ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

শাবির সিরাজুন্নেসা হলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও ছাত্রীদের নৈশভোজ

প্রতিনিধি, শাবিপ্রবি
  • আপডেট সময় : ১২:৩২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩ ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে হল কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষ্যে ওই হলে কেক কাটা এবং সেখানে অবস্থানরত সকল ছাত্রীদের নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

গতকাল বুধবার(১৫ মার্চ) রাত দশটায় হলের প্রাধ্যক্ষ জোবেদা কনক খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। হল সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাতে হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষে কেক কাটা শেষে মেইনহল ও সাবহল মিলিয়ে প্রায় একহাজার ছাত্রীর মাঝে নৈশভোজের খাবার বিতরণ করা হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আবাসিক ছাত্রী কর্তৃক খাবার গ্রহণের দৃশ্যে খাবার তুলে দিচ্ছেন প্রাধ্যক্ষগন।

সিরাজুন্নেসা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ইকরা আক্তার জানান, আজ হলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে মেম আমাদের নিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন। পরে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের খাবার বিতরণ করেন।

হল প্রাধ্যক্ষ জোবেদা কনক খান বলেন, একযুগ পেড়িয়ে ১৩তম বছরে পা দিয়েছে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হল। এই হল যার নামে নামকরণ তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসাবে পাকিস্তানের তৃতীয় জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। সংসদে তিনিই প্রথম প্রশ্ন করেছিলেন যে সমস্ত পরিষেবা শাখার সদর দপ্তর শুধু পশ্চিম পাকিস্তানে কেন অবস্থিত ছিল? পূর্ব বাংলার এই মহীয়সী নারীর নামে আমাদের এ হলের নামকরণ তাই এই দিনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি উনাকে।

প্রাধ্যক্ষ আরও বলেন, আজ আমরা একটি কেক কাটার মাধ্যমে হলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করি। বলে রাখা দরকার, কেকের উপরে বইয়ের একটি নমূনা আঁকা হয়। এই বই দিয়ে এটা বুঝানো হয়েছে যে, ছাত্রীরা যেন এই হলে থেকে সাধ্যমত সকল সুবিধা নিয়ে পড়াশোনায় মনযোগী হয়ে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরীর মত দেশসেবায় নিয়োজিত হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

শাবির সিরাজুন্নেসা হলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও ছাত্রীদের নৈশভোজ

আপডেট সময় : ১২:৩২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে হল কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষ্যে ওই হলে কেক কাটা এবং সেখানে অবস্থানরত সকল ছাত্রীদের নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

গতকাল বুধবার(১৫ মার্চ) রাত দশটায় হলের প্রাধ্যক্ষ জোবেদা কনক খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। হল সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাতে হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষে কেক কাটা শেষে মেইনহল ও সাবহল মিলিয়ে প্রায় একহাজার ছাত্রীর মাঝে নৈশভোজের খাবার বিতরণ করা হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আবাসিক ছাত্রী কর্তৃক খাবার গ্রহণের দৃশ্যে খাবার তুলে দিচ্ছেন প্রাধ্যক্ষগন।

সিরাজুন্নেসা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ইকরা আক্তার জানান, আজ হলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে মেম আমাদের নিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন। পরে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের খাবার বিতরণ করেন।

হল প্রাধ্যক্ষ জোবেদা কনক খান বলেন, একযুগ পেড়িয়ে ১৩তম বছরে পা দিয়েছে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হল। এই হল যার নামে নামকরণ তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসাবে পাকিস্তানের তৃতীয় জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। সংসদে তিনিই প্রথম প্রশ্ন করেছিলেন যে সমস্ত পরিষেবা শাখার সদর দপ্তর শুধু পশ্চিম পাকিস্তানে কেন অবস্থিত ছিল? পূর্ব বাংলার এই মহীয়সী নারীর নামে আমাদের এ হলের নামকরণ তাই এই দিনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি উনাকে।

প্রাধ্যক্ষ আরও বলেন, আজ আমরা একটি কেক কাটার মাধ্যমে হলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করি। বলে রাখা দরকার, কেকের উপরে বইয়ের একটি নমূনা আঁকা হয়। এই বই দিয়ে এটা বুঝানো হয়েছে যে, ছাত্রীরা যেন এই হলে থেকে সাধ্যমত সকল সুবিধা নিয়ে পড়াশোনায় মনযোগী হয়ে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরীর মত দেশসেবায় নিয়োজিত হতে পারে।