ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা, বিপাকে ঢাবি শিক্ষার্থীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০২১ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

আবাসিক হল না খুলে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্তে চরম বিপাকে পড়েছে উচ্চ শিক্ষায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। আবেদন, বিক্ষোভ, ধর্মঘট, স্মারকলিপি কোনো কিছুতেই টনক নড়ছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।

বরং অনার্স ফাইনাল ও মাস্টার্স পরীক্ষার সাথে একে একে অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষারও ঘোষণা দিচ্ছে অনুষদগুলো। কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের সমস্যায় ফেলবে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। কিন্তু এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকবে কোথায়? এই প্রশ্নের সদুত্তর নেই কারো কাছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মাসুদ। আবাসিক হল না খুলে পরীক্ষা ঘোষণার সিদ্ধান্তে পড়েছেন বিপাকে। পরীক্ষার আগেই বার্ষিক ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে করোনা সংক্রমণের দুশ্চিন্তা দূরে ঠেলে এসেছেন ক্যাম্পাসে। পরীক্ষা দিতে আবারো আসবেন কদিন পর। কিন্তু, থাকবেন কোথায় তা অনিশ্চিত।

হল না খুলে অনার্স ফাইনাল ও মাস্টার্স পরীক্ষার ঘোষণায় যখন চিন্তায় শিক্ষার্থীরা তখন অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষার তারিখও ঘোষণা করছে কর্তৃপক্ষ। রয়েছে ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের বিপুল শিক্ষার্থীর পরীক্ষাও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলছেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা হবে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের সুবিধা দেখেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রশাসনের এমন দাবির বাস্তবতা সামান্যই। শিক্ষার্থীদের বক্তব্যে যা স্পষ্ট। তারা বলছেন, এতো সল্প সময়ের মধ্যে ভর্তি ও ফি জমা দেয়া জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে বিভাগ থেকে। কিন্তু হল না খুলে পরীক্ষা দেয়া কোন ভাবেই সম্ভব না। এছাড়াও ফি মওকুফের দাবিও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

হল খোলার দাবি জানিয়েছে ছাত্র সংগঠনগুলো, হচ্ছে অবস্থান কর্মসূচি, দেয়া হয়েছে স্মারকলিপি কিন্তু সিদ্ধান্তে অনড় প্রশাসন। দীর্ঘদিন বন্ধ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। বন্ধ ক্লাস পরীক্ষা । কিন্তু হঠাৎই হল না খুলে পরীক্ষার সিদ্ধান্তে বিপাকে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষায় আপত্তি নেই কিন্তু তার আগে আবাসন নিশ্চিতে হলগুলো খোলার দাবি শিক্ষার্থীদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা, বিপাকে ঢাবি শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১০:১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০২১

আবাসিক হল না খুলে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্তে চরম বিপাকে পড়েছে উচ্চ শিক্ষায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। আবেদন, বিক্ষোভ, ধর্মঘট, স্মারকলিপি কোনো কিছুতেই টনক নড়ছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।

বরং অনার্স ফাইনাল ও মাস্টার্স পরীক্ষার সাথে একে একে অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষারও ঘোষণা দিচ্ছে অনুষদগুলো। কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের সমস্যায় ফেলবে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। কিন্তু এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকবে কোথায়? এই প্রশ্নের সদুত্তর নেই কারো কাছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মাসুদ। আবাসিক হল না খুলে পরীক্ষা ঘোষণার সিদ্ধান্তে পড়েছেন বিপাকে। পরীক্ষার আগেই বার্ষিক ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে করোনা সংক্রমণের দুশ্চিন্তা দূরে ঠেলে এসেছেন ক্যাম্পাসে। পরীক্ষা দিতে আবারো আসবেন কদিন পর। কিন্তু, থাকবেন কোথায় তা অনিশ্চিত।

হল না খুলে অনার্স ফাইনাল ও মাস্টার্স পরীক্ষার ঘোষণায় যখন চিন্তায় শিক্ষার্থীরা তখন অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষার তারিখও ঘোষণা করছে কর্তৃপক্ষ। রয়েছে ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের বিপুল শিক্ষার্থীর পরীক্ষাও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলছেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা হবে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের সুবিধা দেখেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রশাসনের এমন দাবির বাস্তবতা সামান্যই। শিক্ষার্থীদের বক্তব্যে যা স্পষ্ট। তারা বলছেন, এতো সল্প সময়ের মধ্যে ভর্তি ও ফি জমা দেয়া জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে বিভাগ থেকে। কিন্তু হল না খুলে পরীক্ষা দেয়া কোন ভাবেই সম্ভব না। এছাড়াও ফি মওকুফের দাবিও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

হল খোলার দাবি জানিয়েছে ছাত্র সংগঠনগুলো, হচ্ছে অবস্থান কর্মসূচি, দেয়া হয়েছে স্মারকলিপি কিন্তু সিদ্ধান্তে অনড় প্রশাসন। দীর্ঘদিন বন্ধ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। বন্ধ ক্লাস পরীক্ষা । কিন্তু হঠাৎই হল না খুলে পরীক্ষার সিদ্ধান্তে বিপাকে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষায় আপত্তি নেই কিন্তু তার আগে আবাসন নিশ্চিতে হলগুলো খোলার দাবি শিক্ষার্থীদের।