ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

কে এই ভয়ংকর খুনি নয়ন বন্ড?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০১৯ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ
রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে বরগুনার বুড়িরচর ইউনিয়নের পোড়াঘাটা এলাকায় বেড়িবাঁধের উপরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সে নিহত হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র বলছে, রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ। তার কারণে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। ‘কচু গাছ কাটতে কাটতে ডাকাত’ বনে যাওয়ার মতো ছিঁচকে চুরি আর ছিনতাইয়ের মধ্য দিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীতে পরিণত হয়েছে বরগুনার সাব্বির হোসেন নয়ন।

দলীয় কোনো পদ-পদবি না থাকলেও সরকারি দলের ছত্রছায়ায় থেকে ছিঁচকে চোর থেকে বরগুনার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে সে। মাদক বিক্রির পাশাপাশি পৌর শহরের বিকেবি রোডের ধানসিঁড়ি এলাকার নিজ বাসায় মাদকসেবীদের মাদক সেবনের সুযোগও করে দিত সে। সুবিধা পাওয়ায় মাদকসেবীরাও ভিড়ত তার কাছে। এভাবে ধীরে ধীরে বরগুনা শহরের মাদকের ডন বনে যায় সে। নিজের বাসা মাদকের আখড়ায় পরিণত করে সে। প্রায় এক বছর আগে তার ওই বাসা থেকে অন্তত ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা এবং দেশি ধারালো অস্ত্রসহ সাব্বির হোসেন নয়নকে গ্রেফতার করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। কিন্তু কিছুদিন পরই জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে সে। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য একটি বিশাল বাহিনী গড়ে তোলে সে। এই বাহিনী মাদক বিক্রিসহ এলাকায় চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িত। কোনো রাজনৈতিক পদে না থেকেও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে চলাফেরা করায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে নয়ন। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার প্রকাশ্য দিবালোকে যুবলীগ কর্মী ডিস ব্যবসায়ী শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করে নয়ন ও তার সহযোগীরা।
দূর থেকে এই দৃশ্য কে বা কারা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। নয়নের কোপানোর দৃশ্য দেখলে যে কেউ আঁতকে যাবেন, শরীর শিহরে উঠবে।

পৌর শহরের বিকেবি রোডের শহরের ধানসিঁড়ি এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকির ছেলে নয়ন মাদকাসক্ত। কয়েক বছর আগে মাদক সেবনের টাকা যোগাড় করার জন্য সে ছিঁচকে চুরি আর মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের মাধ্যমে অপরাধ জগতে প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে সে শুরু করে ইয়াবার ব্যবসা। নিজ বাসা মাদক সেবনের বড় আখড়ায় পরিণত করে সে। চুরি আর ছিনতাই ছাড়াও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বাকিতে সদাই বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় ১ বছর আগে বিকেবি রোডের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নয়া মিয়ার পা ভেঙে দেয় সে। প্রায় একই সময়ে নয়নকে তার বাসা থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় কিছুদিন কারান্তরীণ থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে নয়ন।

পুলিশসূত্রে জানা গেছে, হত্যাকারী দুজনের মধ্যে একজনের নাম সাব্বির হোসেন নয়ন ওরফে ‘নয়ন বন্ড’ (২৫)। অন্যজনের নাম রিফাত ফরাজী। তারা দুজনই অপরাধজগতের বেশ পরিচিত মুখ বলে জানিয়েছে বরগুনা পুলিশ।

স্থানীয়রা এ দুই সন্ত্রাসীর তাণ্ডবে বেশ অতিষ্ঠ বলে জানিয়েছেন। তাদের ভয়ে অনেকেই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছিলেন না। প্রায়ই নানা অজুহাতে লাঞ্ছিত হতেন স্থানীয়রা। প্রতিবেশীদের মধ্যে রীতিমতো আতঙ্ক বিরাজ করত এ দুজনের নাম শুনলে।

এলাকাবাসীদের ওপর এসব অত্যাচার করে বিভিন্ন সময় তাদের জেল খাটতে হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। কিন্তু খুব অল্প সময়েই হাজত থেকে বের হয়ে আসত অদৃশ্য কারণে। আর ফিরেই তাদের তাণ্ডবলীলার পরিমাণ আরও বেড়ে যেত।

হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ছিল কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদককারবারি।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে বরগুনায় ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও দেশীয় অস্ত্রসহ নয়নকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

সেই সময় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৫ মার্চ রাত ১১টায় নয়ন বন্ডের বাসায় অভিযান চালায় বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক, দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়। এসব মাদকের মধ্যে ছিল ৩০০ পিস ইয়াবা, ১২ বোতল ফেনসিডিল ও ১০০ গ্রাম হেরোইন।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগী ইমামের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন। সেই মামলায় দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে আসেন নয়ন বন্ড। আর জেল থেকেই বেরিয়েই এ হত্যাকাণ্ড ঘটান নয়ন।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানা পুলিশের ওসি আবীর হোসেন মাহমুদ বলেন, নয়ন বন্ড একজন মাদককারবারি। তার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় সাজাও খেটেছেন কয়েকবার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কে এই ভয়ংকর খুনি নয়ন বন্ড?

আপডেট সময় : ০৩:৩০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০১৯

অনলাইন ডেস্কঃ
রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে বরগুনার বুড়িরচর ইউনিয়নের পোড়াঘাটা এলাকায় বেড়িবাঁধের উপরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সে নিহত হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র বলছে, রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ। তার কারণে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। ‘কচু গাছ কাটতে কাটতে ডাকাত’ বনে যাওয়ার মতো ছিঁচকে চুরি আর ছিনতাইয়ের মধ্য দিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীতে পরিণত হয়েছে বরগুনার সাব্বির হোসেন নয়ন।

দলীয় কোনো পদ-পদবি না থাকলেও সরকারি দলের ছত্রছায়ায় থেকে ছিঁচকে চোর থেকে বরগুনার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে সে। মাদক বিক্রির পাশাপাশি পৌর শহরের বিকেবি রোডের ধানসিঁড়ি এলাকার নিজ বাসায় মাদকসেবীদের মাদক সেবনের সুযোগও করে দিত সে। সুবিধা পাওয়ায় মাদকসেবীরাও ভিড়ত তার কাছে। এভাবে ধীরে ধীরে বরগুনা শহরের মাদকের ডন বনে যায় সে। নিজের বাসা মাদকের আখড়ায় পরিণত করে সে। প্রায় এক বছর আগে তার ওই বাসা থেকে অন্তত ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা এবং দেশি ধারালো অস্ত্রসহ সাব্বির হোসেন নয়নকে গ্রেফতার করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। কিন্তু কিছুদিন পরই জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে সে। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য একটি বিশাল বাহিনী গড়ে তোলে সে। এই বাহিনী মাদক বিক্রিসহ এলাকায় চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িত। কোনো রাজনৈতিক পদে না থেকেও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে চলাফেরা করায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে নয়ন। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার প্রকাশ্য দিবালোকে যুবলীগ কর্মী ডিস ব্যবসায়ী শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করে নয়ন ও তার সহযোগীরা।
দূর থেকে এই দৃশ্য কে বা কারা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। নয়নের কোপানোর দৃশ্য দেখলে যে কেউ আঁতকে যাবেন, শরীর শিহরে উঠবে।

পৌর শহরের বিকেবি রোডের শহরের ধানসিঁড়ি এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকির ছেলে নয়ন মাদকাসক্ত। কয়েক বছর আগে মাদক সেবনের টাকা যোগাড় করার জন্য সে ছিঁচকে চুরি আর মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের মাধ্যমে অপরাধ জগতে প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে সে শুরু করে ইয়াবার ব্যবসা। নিজ বাসা মাদক সেবনের বড় আখড়ায় পরিণত করে সে। চুরি আর ছিনতাই ছাড়াও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বাকিতে সদাই বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় ১ বছর আগে বিকেবি রোডের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নয়া মিয়ার পা ভেঙে দেয় সে। প্রায় একই সময়ে নয়নকে তার বাসা থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় কিছুদিন কারান্তরীণ থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে নয়ন।

পুলিশসূত্রে জানা গেছে, হত্যাকারী দুজনের মধ্যে একজনের নাম সাব্বির হোসেন নয়ন ওরফে ‘নয়ন বন্ড’ (২৫)। অন্যজনের নাম রিফাত ফরাজী। তারা দুজনই অপরাধজগতের বেশ পরিচিত মুখ বলে জানিয়েছে বরগুনা পুলিশ।

স্থানীয়রা এ দুই সন্ত্রাসীর তাণ্ডবে বেশ অতিষ্ঠ বলে জানিয়েছেন। তাদের ভয়ে অনেকেই স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছিলেন না। প্রায়ই নানা অজুহাতে লাঞ্ছিত হতেন স্থানীয়রা। প্রতিবেশীদের মধ্যে রীতিমতো আতঙ্ক বিরাজ করত এ দুজনের নাম শুনলে।

এলাকাবাসীদের ওপর এসব অত্যাচার করে বিভিন্ন সময় তাদের জেল খাটতে হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। কিন্তু খুব অল্প সময়েই হাজত থেকে বের হয়ে আসত অদৃশ্য কারণে। আর ফিরেই তাদের তাণ্ডবলীলার পরিমাণ আরও বেড়ে যেত।

হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ছিল কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদককারবারি।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে বরগুনায় ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও দেশীয় অস্ত্রসহ নয়নকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

সেই সময় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৫ মার্চ রাত ১১টায় নয়ন বন্ডের বাসায় অভিযান চালায় বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক, দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়। এসব মাদকের মধ্যে ছিল ৩০০ পিস ইয়াবা, ১২ বোতল ফেনসিডিল ও ১০০ গ্রাম হেরোইন।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগী ইমামের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন। সেই মামলায় দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে আসেন নয়ন বন্ড। আর জেল থেকেই বেরিয়েই এ হত্যাকাণ্ড ঘটান নয়ন।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানা পুলিশের ওসি আবীর হোসেন মাহমুদ বলেন, নয়ন বন্ড একজন মাদককারবারি। তার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় সাজাও খেটেছেন কয়েকবার।