ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে পাওনাদারকে পুড়িয়ে হত্যা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১ ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি: গত ৮ মে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অজ্ঞাত পরিচয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ব্যবসায়ী আহসান হাবিব। এর আগের দিন তাকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকার একটি বাড়ি থেকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাভারের দোকান থেকে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাসা থেকে বের হন আহসান হাবিব। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পরে ঘটনা তদন্তে নেমে নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। হাবিবের পাওনা ২০ লাখ টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তার শরীরে আগুন দিয়ে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে রনি।

মঙ্গলবার দুপুরে মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর। সিআইডির হাতে গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে প্রধান আসামি নুরুন নবী ওরফে রনি, মো. হাসান আহমেদ, জাহিদ হোসেন ও রঞ্জু।

পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, সাভার থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৪ দিন পর আহসান হাবিব নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ শনাক্ত করে তার পরিবার। নিহত ব্যক্তি ৭ মে কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকার একটি বাসার নিচ তলায় অগ্নিদগ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায় পুলিশ। পরদিন অর্থাৎ ৮ তারিখ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহসান হাবিব মারা যান।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর আহসান হাবিবের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। এ ঘটনায় তার শ্যালক জাকারিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং জড়িত আসামির অবস্থান শনাক্ত করে। সোমবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে মামলার এক নম্বর আসামি মো. নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করা হয়। নুরুন নবীর সঙ্গে নিহত ব্যবসায়ী আহসান হাবিবের ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল। রনির কাছে ২০ লাখ টাকা পেতেন হাবিব। সেই বিরোধের জের ধরে রনি তার আরও তিন সহযোগী নিয়ে হাবিবকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাতের পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এই বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, যে বাসায় ব্যবসায়ী হাবিবের শরীরে আগুন দেওয়া হয় সেই বাসাটি ভুয়া পরিচয় দিয়ে ভাড়া নেয় রনি। ১ জুন এ বাসায় তার দুজন কর্মচারী থাকবে বলে বাড়ির মালিককে জানায় সে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে পাওনাদারকে পুড়িয়ে হত্যা!

আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি: গত ৮ মে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অজ্ঞাত পরিচয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ব্যবসায়ী আহসান হাবিব। এর আগের দিন তাকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকার একটি বাড়ি থেকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাভারের দোকান থেকে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাসা থেকে বের হন আহসান হাবিব। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

পরে ঘটনা তদন্তে নেমে নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। হাবিবের পাওনা ২০ লাখ টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তার শরীরে আগুন দিয়ে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে রনি।

মঙ্গলবার দুপুরে মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর। সিআইডির হাতে গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে প্রধান আসামি নুরুন নবী ওরফে রনি, মো. হাসান আহমেদ, জাহিদ হোসেন ও রঞ্জু।

পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, সাভার থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৪ দিন পর আহসান হাবিব নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ শনাক্ত করে তার পরিবার। নিহত ব্যক্তি ৭ মে কালিয়াকৈর উপজেলার হরিনহাটি এলাকার একটি বাসার নিচ তলায় অগ্নিদগ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায় পুলিশ। পরদিন অর্থাৎ ৮ তারিখ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহসান হাবিব মারা যান।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর আহসান হাবিবের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। এ ঘটনায় তার শ্যালক জাকারিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং জড়িত আসামির অবস্থান শনাক্ত করে। সোমবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে মামলার এক নম্বর আসামি মো. নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেফতার করা হয়। নুরুন নবীর সঙ্গে নিহত ব্যবসায়ী আহসান হাবিবের ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল। রনির কাছে ২০ লাখ টাকা পেতেন হাবিব। সেই বিরোধের জের ধরে রনি তার আরও তিন সহযোগী নিয়ে হাবিবকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাতের পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এই বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, যে বাসায় ব্যবসায়ী হাবিবের শরীরে আগুন দেওয়া হয় সেই বাসাটি ভুয়া পরিচয় দিয়ে ভাড়া নেয় রনি। ১ জুন এ বাসায় তার দুজন কর্মচারী থাকবে বলে বাড়ির মালিককে জানায় সে।