ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়ন প্রকল্পের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার পাশাপাশি সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার (২৯ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেশিরভাগ প্রকল্পে ঠিকাদার, প্রকৌশলী এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার একটি অনৈতিক চর্চা দেখা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণকে ককরোচ (তেলাপোকা) বলে গালি দিতে পারেন, কিন্তু তাদেরকে বোকা মনে করার কোনো কারণ নেই। জনগণ সব বুঝে।’

প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের শতভাগ আন্তরিক হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘চলমান প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে দু’টি বিষয় মাথায় রাখতে হবেÑ প্রথমত, সর্বোচ্চ উপযোগিতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্ট যুক্ত করা; দ্বিতীয়ত, বাকি কাজটুকুকে সময়সীমার মধ্যে ভাগ করে ফেলা। জাতীয় অর্থের অপচয় রোধ করে প্রকল্পের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে হবে।’

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রকল্পগুলোর গতিশীলতা বাড়াতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড তৈরির প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, ‘সকল প্রকল্পের অগ্রগতি যেন আমরা রিয়েল টাইমে দেখতে পাই, সেজন্য একটি ড্যাশবোর্ড করা যেতে পারে। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর নতুন কাজের জন্য অপেক্ষা না করে সমান্তরালভাবে সব কাজ এগিয়ে নিতে হবে। যাতে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর কোনো সম্পদ বা অবকাঠামো অব্যবহৃত পড়ে না থাকে। মান বজায় রেখে সঠিক সময়ে ও নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘জনগণ এখন একটি গণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে দ্রুত ও কার্যকরি সেবা প্রত্যাশা করে। প্রধানমন্ত্রী ১৮০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। তাই কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একটা বড় প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নকশা এমনভাবে করা উচিত, যাতে এর বহুমাত্রিক সুফল একই সাথে পাওয়া যায়।’

সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পগুলোর ব্যয় ও উপযোগিতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ্ আলমসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, প্রকল্প পরিচালক এবং পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

উন্নয়ন প্রকল্পের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার পাশাপাশি সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার (২৯ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেশিরভাগ প্রকল্পে ঠিকাদার, প্রকৌশলী এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার একটি অনৈতিক চর্চা দেখা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণকে ককরোচ (তেলাপোকা) বলে গালি দিতে পারেন, কিন্তু তাদেরকে বোকা মনে করার কোনো কারণ নেই। জনগণ সব বুঝে।’

প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের শতভাগ আন্তরিক হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘চলমান প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে দু’টি বিষয় মাথায় রাখতে হবেÑ প্রথমত, সর্বোচ্চ উপযোগিতা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্ট যুক্ত করা; দ্বিতীয়ত, বাকি কাজটুকুকে সময়সীমার মধ্যে ভাগ করে ফেলা। জাতীয় অর্থের অপচয় রোধ করে প্রকল্পের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে হবে।’

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রকল্পগুলোর গতিশীলতা বাড়াতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড তৈরির প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, ‘সকল প্রকল্পের অগ্রগতি যেন আমরা রিয়েল টাইমে দেখতে পাই, সেজন্য একটি ড্যাশবোর্ড করা যেতে পারে। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর নতুন কাজের জন্য অপেক্ষা না করে সমান্তরালভাবে সব কাজ এগিয়ে নিতে হবে। যাতে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর কোনো সম্পদ বা অবকাঠামো অব্যবহৃত পড়ে না থাকে। মান বজায় রেখে সঠিক সময়ে ও নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘জনগণ এখন একটি গণতান্ত্রিক সরকারের কাছ থেকে দ্রুত ও কার্যকরি সেবা প্রত্যাশা করে। প্রধানমন্ত্রী ১৮০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। তাই কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একটা বড় প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নকশা এমনভাবে করা উচিত, যাতে এর বহুমাত্রিক সুফল একই সাথে পাওয়া যায়।’

সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পগুলোর ব্যয় ও উপযোগিতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ্ আলমসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, প্রকল্প পরিচালক এবং পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।