ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের জোরালো আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত: প্রধানমন্ত্রী Logo জ্বালানি ও বিনিয়োগ সহযোগিতায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের Logo মাথাপিছু জিডিপিতে এ বছর ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ Logo মোটরসাইকেলের চেইন পরিষ্কার ও লুব করার সঠিক নিয়ম Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম পর্বের ৪০ খেলোয়াড় বিকেএসপিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণে ভর্তির সুযোগ Logo তেহরানে বৈঠকে বসছে মক্কা প্যাক্ট ও ইরান Logo নিত্যপণ্যের আমদানি বেড়েছে, রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা Logo লগি-বৈঠার আঘাতে নিহতদের স্মরণ করলেন বিরোধীদলীয় নেতা

সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকরাই স্বৈরাচারের পতনে ভূমিকা রেখেছেন : রিজভী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সত্যনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, গিয়াস কামাল চৌধুরী, আতাউস সামাদ ও ফয়েজ আহমেদের মতো সাংবাদিকেরা সত্যনিষ্ঠা, নীতিবোধ ও আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্বৈরাচার এরশাদের শাসনামলে দেশের মানুষ সংবাদ জানার জন্য বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার ওপর নির্ভর করতেন। তখন ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী এবং বিবিসির সাংবাদিক আতাউস সামাদের সংবাদ পরিবেশন মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের কণ্ঠে দেশের পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির খবর শুনতেন মানুষ।

তিনি বলেন, এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ওপর চাপ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটলেও গিয়াস কামাল চৌধুরী সাহসের সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন অব্যাহত রেখেছিলেন। এমনকি তিনি কোথা থেকে সংবাদ পাঠাচ্ছেন, সেটিও গোপন রাখতে হতো। এ ধরনের সাহসিকতা ও পেশাগত নিষ্ঠা তাকে মানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।

বিএনপির এই নেতা বলেন, সে সময়ের সাংবাদিকেরা ছিলেন নীতিবান, দৃঢ়চেতা ও আপসহীন। তাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হলেও অনেকেই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এই দৃষ্টান্ত বর্তমান সময়েও গুরুত্বপূর্ণ।

গিয়াস কামাল চৌধুরীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে রিজভী বলেন, ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়াস কামাল চৌধুরীর বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা এবং তরুণদের প্রতি তার স্নেহশীল আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছিল। তিনি ছিলেন অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্বের অধিকারী।

এ সময় গিয়াস কামাল চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন রুহুল কবির রিজভী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকরাই স্বৈরাচারের পতনে ভূমিকা রেখেছেন : রিজভী

আপডেট সময় : ০৫:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সত্যনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, গিয়াস কামাল চৌধুরী, আতাউস সামাদ ও ফয়েজ আহমেদের মতো সাংবাদিকেরা সত্যনিষ্ঠা, নীতিবোধ ও আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে সাংবাদিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্বৈরাচার এরশাদের শাসনামলে দেশের মানুষ সংবাদ জানার জন্য বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার ওপর নির্ভর করতেন। তখন ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী এবং বিবিসির সাংবাদিক আতাউস সামাদের সংবাদ পরিবেশন মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের কণ্ঠে দেশের পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক কর্মসূচির খবর শুনতেন মানুষ।

তিনি বলেন, এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের ওপর চাপ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটলেও গিয়াস কামাল চৌধুরী সাহসের সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন অব্যাহত রেখেছিলেন। এমনকি তিনি কোথা থেকে সংবাদ পাঠাচ্ছেন, সেটিও গোপন রাখতে হতো। এ ধরনের সাহসিকতা ও পেশাগত নিষ্ঠা তাকে মানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।

বিএনপির এই নেতা বলেন, সে সময়ের সাংবাদিকেরা ছিলেন নীতিবান, দৃঢ়চেতা ও আপসহীন। তাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হলেও অনেকেই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এই দৃষ্টান্ত বর্তমান সময়েও গুরুত্বপূর্ণ।

গিয়াস কামাল চৌধুরীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে রিজভী বলেন, ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়াস কামাল চৌধুরীর বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা এবং তরুণদের প্রতি তার স্নেহশীল আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছিল। তিনি ছিলেন অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্বের অধিকারী।

এ সময় গিয়াস কামাল চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন রুহুল কবির রিজভী।