ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo মোহনা টিভির ১৪ হাজার টাকার কর্মচারী শত কোটি টাকার মালিক: বর্তমানে ‘স্বঘোষিত’ সিইও তসলিম আওয়ামী এজেন্ট  Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা Logo থাইল্যান্ডের চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে সেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যাংককের বিএনএইচ হাসপাতালের Logo প্রধান প্রকৌশলীর বদলির আদেশ অমান্য, ঢাকাতেই বহাল ফ্যাসিস্টের দোসর উপসহকারী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন Logo কক্সবাজারের রাজাঘাট রেঞ্জে বন ধ্বংসের মহোৎসব, অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে উজাড়ের শঙ্কা Logo উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মাস্টাররোল কর্মচারীর সম্পদের পাহাড় Logo ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

লজ্জিত শামীম ওসমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০১৯ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;
সংসদে নিজের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সরকারি দলের সাংসদ শামীম ওসমান। আজ রোববার তিনি সংসদে বলেছেন, সন্ত্রাসীরা রাস্তা দখল করে চাঁদাবাজি করছে। এতে করে সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু এলাকার সাংসদ হিসেবে তিনি কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না। সে জন্য তিনি লজ্জিত।

‘নিজের আত্মাকে শান্তি দেওয়ার জন্য’ পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে অনির্ধারিত আলোচনায় শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।

সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, সরকার প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য কোয়ার্টার নির্মাণ করছে। প্রায় চার সাড়ে চার বছর আগে এর দরপত্র হয়েছে। বর্তমানের গণপূর্তমন্ত্রীর আগের মন্ত্রীর সময়ে ওখানে একটি খেলার মাঠ রাখার জন্য দাবি উঠেছিল। আমি সংসদে এবং সংসদের বাইরে মন্ত্রী মহোদয়কে খেলার মাঠটি রাখার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। মন্ত্রিসভা আমার অনুরোধ রেখেছেন এবং এই মাঠের জন্য ইতিমধ্যে ১২ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন।

শামীম ওসমান বলেন, শাজাহান খান নৌপরিবহন মন্ত্রী থাকার সময় ওখানে বিআইডব্লিউটিএ একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করে। কিন্তু একটি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গোষ্ঠী শত শত কোটি টাকা দিয়ে তৈরি করা সেই ওয়াকওয়ে ভেঙে ফেলেছে। তারা সেখানে মাল লোড-আনলোড করছে ও চাঁদা নিচ্ছে। টেন্ডার হয়ে যাওয়ার পরও সেখান প্রায় তিন বছর ধরে কিছু সন্ত্রাসীর জন্য ঠিকাদার প্রকল্পের কাজ করতে পারছে না।

শামীম ওসমান প্রশ্ন তুলে বলেন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হাত কতটা বড়? তাদের হাত কতটা বড়? ওখানে প্রতিদিন শ্রমিকের নামে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকার চাঁদাবাজি হয়। এসব চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। যে কোম্পানি কাজটি পেয়েছে তারা কাজ করতে পারছে না। জিডি করা হয়েছে। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় মামলা করেছে। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। এদের ক্ষমতার উৎস কোথায়? ওই এলাকার সাংসদ হিসেবে আমি কিছুই করতে পারছি না। সে জন্য আমি লজ্জিত। কথাটা আমি এই জন্য বললাম যে, নিজের আত্মাটাকে আমি শান্তি দিলাম।

স্পিকারের মাধ্যমে গণপূর্তমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি গণপূর্তমন্ত্রী এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে কাজ শুরু করার ব্যবস্থা করবেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

লজ্জিত শামীম ওসমান

আপডেট সময় : ০৮:৩০:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;
সংসদে নিজের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সরকারি দলের সাংসদ শামীম ওসমান। আজ রোববার তিনি সংসদে বলেছেন, সন্ত্রাসীরা রাস্তা দখল করে চাঁদাবাজি করছে। এতে করে সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু এলাকার সাংসদ হিসেবে তিনি কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না। সে জন্য তিনি লজ্জিত।

‘নিজের আত্মাকে শান্তি দেওয়ার জন্য’ পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে অনির্ধারিত আলোচনায় শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।

সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, সরকার প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য কোয়ার্টার নির্মাণ করছে। প্রায় চার সাড়ে চার বছর আগে এর দরপত্র হয়েছে। বর্তমানের গণপূর্তমন্ত্রীর আগের মন্ত্রীর সময়ে ওখানে একটি খেলার মাঠ রাখার জন্য দাবি উঠেছিল। আমি সংসদে এবং সংসদের বাইরে মন্ত্রী মহোদয়কে খেলার মাঠটি রাখার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। মন্ত্রিসভা আমার অনুরোধ রেখেছেন এবং এই মাঠের জন্য ইতিমধ্যে ১২ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন।

শামীম ওসমান বলেন, শাজাহান খান নৌপরিবহন মন্ত্রী থাকার সময় ওখানে বিআইডব্লিউটিএ একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করে। কিন্তু একটি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গোষ্ঠী শত শত কোটি টাকা দিয়ে তৈরি করা সেই ওয়াকওয়ে ভেঙে ফেলেছে। তারা সেখানে মাল লোড-আনলোড করছে ও চাঁদা নিচ্ছে। টেন্ডার হয়ে যাওয়ার পরও সেখান প্রায় তিন বছর ধরে কিছু সন্ত্রাসীর জন্য ঠিকাদার প্রকল্পের কাজ করতে পারছে না।

শামীম ওসমান প্রশ্ন তুলে বলেন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হাত কতটা বড়? তাদের হাত কতটা বড়? ওখানে প্রতিদিন শ্রমিকের নামে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকার চাঁদাবাজি হয়। এসব চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। যে কোম্পানি কাজটি পেয়েছে তারা কাজ করতে পারছে না। জিডি করা হয়েছে। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় মামলা করেছে। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। এদের ক্ষমতার উৎস কোথায়? ওই এলাকার সাংসদ হিসেবে আমি কিছুই করতে পারছি না। সে জন্য আমি লজ্জিত। কথাটা আমি এই জন্য বললাম যে, নিজের আত্মাটাকে আমি শান্তি দিলাম।

স্পিকারের মাধ্যমে গণপূর্তমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি গণপূর্তমন্ত্রী এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে কাজ শুরু করার ব্যবস্থা করবেন।’