ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

এবার আলোচনায় আওয়ামী লীগের থানা ওয়ার্ড কমিটিতে পদ বাণিজ্যে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪ ৩৮২ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ, ঢাকা; অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর অবশেষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের থানা ও ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত কমিটি কেন্দ্রে জমা পড়েছে।

মহানগরের শীর্ষ চার নেতা চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে কমিটিগুলো তালিকা জমা দেন।
এরপর থেকে পদপ্রত্যাশীরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ কেন্দ্রে চিঠি দিয়েও অভিযোগ করেছেন।

চিঠিতে তারা অর্থের বিনিময়ে ‘পদবাণিজ্যে’র অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ,পরিবার ও নিকট আত্মীয় সম্পর্কের কারণে এবং অন্যরা ‘বিপুল’ অর্থ বিনিয়োগ করে পদ পেয়েছেন।
আবার বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েও মহানগর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় অনেকে পদ পাননি।
এ নিয়ে বাদ পড়া ও ত্যাগী নেতারা থানা-ওয়ার্ডে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে মহানগরের শীর্ষ নেতারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কমিটি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত থানা-ওয়ার্ড কমিটি
যথাযথভাবে দিয়েছেন। বাকি সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের।

কমিটির সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সাবেক ছাত্রদল নেতা হাসান মাহমুদকে। তিনি একসময় ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল সোহেলের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ও মামলা রয়েছে,২০১৯সালের ৩০ডিসেম্বর ফেনসিডিল সহ গ্রেফতার হয়েছিলেন এই নেতা।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত শাহজালাল সোহেল কখনও দলের কোনো কমিটি বা পদে ছিলেন না। ২০০১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত প্রবাসে থাকা সোহেল দেশে ফিরে রাজনীতিতে যুক্ত হন। অভিযোগ রয়েছে, ক্যাসিনোকাণ্ডেও তিনি যুক্ত ছিলেন। মাদক মামলার আসামিও তিনি।

প্রস্তাবিত কমিটি প্রসঙ্গে ২০ নং ওয়ার্ড সভাপতি মোনোয়ার হোসেন মনু বলেন, ‘শাহবাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকার কমিটিতে শীর্ষ নেতা হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে বিএনপির আলোচিত নেতা চৌধুরী আলমের সহযোগী যুবদল নেতা হাসান মাহমুদ ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শাহজালাল সোহেলের নাম।

সবার প্রশ্ন, ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে এমন বিতর্কিতদের নাম কেন প্রস্তাব করা হয়েছে? এদের মতো লোককে নেতা বানালে শুধু আমি কেন, দুঃসময়ে সক্রিয় ছিলেন এমন অনেকেই রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।

বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে।’ কমিটি নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে দলীয় সভাপতির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তৃণমূলের এই প্রবীণ নেতা।

অর্থের বিনিময়ে কমিটিতে নাম দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বলেন, একটা ওয়ার্ডের মধ্যে ১০-২০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে দুটি লোককে বাছাই করা তো কঠিন কাজ। তার মধ্যে যারা মাঠে ছিলেন, তুলনামূলকভাবে জনপ্রিয় ও ত্যাগী- তাদের নাম কমিটিতে প্রস্তাব করা হয়েছে। তারপরও ভুলত্রুটি হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতারা যাছাই করে যেটা করবেন তাতে আমাদের আপত্তি নেই।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

এবার আলোচনায় আওয়ামী লীগের থানা ওয়ার্ড কমিটিতে পদ বাণিজ্যে!

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

সকালের সংবাদ, ঢাকা; অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর অবশেষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের থানা ও ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত কমিটি কেন্দ্রে জমা পড়েছে।

মহানগরের শীর্ষ চার নেতা চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে কমিটিগুলো তালিকা জমা দেন।
এরপর থেকে পদপ্রত্যাশীরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ কেন্দ্রে চিঠি দিয়েও অভিযোগ করেছেন।

চিঠিতে তারা অর্থের বিনিময়ে ‘পদবাণিজ্যে’র অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ,পরিবার ও নিকট আত্মীয় সম্পর্কের কারণে এবং অন্যরা ‘বিপুল’ অর্থ বিনিয়োগ করে পদ পেয়েছেন।
আবার বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েও মহানগর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় অনেকে পদ পাননি।
এ নিয়ে বাদ পড়া ও ত্যাগী নেতারা থানা-ওয়ার্ডে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে মহানগরের শীর্ষ নেতারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কমিটি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত থানা-ওয়ার্ড কমিটি
যথাযথভাবে দিয়েছেন। বাকি সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের।

কমিটির সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সাবেক ছাত্রদল নেতা হাসান মাহমুদকে। তিনি একসময় ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল সোহেলের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ ও মামলা রয়েছে,২০১৯সালের ৩০ডিসেম্বর ফেনসিডিল সহ গ্রেফতার হয়েছিলেন এই নেতা।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত শাহজালাল সোহেল কখনও দলের কোনো কমিটি বা পদে ছিলেন না। ২০০১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত প্রবাসে থাকা সোহেল দেশে ফিরে রাজনীতিতে যুক্ত হন। অভিযোগ রয়েছে, ক্যাসিনোকাণ্ডেও তিনি যুক্ত ছিলেন। মাদক মামলার আসামিও তিনি।

প্রস্তাবিত কমিটি প্রসঙ্গে ২০ নং ওয়ার্ড সভাপতি মোনোয়ার হোসেন মনু বলেন, ‘শাহবাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকার কমিটিতে শীর্ষ নেতা হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে বিএনপির আলোচিত নেতা চৌধুরী আলমের সহযোগী যুবদল নেতা হাসান মাহমুদ ও এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শাহজালাল সোহেলের নাম।

সবার প্রশ্ন, ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে এমন বিতর্কিতদের নাম কেন প্রস্তাব করা হয়েছে? এদের মতো লোককে নেতা বানালে শুধু আমি কেন, দুঃসময়ে সক্রিয় ছিলেন এমন অনেকেই রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।

বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে।’ কমিটি নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে দলীয় সভাপতির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তৃণমূলের এই প্রবীণ নেতা।

অর্থের বিনিময়ে কমিটিতে নাম দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বলেন, একটা ওয়ার্ডের মধ্যে ১০-২০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে দুটি লোককে বাছাই করা তো কঠিন কাজ। তার মধ্যে যারা মাঠে ছিলেন, তুলনামূলকভাবে জনপ্রিয় ও ত্যাগী- তাদের নাম কমিটিতে প্রস্তাব করা হয়েছে। তারপরও ভুলত্রুটি হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতারা যাছাই করে যেটা করবেন তাতে আমাদের আপত্তি নেই।

Loading