ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিআরটিএ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের রহস্যময় সিন্ডিকেট | দূর্নীতি ও সম্পদের বিস্ফোরক অভিযোগ! Logo বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী Logo আজ ‘বিশ্ব বাবা দিবস’ Logo যশোরে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণের চালান জব্দ, আটক ২ Logo রাঙামাটিতে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিক্ষিকার মৃত্যু Logo টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকে ছাগল উদ্ধারে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু Logo নানাবাড়ি বেড়াতে এসে প্রাণ গেল ২ ভাইয়ের Logo কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক Logo জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যেবিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী Logo রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৩

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০১৯ ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি;

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলার লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত হয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় আটক রোহিঙ্গাদের নিয়ে রাত ২টার দিকে তাদের ঢেরায় ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে গেলে এ বন্দুকযুদ্ধ হয় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

বন্দুকযুদ্ধে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ২ হাজার ২০০ ইয়াবা, ২টি এলজি, ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও প্রায় ৭ লাখ টাকা জব্দ করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন, কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাঁচা মিয়ার ছেলে মুহাম্মদ আলম (৩৫) ও জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আলী হোসেনের ছেলে মুহাম্মদ রফিক (২০)।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ইয়াবা কারবারী রোহিঙ্গা আলম ও রফিককে রোববার সন্ধ্যায় আটক করে পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তি মতে রাত ২টার দিকে লেদা ক্যাম্প এলাকায় ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা কারবারীরা গুলি বর্ষণ করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।

প্রায় ৪০ রাউন্ড গুলি চালানোর পর ইয়াবা কারবারীরা পিছু হটে। তখন ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে রফিক ও আলমের গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যায়। আহত হন এসআই সাব্বির ও এসআই বাবুল।

তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে ২ হাজার ২০০ ইয়াবা, ২টি দেশীয় তৈরি এলজি, ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও মাদক বিক্রির ৬ লাখ ৫৬ হাজার ২১০ টাকা পাওয়া যায়।

গুলিবিদ্ধ দেহগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মাদক ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ওসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি;

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলার লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত হয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় আটক রোহিঙ্গাদের নিয়ে রাত ২টার দিকে তাদের ঢেরায় ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে গেলে এ বন্দুকযুদ্ধ হয় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

বন্দুকযুদ্ধে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ২ হাজার ২০০ ইয়াবা, ২টি এলজি, ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও প্রায় ৭ লাখ টাকা জব্দ করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন, কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাঁচা মিয়ার ছেলে মুহাম্মদ আলম (৩৫) ও জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আলী হোসেনের ছেলে মুহাম্মদ রফিক (২০)।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ইয়াবা কারবারী রোহিঙ্গা আলম ও রফিককে রোববার সন্ধ্যায় আটক করে পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তি মতে রাত ২টার দিকে লেদা ক্যাম্প এলাকায় ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা কারবারীরা গুলি বর্ষণ করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।

প্রায় ৪০ রাউন্ড গুলি চালানোর পর ইয়াবা কারবারীরা পিছু হটে। তখন ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে রফিক ও আলমের গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যায়। আহত হন এসআই সাব্বির ও এসআই বাবুল।

তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে ২ হাজার ২০০ ইয়াবা, ২টি দেশীয় তৈরি এলজি, ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও মাদক বিক্রির ৬ লাখ ৫৬ হাজার ২১০ টাকা পাওয়া যায়।

গুলিবিদ্ধ দেহগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মাদক ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ওসি।