ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি, ৮ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০ ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি করেন বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ব্যবসায়ী মো. আবদুল ওয়াহেদ। পরে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নগর পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত আট পুলিশ সদস্য হলেন- বায়েজিদ বোস্তামী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সহিদুল ইসলাম, এসআই মো. নুর নবী, এএসআই অমিত ভট্টাচার্য, এএসআই মো. শরিফুল ইসলাম, এসআই গোলাম মো. নাছিম হোসেন, এএসআই মো. আশরাফুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. সোলাইমান, কনস্টেবল ফৌজুল করিম ও পুলিশ সোর্স ডোনার রুবেল।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই বায়েজিদ বোস্তামীর জামাল কলোনি এলাকা থেকে বিনা কারণে বাদীকে থানায় নিয়ে মারধর করা হয় এবং ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা জানালে মাদক আইনে বাদী ও আরও কয়েকজনের নামে মামলা করা হয়। মামলা হালকা করতেও পুলিশ সদস্যরা টাকা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর বলেন, বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াহেদকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং পরে মাদক মামলা দিয়ে আদালতে চালান দেয়া হয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে হয়রানি করায় দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩৯৫, ১৬১, ২৯৮, ৪২০, ১০৯, ৫০৬ (২) ও ৩৪ ধারা অনুযায়ী বায়েজিদ বোস্তামী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলামসহ আট পুলিশ সদস্য ও এক সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারকে (উত্তর) তদন্তের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি, ৮ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১১:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে মামলাটি করেন বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ব্যবসায়ী মো. আবদুল ওয়াহেদ। পরে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নগর পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত আট পুলিশ সদস্য হলেন- বায়েজিদ বোস্তামী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সহিদুল ইসলাম, এসআই মো. নুর নবী, এএসআই অমিত ভট্টাচার্য, এএসআই মো. শরিফুল ইসলাম, এসআই গোলাম মো. নাছিম হোসেন, এএসআই মো. আশরাফুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. সোলাইমান, কনস্টেবল ফৌজুল করিম ও পুলিশ সোর্স ডোনার রুবেল।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই বায়েজিদ বোস্তামীর জামাল কলোনি এলাকা থেকে বিনা কারণে বাদীকে থানায় নিয়ে মারধর করা হয় এবং ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা জানালে মাদক আইনে বাদী ও আরও কয়েকজনের নামে মামলা করা হয়। মামলা হালকা করতেও পুলিশ সদস্যরা টাকা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর বলেন, বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াহেদকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং পরে মাদক মামলা দিয়ে আদালতে চালান দেয়া হয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে হয়রানি করায় দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩৯৫, ১৬১, ২৯৮, ৪২০, ১০৯, ৫০৬ (২) ও ৩৪ ধারা অনুযায়ী বায়েজিদ বোস্তামী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলামসহ আট পুলিশ সদস্য ও এক সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারকে (উত্তর) তদন্তের নির্দেশ দেন।