ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

মানুষের মত টিকটকে ষাঁড়ের লাখ লাখ ফলোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ ২৭০০ বার পড়া হয়েছে

 

টিকটকে ফলোয়ারের সংখ্যা ৬২ হাজার, ইউটিউব চ্যানেলের ৯০ হাজারের বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। ফেসবুকেও লাখ লাখ মানুষ ফলো করেন। কোনো সেলেব্রিটি নয় এ হচ্ছে একটি ষাঁড়। যার নাম অ্যাস্টন। কিন্তু ষাঁড় হওয়া সত্ত্বেও অ্যাস্টন ঘোড়ার মতো আচরণ করে। এফএমটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাস্টন ফ্রান্সের উত্তরে একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করে। ওজন প্রায় দেড় টন। অ্যাস্টন সাবিন রোস নামে একজন ঘোড়সওয়ারের অধীনে বেড়ে ওঠে। হয়তো এ কারণেই অ্যাস্টন ষাঁড়ের বদলে ঘোড়ার মতো আচরণ করে সে।

অ্যাস্টনের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার সাবিনের স্বামী ইয়ানিক ক্রিস্টোফার। তিনি অ্যাস্টনের নামে খোলা অ্যাকাউন্টগুলো চালান। প্রায় ৯ বছর আগে সাবিনের একটি পোষা ঘোড়া মারা যায়। সেই ঘোড়াটি ২০ বছর ধরে তার সঙ্গী ছিল।

তারপর সে বন্য হয়ে ঘোড়া খুঁজতে লাগল। পছন্দের ঘোড়া না পেয়ে তিনি গরু পালনের সিদ্ধান্ত নেন। পাশের গ্রামের খামারে একটি গর্ভবতী গাভী দেখতে পান তিনি। তিনি ওই গাভীর বাছুরটি কেনার কথা ভাবলেন। পরে এক বছর বয়স হলে তিনি বাছুরসহ গরুটিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

তিনি বাছুরকে লালন-পালন ও প্রশিক্ষণ দিতে থাকেন। সাবিনের কাজ যারা ঘোড়সওয়ার হতে চায় তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। বাছুরটিকে বাড়িতে আনার পর ঘোড়ার মতো প্রশিক্ষণ দেন। প্রাণীটির নাম দিয়েছেন অ্যাস্টন।

অ্যাস্টন ধীরে ধীরে বড় ষাঁড়ে পরিণত হয়। এদিকে, ঘোড়ার প্রশিক্ষণের কয়েক বছর পরে অ্যাস্টন অবিকল ঘড়ার মতো আচরণ করতে শুরু করে। প্রাণীটি ঘোড়ার মতো লাফাতে ও দৌড়াতে পারে। এছাড়াও অন্যান্য ঘোড়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। সাবিনও অন্যান্য ঘোড়সওয়ারদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য অ্যাস্টনের পিঠে চড়ে।

এক সময় স্থানীয় মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে অ্যাস্টন। ষাঁড়টি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন বহু মানুষ। সাবিনের স্বামী অ্যাস্টনের নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় অ্যাস্টন এখন দেশ-বিদেশের সেলিব্রেটি।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মানুষের মত টিকটকে ষাঁড়ের লাখ লাখ ফলোয়ার

আপডেট সময় : ১২:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩

 

টিকটকে ফলোয়ারের সংখ্যা ৬২ হাজার, ইউটিউব চ্যানেলের ৯০ হাজারের বেশি সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। ফেসবুকেও লাখ লাখ মানুষ ফলো করেন। কোনো সেলেব্রিটি নয় এ হচ্ছে একটি ষাঁড়। যার নাম অ্যাস্টন। কিন্তু ষাঁড় হওয়া সত্ত্বেও অ্যাস্টন ঘোড়ার মতো আচরণ করে। এফএমটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাস্টন ফ্রান্সের উত্তরে একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করে। ওজন প্রায় দেড় টন। অ্যাস্টন সাবিন রোস নামে একজন ঘোড়সওয়ারের অধীনে বেড়ে ওঠে। হয়তো এ কারণেই অ্যাস্টন ষাঁড়ের বদলে ঘোড়ার মতো আচরণ করে সে।

অ্যাস্টনের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার সাবিনের স্বামী ইয়ানিক ক্রিস্টোফার। তিনি অ্যাস্টনের নামে খোলা অ্যাকাউন্টগুলো চালান। প্রায় ৯ বছর আগে সাবিনের একটি পোষা ঘোড়া মারা যায়। সেই ঘোড়াটি ২০ বছর ধরে তার সঙ্গী ছিল।

তারপর সে বন্য হয়ে ঘোড়া খুঁজতে লাগল। পছন্দের ঘোড়া না পেয়ে তিনি গরু পালনের সিদ্ধান্ত নেন। পাশের গ্রামের খামারে একটি গর্ভবতী গাভী দেখতে পান তিনি। তিনি ওই গাভীর বাছুরটি কেনার কথা ভাবলেন। পরে এক বছর বয়স হলে তিনি বাছুরসহ গরুটিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

তিনি বাছুরকে লালন-পালন ও প্রশিক্ষণ দিতে থাকেন। সাবিনের কাজ যারা ঘোড়সওয়ার হতে চায় তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। বাছুরটিকে বাড়িতে আনার পর ঘোড়ার মতো প্রশিক্ষণ দেন। প্রাণীটির নাম দিয়েছেন অ্যাস্টন।

অ্যাস্টন ধীরে ধীরে বড় ষাঁড়ে পরিণত হয়। এদিকে, ঘোড়ার প্রশিক্ষণের কয়েক বছর পরে অ্যাস্টন অবিকল ঘড়ার মতো আচরণ করতে শুরু করে। প্রাণীটি ঘোড়ার মতো লাফাতে ও দৌড়াতে পারে। এছাড়াও অন্যান্য ঘোড়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। সাবিনও অন্যান্য ঘোড়সওয়ারদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য অ্যাস্টনের পিঠে চড়ে।

এক সময় স্থানীয় মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে অ্যাস্টন। ষাঁড়টি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন বহু মানুষ। সাবিনের স্বামী অ্যাস্টনের নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় অ্যাস্টন এখন দেশ-বিদেশের সেলিব্রেটি।