ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

পিরোজপুর-২ আসনে জনগণের জন্য কাজ করতে চান ফকরুল আলম: নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫ ১০৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুর-২ আসনে আগাম নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ফকরুল আলম। পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার বালিহারী গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুর রহমানের এই সুযোগ্য পুত্র পিরোজপুর-২ আসনসহ পুরো পিরোজপুর জেলায় মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য বেশ প্রশংসিত।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও আত্মত্যাগ
ফকরুল আলম ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলে যোগ দেন। এরপর ১৯৮২ সালে ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ, ১৯৮৬ সালে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির ১নং সদস্য হন। ২০০১ সালে কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ২০০৯ ও ২০১২ সালে পিরোজপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং ২০১৬ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি উপজেলা বিএনপির কাউন্সিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়ন ও জেল-জুলুম সহ্য করে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নির্বাচনী ভাবনা ও দলের প্রতি অঙ্গীকার
ফকরুল আলম বিশ্বাস করেন, ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি এবং ৭০ শতাংশ ভোট ধানের শীষের পক্ষেই পড়বে। তিনি বলেন, “ভান্ডারিয়া, কাউখালী, নেছারাবাদ মাটি ধানের শীষের ঘাঁটি, খালেদা জিয়ার ঘাঁটি, তারেক রহমানের ঘাঁটি।” তিনি দলের কর্মীদের প্রতি প্রতিহিংসার রাজনীতি ও মিথ্যা প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং বিরোধীদের সুযোগ করে দেয়। ১৭ বছরের দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বর্তমানে একটি ভাসমান অবস্থায় থাকা বিএনপিকে যেকোনো চক্রান্ত মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি তরুণ, যুবক ও ছাত্র সমাজের আন্দোলনের প্রশংসা করে বলেন, “আবু সাঈদ থেকে শুরু করে আরও অনেকে প্রায় হাজারখানেক শিক্ষার্থী ও বিএনপি’র কর্মীরা প্রাণ দিয়েছে।”
পিরোজপুরকে মডেল জনপদ গড়ার স্বপ্ন:
ফকরুল আলম পিরোজপুর-২ আসনের জনগণের কাছে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “বিগত দিনে অনেকেই পিরোজপুরের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে কিছু করেননি, আমাদের পিরোজপুর একটি অবহেলিত জনপদ রয়ে গেছে।” তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে এবং তিনি নির্বাচিত হতে পারেন, তবে এই জনপদকে দেশের একটি মডেল জনপদে পরিণত করবেন। তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ সেই সব নেতাদের প্রত্যাখ্যান করে জনগণের জন্য সর্বদা কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

পিরোজপুর-২ আসনে জনগণের জন্য কাজ করতে চান ফকরুল আলম: নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুর-২ আসনে আগাম নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ফকরুল আলম। পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার বালিহারী গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুর রহমানের এই সুযোগ্য পুত্র পিরোজপুর-২ আসনসহ পুরো পিরোজপুর জেলায় মানবিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য বেশ প্রশংসিত।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও আত্মত্যাগ
ফকরুল আলম ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলে যোগ দেন। এরপর ১৯৮২ সালে ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ, ১৯৮৬ সালে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির ১নং সদস্য হন। ২০০১ সালে কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ২০০৯ ও ২০১২ সালে পিরোজপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং ২০১৬ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি উপজেলা বিএনপির কাউন্সিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়ন ও জেল-জুলুম সহ্য করে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নির্বাচনী ভাবনা ও দলের প্রতি অঙ্গীকার
ফকরুল আলম বিশ্বাস করেন, ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ আসনটি বিএনপির ঘাঁটি এবং ৭০ শতাংশ ভোট ধানের শীষের পক্ষেই পড়বে। তিনি বলেন, “ভান্ডারিয়া, কাউখালী, নেছারাবাদ মাটি ধানের শীষের ঘাঁটি, খালেদা জিয়ার ঘাঁটি, তারেক রহমানের ঘাঁটি।” তিনি দলের কর্মীদের প্রতি প্রতিহিংসার রাজনীতি ও মিথ্যা প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং বিরোধীদের সুযোগ করে দেয়। ১৭ বছরের দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বর্তমানে একটি ভাসমান অবস্থায় থাকা বিএনপিকে যেকোনো চক্রান্ত মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি তরুণ, যুবক ও ছাত্র সমাজের আন্দোলনের প্রশংসা করে বলেন, “আবু সাঈদ থেকে শুরু করে আরও অনেকে প্রায় হাজারখানেক শিক্ষার্থী ও বিএনপি’র কর্মীরা প্রাণ দিয়েছে।”
পিরোজপুরকে মডেল জনপদ গড়ার স্বপ্ন:
ফকরুল আলম পিরোজপুর-২ আসনের জনগণের কাছে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “বিগত দিনে অনেকেই পিরোজপুরের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে কিছু করেননি, আমাদের পিরোজপুর একটি অবহেলিত জনপদ রয়ে গেছে।” তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে এবং তিনি নির্বাচিত হতে পারেন, তবে এই জনপদকে দেশের একটি মডেল জনপদে পরিণত করবেন। তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ সেই সব নেতাদের প্রত্যাখ্যান করে জনগণের জন্য সর্বদা কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

Loading