। অনুষ্ঠানের এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানবিক রাষ্ট্র চাই’।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণ করে মোমবাতি জ্বালিয়ে দেশকে একটি মানবিক রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

‘আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে’ গানের সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণে উপস্থিত সবাই একটি করে আলোর শিখা জ্বালিয়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন নারীপক্ষর সদস্য রেহানা সামদানী। গান পরিবেশন করেন সুরতীর্থ ও জাহিদ মামুন। কবিতা আবৃত্তি করেন হুর-এ জান্নাত ও ইকবাল আহমেদ। স্মৃতিচারণ করেন বীরাঙ্গণা আনোয়ারা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা এটিএম ফজলুর রহমান ও কাজী নুরুল করিম দিলু।

কাজী নুরুল করিম দিলু বলেন, মানবিক রাষ্ট্রের চেতনা নিয়েই তারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে আজ ৪৭ বছর পর আবারও আমরা মানবিক রাষ্ট্রের জন্য দাবি তুলছি। কারণ আমাদের সেই মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়নি। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন ‘তোমরাই এই মানবিক রাষ্ট্র ছিনিয়ে আনবে’।

নারীপক্ষর সদস্য কামরুন নাহারের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণে নারীপক্ষের শ্রদ্ধা

আপডেট সময় : ১০:৫৫:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ‘আলোর স্মরণে কাটুক আঁধার’ স্লোগান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণ করেছে নারীপক্ষ নামে একটি সংগঠন। শনিবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ আয়োজন করা হয়।

১৯৮৮ সাল থেকে প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসের প্রাক্কালে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণে বিভিন্ন প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে নারীপক্ষ নিয়মিতভাবে ‘আলোর স্মরণে কাটুক আঁধার’ নামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। অনুষ্ঠানের এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানবিক রাষ্ট্র চাই’।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণ করে মোমবাতি জ্বালিয়ে দেশকে একটি মানবিক রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

‘আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে’ গানের সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মরণে উপস্থিত সবাই একটি করে আলোর শিখা জ্বালিয়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন নারীপক্ষর সদস্য রেহানা সামদানী। গান পরিবেশন করেন সুরতীর্থ ও জাহিদ মামুন। কবিতা আবৃত্তি করেন হুর-এ জান্নাত ও ইকবাল আহমেদ। স্মৃতিচারণ করেন বীরাঙ্গণা আনোয়ারা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা এটিএম ফজলুর রহমান ও কাজী নুরুল করিম দিলু।

কাজী নুরুল করিম দিলু বলেন, মানবিক রাষ্ট্রের চেতনা নিয়েই তারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে আজ ৪৭ বছর পর আবারও আমরা মানবিক রাষ্ট্রের জন্য দাবি তুলছি। কারণ আমাদের সেই মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়নি। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন ‘তোমরাই এই মানবিক রাষ্ট্র ছিনিয়ে আনবে’।

নারীপক্ষর সদস্য কামরুন নাহারের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।