ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে পাওনাদারকে পুড়িয়ে হত্যা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১ ২৭০ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি: গত ৮ মে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অজ্ঞাত পরিচয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ব্যবসায়ী আহসান হাবিব। এর আগের দিন তাকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকার একটি বাড়ি থেকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাভারের দোকান থেকে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাসা থেকে বের হন আহসান হাবিব। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পরে ঘটনা তদন্তে নেমে নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। হাবিবের পাওনা ২০ লাখ টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তার শরীরে আগুন দিয়ে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে রনি।

মঙ্গলবার দুপুরে মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর। সিআইডির হাতে গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে প্রধান আসামি নুরুন নবী ওরফে রনি, মো. হাসান আহমেদ, জাহিদ হোসেন ও রঞ্জু।

পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, সাভার থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৪ দিন পর আহসান হাবিব নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ শনাক্ত করে তার পরিবার। নিহত ব্যক্তি ৭ মে কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকার একটি বাসার নিচ তলায় অগ্নিদগ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায় পুলিশ। পরদিন অর্থাৎ ৮ তারিখ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহসান হাবিব মারা যান।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর আহসান হাবিবের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। এ ঘটনায় তার শ্যালক জাকারিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং জড়িত আসামির অবস্থান শনাক্ত করে। সোমবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে মামলার এক নম্বর আসামি মো. নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করা হয়। নুরুন নবীর সঙ্গে নিহত ব্যবসায়ী আহসান হাবিবের ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল। রনির কাছে ২০ লাখ টাকা পেতেন হাবিব। সেই বিরোধের জের ধরে রনি তার আরও তিন সহযোগী নিয়ে হাবিবকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাতের পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এই বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, যে বাসায় ব্যবসায়ী হাবিবের শরীরে আগুন দেওয়া হয় সেই বাসাটি ভুয়া পরিচয় দিয়ে ভাড়া নেয় রনি। ১ জুন এ বাসায় তার দুজন কর্মচারী থাকবে বলে বাড়ির মালিককে জানায় সে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে পাওনাদারকে পুড়িয়ে হত্যা!

আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি: গত ৮ মে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অজ্ঞাত পরিচয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ব্যবসায়ী আহসান হাবিব। এর আগের দিন তাকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকার একটি বাড়ি থেকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাভারের দোকান থেকে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাসা থেকে বের হন আহসান হাবিব। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পরে ঘটনা তদন্তে নেমে নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। হাবিবের পাওনা ২০ লাখ টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তার শরীরে আগুন দিয়ে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে রনি।

মঙ্গলবার দুপুরে মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর। সিআইডির হাতে গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে প্রধান আসামি নুরুন নবী ওরফে রনি, মো. হাসান আহমেদ, জাহিদ হোসেন ও রঞ্জু।

পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, সাভার থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৪ দিন পর আহসান হাবিব নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ শনাক্ত করে তার পরিবার। নিহত ব্যক্তি ৭ মে কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকার একটি বাসার নিচ তলায় অগ্নিদগ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায় পুলিশ। পরদিন অর্থাৎ ৮ তারিখ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহসান হাবিব মারা যান।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর আহসান হাবিবের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। এ ঘটনায় তার শ্যালক জাকারিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং জড়িত আসামির অবস্থান শনাক্ত করে। সোমবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে মামলার এক নম্বর আসামি মো. নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করা হয়। নুরুন নবীর সঙ্গে নিহত ব্যবসায়ী আহসান হাবিবের ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল। রনির কাছে ২০ লাখ টাকা পেতেন হাবিব। সেই বিরোধের জের ধরে রনি তার আরও তিন সহযোগী নিয়ে হাবিবকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাতের পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এই বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, যে বাসায় ব্যবসায়ী হাবিবের শরীরে আগুন দেওয়া হয় সেই বাসাটি ভুয়া পরিচয় দিয়ে ভাড়া নেয় রনি। ১ জুন এ বাসায় তার দুজন কর্মচারী থাকবে বলে বাড়ির মালিককে জানায় সে।