ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ছাত্রলীগ সম্পাদকের নেতৃত্বে কাউন্সিলর প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২১ ২৭০ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি; মৌলভীবাজার পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আসাদ হোসেন মক্কু ও তার সমর্থকদেরকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের নেতৃত্বে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে শহরের মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ এলাকায় ওই কাউন্সিলর প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে দুই প্রার্থীর মিছিলকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে সেখান থেকে বিরোধী প্রার্থী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. পিন্টু আহমদ এবং তার অনুসারীরা অপর কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ হোসেনের উপস্থিতিতে তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালায়। হামলায় দুটি নির্বাচনী অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও তার ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ভাঙচুর করা হয়।

কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ হোসেন মক্কু বলেন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হামলা করে। প্রথমে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার মাথা লক্ষ্য করে হামলা চালালে তা প্রতিহত করেন এক সমর্থক আব্দুল বাছিত। দায়ের কোপে তার হাতের দুটি আঙ্গুল কেটে যায়। এ সময় তাদের আক্রমণে আরও চারজন গুরুতর আহত হয়। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিনুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ছাত্রলীগ সম্পাদকের নেতৃত্বে কাউন্সিলর প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:২৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২১

জেলা প্রতিনিধি; মৌলভীবাজার পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আসাদ হোসেন মক্কু ও তার সমর্থকদেরকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের নেতৃত্বে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে শহরের মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ এলাকায় ওই কাউন্সিলর প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে দুই প্রার্থীর মিছিলকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে সেখান থেকে বিরোধী প্রার্থী ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. পিন্টু আহমদ এবং তার অনুসারীরা অপর কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ হোসেনের উপস্থিতিতে তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালায়। হামলায় দুটি নির্বাচনী অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও তার ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ভাঙচুর করা হয়।

কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ হোসেন মক্কু বলেন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হামলা করে। প্রথমে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার মাথা লক্ষ্য করে হামলা চালালে তা প্রতিহত করেন এক সমর্থক আব্দুল বাছিত। দায়ের কোপে তার হাতের দুটি আঙ্গুল কেটে যায়। এ সময় তাদের আক্রমণে আরও চারজন গুরুতর আহত হয়। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিনুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।