ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo “বেইলী রোডের অগ্নিদগ্ধ ৪৬ লাশ” কিছু প্রশ্ন ও উত্তর খোঁজার চেষ্টা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা Logo থাইল্যান্ডের চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে সেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যাংককের বিএনএইচ হাসপাতালের Logo প্রধান প্রকৌশলীর বদলির আদেশ অমান্য, ঢাকাতেই বহাল ফ্যাসিস্টের দোসর উপসহকারী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন Logo কক্সবাজারের রাজাঘাট রেঞ্জে বন ধ্বংসের মহোৎসব, অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে উজাড়ের শঙ্কা Logo উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মাস্টাররোল কর্মচারীর সম্পদের পাহাড় Logo ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা Logo ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডারে ১৮ দিনে বাড়লো ৬০০ টাকা

মেয়র জাহাঙ্গীরের কারিশমায় বদলে যাচ্ছে গাজীপুর সিটি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০১৯ ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নানামুখী উন্নয়নে বদলে যাচ্ছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চিত্র। প্রায় ৩২৯ কিলোমিটার বিশাল আয়তনের ৪০ লাখের অধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত গাজীপুর সিটিকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের নেয়া পদক্ষেপে সন্তুষ্ট হয়ে সরকারও বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে এ মহানগরীকে। নগরীর প্রথম নির্বাচিত মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নান ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ যেখানে ৫ বছরে একশ কোটি টাকাও সরকারি বরাদ্দ আনতে পারেননি সেখানে দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র আট মাসেই নগরীর উন্নয়নের জন্য সরকারি ফান্ড থেকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন পেয়েছে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা।

এ বিষয়ে সিটি মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বয়স ছয় বছর পূর্ণ হয়েছে। ৮ মাসের দায়িত্ব পালনকালে তিনি যে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ পেয়েছেন তার পুরোটাই ব্যয় হবে নগরীর নানা উন্নয়নে।

মেয়র বলেন, ৮ মাসের দায়িত্ব পালনকালে নগরীর উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছ থেকে সাত হাজার ২৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন এর মধ্যে গত ২৫ জুন একনেকের বৈঠকে গাজীপুর সিটির জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৩ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা। সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন জোনের প্রধান সংযোগ রাস্তাগুলো প্রশস্তকরণসহ নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণের জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।

এছাড়া মেয়র বলেন, নগরীর বিদ্যুৎ অপচয় রোধ ও সাশ্রয়ের জন্য সোলার প্যানেল এনার্জি সেইভার সড়কবাতি স্থাপন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ, সিটি কর্পোরেশনের জন্য এসফল্টপ্লান্ট তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ, কবরস্থান নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দাতা সংস্থার অনুদানে সুয়ারেজ ক্লিনার ট্রাক, হাইড্রলিক কমপেক্টর ট্রাক, টায়ার এক্সাভেটর, চেইন ড্রেজার, ১৫ টনের ১০টি ড্রাম ট্রাক ও ২৪টি কনটেইনারসহ ৪টি হাইড্রোলিক কনটেইনার ট্রাক আনা হয়েছে। এসব উন্নয়ন কাজের বেশিরভগই টেন্ডার হয়ে গেছে। আর বেশ কিছু কাজ চলমান রয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের ৩ হাজার ৯০০ জনের জনবল কাঠামো অনুমোদিত হয়েছে। যার নিয়োগ প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে। পুরো সিটিকে ৮টি জোনে ভাগ করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। সিটি নিজস্ব প্রকল্প ছাড়াও ৪২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত বিআরটি প্রকল্প ও ঢাকা বাইপাস সড়কের উন্নয়নে ১২শ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। যার সমন্বয় করছে সিটি কর্পোরেশন। এ প্রকল্পগুলো শেষ হলে নগরবাসী তাদের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখতে পারবে।

তিনি জানান, বিশ্বের প্রায় ২৫টি দেশ ঘুরে পরিকল্পিত শহর দেখে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছি। বিশেষ করে চিনের কুনমিং শহরের মেয়রের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক একটি চুক্তি হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন আধুনিক শহরের আদলে গাজীপুরকে আকর্ষণীয় ও পরিকল্পিত আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

মেয়র জাহাঙ্গীরের কারিশমায় বদলে যাচ্ছে গাজীপুর সিটি

আপডেট সময় : ১২:২৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
নানামুখী উন্নয়নে বদলে যাচ্ছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চিত্র। প্রায় ৩২৯ কিলোমিটার বিশাল আয়তনের ৪০ লাখের অধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত গাজীপুর সিটিকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের নেয়া পদক্ষেপে সন্তুষ্ট হয়ে সরকারও বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে এ মহানগরীকে। নগরীর প্রথম নির্বাচিত মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নান ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ যেখানে ৫ বছরে একশ কোটি টাকাও সরকারি বরাদ্দ আনতে পারেননি সেখানে দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র আট মাসেই নগরীর উন্নয়নের জন্য সরকারি ফান্ড থেকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন পেয়েছে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা।

এ বিষয়ে সিটি মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বয়স ছয় বছর পূর্ণ হয়েছে। ৮ মাসের দায়িত্ব পালনকালে তিনি যে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ পেয়েছেন তার পুরোটাই ব্যয় হবে নগরীর নানা উন্নয়নে।

মেয়র বলেন, ৮ মাসের দায়িত্ব পালনকালে নগরীর উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছ থেকে সাত হাজার ২৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন এর মধ্যে গত ২৫ জুন একনেকের বৈঠকে গাজীপুর সিটির জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৩ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা। সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন জোনের প্রধান সংযোগ রাস্তাগুলো প্রশস্তকরণসহ নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণের জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।

এছাড়া মেয়র বলেন, নগরীর বিদ্যুৎ অপচয় রোধ ও সাশ্রয়ের জন্য সোলার প্যানেল এনার্জি সেইভার সড়কবাতি স্থাপন, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, অভ্যন্তরীণ রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ, সিটি কর্পোরেশনের জন্য এসফল্টপ্লান্ট তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ, কবরস্থান নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দাতা সংস্থার অনুদানে সুয়ারেজ ক্লিনার ট্রাক, হাইড্রলিক কমপেক্টর ট্রাক, টায়ার এক্সাভেটর, চেইন ড্রেজার, ১৫ টনের ১০টি ড্রাম ট্রাক ও ২৪টি কনটেইনারসহ ৪টি হাইড্রোলিক কনটেইনার ট্রাক আনা হয়েছে। এসব উন্নয়ন কাজের বেশিরভগই টেন্ডার হয়ে গেছে। আর বেশ কিছু কাজ চলমান রয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের ৩ হাজার ৯০০ জনের জনবল কাঠামো অনুমোদিত হয়েছে। যার নিয়োগ প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হবে। পুরো সিটিকে ৮টি জোনে ভাগ করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। সিটি নিজস্ব প্রকল্প ছাড়াও ৪২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত বিআরটি প্রকল্প ও ঢাকা বাইপাস সড়কের উন্নয়নে ১২শ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। যার সমন্বয় করছে সিটি কর্পোরেশন। এ প্রকল্পগুলো শেষ হলে নগরবাসী তাদের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখতে পারবে।

তিনি জানান, বিশ্বের প্রায় ২৫টি দেশ ঘুরে পরিকল্পিত শহর দেখে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছি। বিশেষ করে চিনের কুনমিং শহরের মেয়রের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক একটি চুক্তি হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন আধুনিক শহরের আদলে গাজীপুরকে আকর্ষণীয় ও পরিকল্পিত আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।