ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

এবি ব্যাংকের ১৫ জনকে  অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতারের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

এবি ব্যাংকের ১৭৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক দুই এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

মামলার ২ আসামির জামিন শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরা ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরা হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুজাল। দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

পরে খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, আদেশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আর

এই ১৫ জন যেন বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন সেজন্য পুলিশ প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের প্রমাণের পর ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এবি ব্যাংকের সাবেক দুই এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী, শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গত ৮ জুন মামলা করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একে অন্যের সহায়তায় জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ৬টি জান কার্যাদেশের বিপরীতে ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

১৭ আসামির মধ্যে এবি ব্যাংকের এভিপি ও রিলেশনশিপ ম্যানেজার আবদুর রহিম ও ভিপি শহিদুল ইসলাম গত ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন না দিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী গত ৩

অক্টোবর তারা ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে তাদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এ নির্দেশের বিরুদ্ধে দুই আসামি আপিল করে হাইকোর্টে জামিন চান। সেই আবেদনটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হলে হাইকোর্ট বাকি ১৫ আসামির বিষয়ে জানতে চান। এ সময় দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, তারা পলাতক। এরপর তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আদালত। এবি ব্যাংকের অপর ১৫ আসামি হলেন- মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরী, এ বি এম আবদুস সাত্তার, আনিসুর রহমান, রুহল আমিন, ওয়াসিকা আফরোজী, মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান, সালমা আক্তার, এমারত হোসেন ফকির, তৌহিদুল ইসলাম, শামীম এ মোরশেদ, খন্দকার রাশেদ আনোয়ার, সিরাজুল ইসলাম, মাহফুজ উল ইসলাম ও এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনের মালিক এরশাদ আলী।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

এবি ব্যাংকের ১৫ জনকে  অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতারের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৬:৫২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩

এবি ব্যাংকের ১৭৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক দুই এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

মামলার ২ আসামির জামিন শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরা ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরা হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুজাল। দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

পরে খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, আদেশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আর

এই ১৫ জন যেন বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন সেজন্য পুলিশ প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের প্রমাণের পর ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এবি ব্যাংকের সাবেক দুই এমডি মসিউর রহমান চৌধুরী, শামীম আহমেদ চৌধুরীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গত ৮ জুন মামলা করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একে অন্যের সহায়তায় জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ৬টি জান কার্যাদেশের বিপরীতে ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

১৭ আসামির মধ্যে এবি ব্যাংকের এভিপি ও রিলেশনশিপ ম্যানেজার আবদুর রহিম ও ভিপি শহিদুল ইসলাম গত ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন না দিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী গত ৩

অক্টোবর তারা ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে তাদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এ নির্দেশের বিরুদ্ধে দুই আসামি আপিল করে হাইকোর্টে জামিন চান। সেই আবেদনটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হলে হাইকোর্ট বাকি ১৫ আসামির বিষয়ে জানতে চান। এ সময় দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, তারা পলাতক। এরপর তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন আদালত। এবি ব্যাংকের অপর ১৫ আসামি হলেন- মসিউর রহমান চৌধুরী ও শামীম আহমেদ চৌধুরী, এ বি এম আবদুস সাত্তার, আনিসুর রহমান, রুহল আমিন, ওয়াসিকা আফরোজী, মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান, সালমা আক্তার, এমারত হোসেন ফকির, তৌহিদুল ইসলাম, শামীম এ মোরশেদ, খন্দকার রাশেদ আনোয়ার, সিরাজুল ইসলাম, মাহফুজ উল ইসলাম ও এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনের মালিক এরশাদ আলী।