ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

এবি ব্যাংকের ১৫ জনকে  অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতারের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৮০ বার পড়া হয়েছে

এবি ব্যাংকের ১৭৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক দুই এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

মামলার ২ আসামির জামিন শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরা ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরা হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুজাল। দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

পরে খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, আদেশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আর

এই ১৫ জন যেন বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন সেজন্য পুলিশ প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের প্রমাণের পর ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এবি ব্যাংকের সাবেক দুই এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী, শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গত ৮ জুন মামলা করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একে অন্যের সহায়তায় জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ৬টি জান কার্যাদেশের বিপরীতে ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

১৭ আসামির মধ্যে এবি ব্যাংকের এভিপি ও রিলেশনশিপ ম্যানেজার আবদুর রহিম ও ভিপি শহিদুল ইসলাম গত ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন না দিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী গত ৩

অক্টোবর তারা ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে তাদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এ নির্দেশের বিরুদ্ধে দুই আসামি আপিল করে হাইকোর্টে জামিন চান। সেই আবেদনটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হলে হাইকোর্ট বাকি ১৫ আসামির বিষয়ে জানতে চান। এ সময় দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, তারা পলাতক। এরপর তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আদালত। এবি ব্যাংকের অপর ১৫ আসামি হলেন- মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরী, এ বি এম আবদুস সাত্তার, আনিসুর রহমান, রুহল আমিন, ওয়াসিকা আফরোজী, মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান, সালমা আক্তার, এমারত হোসেন ফকির, তৌহিদুল ইসলাম, শামীম এ মোরশেদ, খন্দকার রাশেদ আনোয়ার, সিরাজুল ইসলাম, মাহফুজ উল ইসলাম ও এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনের মালিক এরশাদ আলী।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

এবি ব্যাংকের ১৫ জনকে  অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতারের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৬:৫২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩

এবি ব্যাংকের ১৭৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক দুই এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

মামলার ২ আসামির জামিন শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরা ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরা হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুজাল। দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

পরে খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, আদেশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আর

এই ১৫ জন যেন বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন সেজন্য পুলিশ প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের প্রমাণের পর ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এবি ব্যাংকের সাবেক দুই এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী, শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গত ৮ জুন মামলা করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একে অন্যের সহায়তায় জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ৬টি জান কার্যাদেশের বিপরীতে ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

১৭ আসামির মধ্যে এবি ব্যাংকের এভিপি ও রিলেশনশিপ ম্যানেজার আবদুর রহিম ও ভিপি শহিদুল ইসলাম গত ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন না দিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী গত ৩

অক্টোবর তারা ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে তাদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এ নির্দেশের বিরুদ্ধে দুই আসামি আপিল করে হাইকোর্টে জামিন চান। সেই আবেদনটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হলে হাইকোর্ট বাকি ১৫ আসামির বিষয়ে জানতে চান। এ সময় দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, তারা পলাতক। এরপর তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আদালত। এবি ব্যাংকের অপর ১৫ আসামি হলেন- মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরী, এ বি এম আবদুস সাত্তার, আনিসুর রহমান, রুহল আমিন, ওয়াসিকা আফরোজী, মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান, সালমা আক্তার, এমারত হোসেন ফকির, তৌহিদুল ইসলাম, শামীম এ মোরশেদ, খন্দকার রাশেদ আনোয়ার, সিরাজুল ইসলাম, মাহফুজ উল ইসলাম ও এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনের মালিক এরশাদ আলী।