ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

ফেনীর সেই মাদ্রাসা পরিদর্শনে বোর্ড চেয়ারম্যান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৯ ২৯০ বার পড়া হয়েছে

ফেনী প্রতিনিধি |
কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিপীড়নের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর একেএম সাইফ উল্যাহ।

রোববার দুপুরে ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “সারা দেশের মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিতে যে নৈরাজ্য চলছে তা দূর করার এখনই মোক্ষম সময়। মেধাবী ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সেটি আরও সুস্পষ্ট হলো। ভবিষ্যতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিতে কোনো অশিক্ষিত অযোগ্য লোকের ঠাঁই হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

একেএম সাইফ উল্যাহ বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে সারা দেশে ৫ সদস্য বিশিষ্ট যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠনের কাজ শুরু করেছি। সিরাজ উদ দৌলার মতো এ চরিত্রের শিক্ষকের ব্যাপারেও আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “নুসরাতের উপর বর্বরতার ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা ও ইংরেজি শিক্ষক আবছার উদ্দিনের এমপিও স্থগিত করা হয়েছে।”

এসময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সলিমুল্লাহ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরুল আমিন, পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব নূরুল আফছার ফারুকী ও মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মো. হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদ্রাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।

এ ঘটনায় তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামিসহ এখন পর্যন্ত ২১জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ফেনীর সেই মাদ্রাসা পরিদর্শনে বোর্ড চেয়ারম্যান

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৯

ফেনী প্রতিনিধি |
কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিপীড়নের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর একেএম সাইফ উল্যাহ।

রোববার দুপুরে ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “সারা দেশের মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিতে যে নৈরাজ্য চলছে তা দূর করার এখনই মোক্ষম সময়। মেধাবী ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সেটি আরও সুস্পষ্ট হলো। ভবিষ্যতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিতে কোনো অশিক্ষিত অযোগ্য লোকের ঠাঁই হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

একেএম সাইফ উল্যাহ বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে সারা দেশে ৫ সদস্য বিশিষ্ট যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠনের কাজ শুরু করেছি। সিরাজ উদ দৌলার মতো এ চরিত্রের শিক্ষকের ব্যাপারেও আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “নুসরাতের উপর বর্বরতার ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা ও ইংরেজি শিক্ষক আবছার উদ্দিনের এমপিও স্থগিত করা হয়েছে।”

এসময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সলিমুল্লাহ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরুল আমিন, পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব নূরুল আফছার ফারুকী ও মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মো. হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদ্রাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।

এ ঘটনায় তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামিসহ এখন পর্যন্ত ২১জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।