ঢাকা ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

সমঝোতা বৈঠক নাকচ করে ভারত সীমান্তে আরও সেনা মোতায়েন করল চীন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে চীন। সমঝোতা বৈঠকের পর পিছু না হটে বরং সীমান্তে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন বাড়িয়েছে চীন। জবাবে তাড়াহুড়ো করে ভারতও সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে। এই সময় জানায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর চার হাজার কিলোমিটার সীমান্তে ফের সেনা মোতায়েন করেছে চীন। জবাবে অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে এলএসি বরাবর সেনা সমাবেশ বাড়িয়েছে ভারতও।

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, ‘শুধু লাদাখ নয়, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশে সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছে চীন। সেনা ছাড়াও যুদ্ধ সরঞ্জামও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’ সূত্রটি জানায়, মঙ্গলবার থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করলেও, ফের দ্রুত এলএসি বরাবর এলাকাগুলোতে সেনা মোতায়েন করেছে ভারতও। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, হিমাচল প্রদেশে চীন-ভারত সীমান্তের যে অংশে এর আগে চীনা হেলিকপ্টার দেখা গিয়েছিল, সেখানেও বাড়তি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইট করে অভিযোগ করেছেন, চীনারা লাদাখে ঢুকে ভারতের জমি দখল করে নিলেও প্রধানমন্ত্রী মোদি বিষয়টি নিয়ে কোনো কথাই বলছেন না। জবাবে বিজেপি বলছে, দেশের স্ট্র্যাটেজিক স্বার্থ জড়িত আছে, এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে টুইটারে অন্তত প্রশ্নই তোলা যায় না। পর্যবেক্ষকদের অনেকে মনে করছেন, লাদাখ সীমান্তের সংঘাত শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে গড়াবে না- এ ধারণা থেকেই সম্ভবত ভারত বিষয়টি নিয়ে আপাতত মুখ খুলতে চাইছে না। ভারতের সুপরিচিত প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক অজয় শুক্লা বুধবার প্রকাশিত তার এক নিবন্ধে দাবি করেন, লাদাখের সীমান্ত সংঘাতে চীন এবার অত্যন্ত কঠোর মনোভাব নিয়েছে। তারা শুধু প্যাংগং লেকের একটা বড় অংশই দখল করে রাখেনি, পুরো গালওয়ান ভ্যালিটাই কব্জা করে রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সমঝোতা বৈঠক নাকচ করে ভারত সীমান্তে আরও সেনা মোতায়েন করল চীন

আপডেট সময় : ০১:১০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে চীন। সমঝোতা বৈঠকের পর পিছু না হটে বরং সীমান্তে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন বাড়িয়েছে চীন। জবাবে তাড়াহুড়ো করে ভারতও সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে। এই সময় জানায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর চার হাজার কিলোমিটার সীমান্তে ফের সেনা মোতায়েন করেছে চীন। জবাবে অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে এলএসি বরাবর সেনা সমাবেশ বাড়িয়েছে ভারতও।

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, ‘শুধু লাদাখ নয়, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশে সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছে চীন। সেনা ছাড়াও যুদ্ধ সরঞ্জামও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’ সূত্রটি জানায়, মঙ্গলবার থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করলেও, ফের দ্রুত এলএসি বরাবর এলাকাগুলোতে সেনা মোতায়েন করেছে ভারতও। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, হিমাচল প্রদেশে চীন-ভারত সীমান্তের যে অংশে এর আগে চীনা হেলিকপ্টার দেখা গিয়েছিল, সেখানেও বাড়তি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইট করে অভিযোগ করেছেন, চীনারা লাদাখে ঢুকে ভারতের জমি দখল করে নিলেও প্রধানমন্ত্রী মোদি বিষয়টি নিয়ে কোনো কথাই বলছেন না। জবাবে বিজেপি বলছে, দেশের স্ট্র্যাটেজিক স্বার্থ জড়িত আছে, এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে টুইটারে অন্তত প্রশ্নই তোলা যায় না। পর্যবেক্ষকদের অনেকে মনে করছেন, লাদাখ সীমান্তের সংঘাত শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে গড়াবে না- এ ধারণা থেকেই সম্ভবত ভারত বিষয়টি নিয়ে আপাতত মুখ খুলতে চাইছে না। ভারতের সুপরিচিত প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক অজয় শুক্লা বুধবার প্রকাশিত তার এক নিবন্ধে দাবি করেন, লাদাখের সীমান্ত সংঘাতে চীন এবার অত্যন্ত কঠোর মনোভাব নিয়েছে। তারা শুধু প্যাংগং লেকের একটা বড় অংশই দখল করে রাখেনি, পুরো গালওয়ান ভ্যালিটাই কব্জা করে রেখেছে।