ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হালান্ড ‘শো’তে কাঁপছে ইরাক, বিরতিতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নরওয়ে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

ক্রীড়া ডেস্ক: বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজের প্রথম ম্যাচ, আর তাতেই ছাপ রেখে দিলেন আর্লিং হালান্ড। তার জোড়া গোলেই প্রথমার্ধ শেষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে নরওয়ে। তবে লড়াই ছাড়েনি ইরাকও, সুযোগ পেলেই পাল্টা আঘাত হেনেছে তারা।

বস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ২৯তম মিনিটে পোস্টের কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে নরওয়েকে এগিয়ে দেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা স্ট্রাইকার। তবে আয়মেন হুসেইনের শক্তিশালী হেডে ইরাক সমতায় ফেরে। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ইরাকের রক্ষণভাগের একটি ভুলের সুযোগ নিয়ে আবারও গোল করেন হালান্ড। এর ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ালো ৫১ ম্যাচে ৫৭টি।

বেঞ্চ থেকে নামার কিছুক্ষণ পরই লিও অস্টিগার্ড হেড করে নরওযয়ের তৃতীয় গোল করেন, যা কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। যোগ করা সময়ে আয়মেন হুসেইনের আত্মঘাতী গোলে নরওয়ে চতুর্থ গোল পায়।

এই জয়ে গোল ব্যবধানে গ্রুপ ‘আই’-এর শীর্ষে উঠে এসেছে নরওয়ে। সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ফ্রান্স। দিনের প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ফরাশিরা।

আগামী ২২ জুন নিউ জার্সিতে আফ্রিকান শক্তিশালী দল সেনেগালের মুখোমুখি হবে নরওয়ে।

বিশ্বকাপে পৌঁছানোর পথটি ছিল ইরাকের জন্য সবচেয়ে দীর্ঘ ও কঠিন। মার্চ মাসে তারা ৮৬৭ দিনব্যাপী ২১ ম্যাচের বাছাইপর্ব শেষে ৪৮তম ও সর্বশেষ দল হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে।

প্লে-অফে বলিভিয়ার বিপক্ষে জয়সূচক গোল করা আয়মেন হুসেইন পরে দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর দেশটির অভিবাসন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন এবং কয়েক ঘণ্টা আটক থাকেন। ১৯৮৬ সালের পর এটিই ইরাকের প্রথম বিশ্বকাপ।

নরওয়ে সর্বশেষ বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯৮ সালে। বর্তমান কোচ স্টেল সোলবাকেন ঐ দলের সদস্য ছিলেন। সেই আসরে তারা গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছিল।

বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে, বিশেষ কওে ইতালিকে দুইবার বড় ব্যবধানে হারিয়ে নরওয়ে এবার নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছে। হালান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই প্রজন্মকে ঘিরে তাদের প্রত্যাশা অনেক।

কোচ সোলবাকেন ম্যাচের আগে বলেছিলেন, প্রথম বড় টুর্নামেন্টেই হালান্ড খুব বড় প্রভাব ফেলবেন। তারকা স্ট্রাইকার দ্রুতই সেই ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

হালান্ড ‘শো’তে কাঁপছে ইরাক, বিরতিতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নরওয়ে

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ক্রীড়া ডেস্ক: বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজের প্রথম ম্যাচ, আর তাতেই ছাপ রেখে দিলেন আর্লিং হালান্ড। তার জোড়া গোলেই প্রথমার্ধ শেষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে নরওয়ে। তবে লড়াই ছাড়েনি ইরাকও, সুযোগ পেলেই পাল্টা আঘাত হেনেছে তারা।

বস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ২৯তম মিনিটে পোস্টের কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে নরওয়েকে এগিয়ে দেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা স্ট্রাইকার। তবে আয়মেন হুসেইনের শক্তিশালী হেডে ইরাক সমতায় ফেরে। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ইরাকের রক্ষণভাগের একটি ভুলের সুযোগ নিয়ে আবারও গোল করেন হালান্ড। এর ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ালো ৫১ ম্যাচে ৫৭টি।

বেঞ্চ থেকে নামার কিছুক্ষণ পরই লিও অস্টিগার্ড হেড করে নরওযয়ের তৃতীয় গোল করেন, যা কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। যোগ করা সময়ে আয়মেন হুসেইনের আত্মঘাতী গোলে নরওয়ে চতুর্থ গোল পায়।

এই জয়ে গোল ব্যবধানে গ্রুপ ‘আই’-এর শীর্ষে উঠে এসেছে নরওয়ে। সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ফ্রান্স। দিনের প্রথম ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ফরাশিরা।

আগামী ২২ জুন নিউ জার্সিতে আফ্রিকান শক্তিশালী দল সেনেগালের মুখোমুখি হবে নরওয়ে।

বিশ্বকাপে পৌঁছানোর পথটি ছিল ইরাকের জন্য সবচেয়ে দীর্ঘ ও কঠিন। মার্চ মাসে তারা ৮৬৭ দিনব্যাপী ২১ ম্যাচের বাছাইপর্ব শেষে ৪৮তম ও সর্বশেষ দল হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে।

প্লে-অফে বলিভিয়ার বিপক্ষে জয়সূচক গোল করা আয়মেন হুসেইন পরে দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর দেশটির অভিবাসন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন এবং কয়েক ঘণ্টা আটক থাকেন। ১৯৮৬ সালের পর এটিই ইরাকের প্রথম বিশ্বকাপ।

নরওয়ে সর্বশেষ বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯৮ সালে। বর্তমান কোচ স্টেল সোলবাকেন ঐ দলের সদস্য ছিলেন। সেই আসরে তারা গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছিল।

বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে, বিশেষ কওে ইতালিকে দুইবার বড় ব্যবধানে হারিয়ে নরওয়ে এবার নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছে। হালান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই প্রজন্মকে ঘিরে তাদের প্রত্যাশা অনেক।

কোচ সোলবাকেন ম্যাচের আগে বলেছিলেন, প্রথম বড় টুর্নামেন্টেই হালান্ড খুব বড় প্রভাব ফেলবেন। তারকা স্ট্রাইকার দ্রুতই সেই ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণ করেছেন।