ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ




মানবজমিন সম্পাদকসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলায় আসকের উদ্বেগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২০ ১০৮ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ সংবাদদাতা; 
মানবজমিনের সম্পাদকসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

আসক মনে করে, এ ধরনের মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে এবং সাংবাদিকেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে গ্রেফতার সংক্রান্ত ঘটনায় একটি সংবাদ প্রকাশের কারণে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আসক গভীর উদ্বেগ এবং মামলাটি দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আসক আরও জানায়, গত ৯ মার্চ রাতে মাগুরা-১ আসনের সরকার দলীয় এমপি সাইফুজ্জামান শিখর মানহানির অভিযোগ করে নিজে বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় এ মামলা করেন। ইতোমধ্যে গণমাধ্যমকে মানবজমিন সম্পাদক বলেছেন, তার পত্রিকার প্রতিবেদনে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। তাই কারও মানহানি হওয়ারও সুযোগ নেই। অন্যদিকে এ মামলা করার পর থেকে অন্যতম অভিযুক্ত আলোকচিত্রী সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে থানায় জিডি করেছে তার পরিবার। আসক কাজলকে দ্রুত খুঁজে বের করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

আসক মনে করে, এ ধরনের মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে এবং সাংবাদিকেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।

উল্লেখ্য, ডিজিটালনিরাপত্তা আইন নিয়ে শুরু থেকেই আসক উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। কেননা আইনটির বেশ কয়েকেটি ধারা জাতীয়ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে অসামঞ্জস্য এবং মানুষকে হয়রানির উদ্দেশ্যে সহজে ব্যবহার করা যায়। আইনটি অনুমোদনের পর থেকে বেশ কয়েকটি ঘটনায় এ আশংকা সত্য প্রমাণিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




মানবজমিন সম্পাদকসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলায় আসকের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১০:২২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২০

বিশেষ সংবাদদাতা; 
মানবজমিনের সম্পাদকসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

আসক মনে করে, এ ধরনের মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে এবং সাংবাদিকেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে গ্রেফতার সংক্রান্ত ঘটনায় একটি সংবাদ প্রকাশের কারণে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আসক গভীর উদ্বেগ এবং মামলাটি দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আসক আরও জানায়, গত ৯ মার্চ রাতে মাগুরা-১ আসনের সরকার দলীয় এমপি সাইফুজ্জামান শিখর মানহানির অভিযোগ করে নিজে বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় এ মামলা করেন। ইতোমধ্যে গণমাধ্যমকে মানবজমিন সম্পাদক বলেছেন, তার পত্রিকার প্রতিবেদনে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। তাই কারও মানহানি হওয়ারও সুযোগ নেই। অন্যদিকে এ মামলা করার পর থেকে অন্যতম অভিযুক্ত আলোকচিত্রী সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে থানায় জিডি করেছে তার পরিবার। আসক কাজলকে দ্রুত খুঁজে বের করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

আসক মনে করে, এ ধরনের মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে এবং সাংবাদিকেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।

উল্লেখ্য, ডিজিটালনিরাপত্তা আইন নিয়ে শুরু থেকেই আসক উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। কেননা আইনটির বেশ কয়েকেটি ধারা জাতীয়ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে অসামঞ্জস্য এবং মানুষকে হয়রানির উদ্দেশ্যে সহজে ব্যবহার করা যায়। আইনটি অনুমোদনের পর থেকে বেশ কয়েকটি ঘটনায় এ আশংকা সত্য প্রমাণিত হয়েছে।