ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ




আফগানিস্তানকে ২৬৩ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯ ৯০ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক;
সাউদাম্পটনের এই পিচ ততটা ব্যাটিং সহায়ক নয়। ব্যাটে বল আসে দেরিতে। এই মাঠেই একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভারত ৮ উইকেটে মাত্র ২২৪ রান করতে পেরেছিল। ম্যাচটি তারা জিতেছেও।

আজ (সোমবার) এই আফগানদের বিপক্ষে ৭ উইকেটে ২৬২ রানের পুঁজি গড়েছে বাংলাদেশ । উইকেট যেমন, তাতে এই রানটাকে মোটামুটি ভালো সংগ্রহই বলা যায়। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের ৪ ওভার পেরোতেই আউট লিটন দাস। দলের রান তখন মাত্র ২৩। যদিও ক্যাচটা বিতর্কিত ছিল।

বলটা মনে হচ্ছিল, মাটিতে লেগেছে। টিভি আম্পায়ার আলিম দার কয়েকবার রিপ্লে টেনে টেনে দেখলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আউটের সিদ্ধান্তই দিলেন। মুজিব উর রহমানের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন।

শর্ট কভারে হাসমতউল্লাহ শহীদি ক্যাচটা নেয়ার পরও লিটন ক্রিজে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আলিম দারও নিশ্চিত হতে পারছিলেন না ক্যাচটা আসলে মাটিতে লেগেছে কিনা। একবার মনে হচ্ছিল, বলের নিচে আঙুল আছে। আরেক দিক থেকে মনে হচ্ছিল, মাটিতে বলের ছোঁয়া লেগেছে। ভাগ্যটা লিটনের বিপক্ষেই গেছে।

অথচ লিটনের শুরুটা হয়েছিল বেশ ভালোই। মূলত ওপেনিং জুটিতে তিনিই ভালো খেলছিলেন। ১৭ বলে ২ বাউন্ডারিতে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান করেন ১৬ রান। ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৬১ বলে ৫১ রানের জুটি তামিম ইকবাল আর সাকিব আল হাসানের।

১ উইকেটে ৭৪ রানে পৌঁছে যাওয়া টাইগাররা ১৫তম ওভারের শেষ বলে এসে তামিমকে হারিয়ে বসে। মোহাম্মদ নবীর বলটি ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন টাইগার ওপেনার, ৫৩ বলে ৪ বাউন্ডারিতে তামিম করেন ৩৬ রান।

পরের ওভারে রশিদ খানের এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে আবারও আঙুল তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এবার সাকিব রিভিউ নিয়ে জিতে যান। বল দেখা যায় স্ট্যাম্পের উপর দিয়ে চলে যেত।

তৃতীয় উইকেটে ৬১ রানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন সাকিব-মুশফিক। সাকিব একবার রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেও ৩০তম ওভারে এসে বাঁচতে পারেননি। মুজিব উর রহমানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন তিনি। ৬৯ বলে গড়া সাকিবের ৫১ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংসটিতে ছিল মাত্র একটি বাউন্ডারির মার।

মুজিবের পরের ওভারে আবারও ঝলক। এবার তিনি ফিরিয়ে দেন ওপেনিং থেকে মিডল অর্ডারে আসা সৌম্য সরকারকে। এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে সৌম্য করতে পারেন মাত্র ৩ রান। ১৫১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তখন ফের বিপদে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে পায়ের কাফে টান পড়ে নতুন ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহর। তিনি তখন মাত্র ৩ রানে। টাইগার সমর্থকরা ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। তবে মাহমুদউল্লাহ ওই ব্যথা নিয়েই ব্যাটিং চালিয়ে গেছেন।

পঞ্চম উইকেটে মুশফিক আর মাহমুদউল্লাহ যোগ করেন ৫৬ রান। ৩৮ বলে ২ বাউন্ডারিতে ২৭ রান করে মাহমুদউল্লাহ গুলবাদিন নাইবের শিকার হন।

এমন উত্থান পতনের মধ্যে একটা প্রান্ত ধরে দলকে টেনে নিয়ে গেছেন মুশফিক। ষষ্ঠ উইকেটে মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে ৩৩ বলে ৪৪ রানের জুটি তার। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু ইনিংসের ৪৯তম ওভারে এসে দৌলত জাদরানের বলে মারতে গিয়ে ক্যাচ হয়ে যান মুশফিক। ৮৭ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় তখন তিনি ৮৩ রানে।

এরপর মোসাদ্দেক শেষের কাজটা করে দিয়েছেন। ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে একদম শেষ বলে আউট হয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

আফগানিস্তানের পক্ষে মুজিব উর রহমান ৩টি আর গুলবাদিন নাইব নিয়েছেন ২টি উইকেট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




আফগানিস্তানকে ২৬৩ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক;
সাউদাম্পটনের এই পিচ ততটা ব্যাটিং সহায়ক নয়। ব্যাটে বল আসে দেরিতে। এই মাঠেই একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভারত ৮ উইকেটে মাত্র ২২৪ রান করতে পেরেছিল। ম্যাচটি তারা জিতেছেও।

আজ (সোমবার) এই আফগানদের বিপক্ষে ৭ উইকেটে ২৬২ রানের পুঁজি গড়েছে বাংলাদেশ । উইকেট যেমন, তাতে এই রানটাকে মোটামুটি ভালো সংগ্রহই বলা যায়। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের ৪ ওভার পেরোতেই আউট লিটন দাস। দলের রান তখন মাত্র ২৩। যদিও ক্যাচটা বিতর্কিত ছিল।

বলটা মনে হচ্ছিল, মাটিতে লেগেছে। টিভি আম্পায়ার আলিম দার কয়েকবার রিপ্লে টেনে টেনে দেখলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আউটের সিদ্ধান্তই দিলেন। মুজিব উর রহমানের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন।

শর্ট কভারে হাসমতউল্লাহ শহীদি ক্যাচটা নেয়ার পরও লিটন ক্রিজে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আলিম দারও নিশ্চিত হতে পারছিলেন না ক্যাচটা আসলে মাটিতে লেগেছে কিনা। একবার মনে হচ্ছিল, বলের নিচে আঙুল আছে। আরেক দিক থেকে মনে হচ্ছিল, মাটিতে বলের ছোঁয়া লেগেছে। ভাগ্যটা লিটনের বিপক্ষেই গেছে।

অথচ লিটনের শুরুটা হয়েছিল বেশ ভালোই। মূলত ওপেনিং জুটিতে তিনিই ভালো খেলছিলেন। ১৭ বলে ২ বাউন্ডারিতে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান করেন ১৬ রান। ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৬১ বলে ৫১ রানের জুটি তামিম ইকবাল আর সাকিব আল হাসানের।

১ উইকেটে ৭৪ রানে পৌঁছে যাওয়া টাইগাররা ১৫তম ওভারের শেষ বলে এসে তামিমকে হারিয়ে বসে। মোহাম্মদ নবীর বলটি ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন টাইগার ওপেনার, ৫৩ বলে ৪ বাউন্ডারিতে তামিম করেন ৩৬ রান।

পরের ওভারে রশিদ খানের এলবিডব্লিউয়ের আবেদনে আবারও আঙুল তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এবার সাকিব রিভিউ নিয়ে জিতে যান। বল দেখা যায় স্ট্যাম্পের উপর দিয়ে চলে যেত।

তৃতীয় উইকেটে ৬১ রানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন সাকিব-মুশফিক। সাকিব একবার রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেও ৩০তম ওভারে এসে বাঁচতে পারেননি। মুজিব উর রহমানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন তিনি। ৬৯ বলে গড়া সাকিবের ৫১ রানের ধৈর্য্যশীল ইনিংসটিতে ছিল মাত্র একটি বাউন্ডারির মার।

মুজিবের পরের ওভারে আবারও ঝলক। এবার তিনি ফিরিয়ে দেন ওপেনিং থেকে মিডল অর্ডারে আসা সৌম্য সরকারকে। এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে সৌম্য করতে পারেন মাত্র ৩ রান। ১৫১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তখন ফের বিপদে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে পায়ের কাফে টান পড়ে নতুন ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহর। তিনি তখন মাত্র ৩ রানে। টাইগার সমর্থকরা ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। তবে মাহমুদউল্লাহ ওই ব্যথা নিয়েই ব্যাটিং চালিয়ে গেছেন।

পঞ্চম উইকেটে মুশফিক আর মাহমুদউল্লাহ যোগ করেন ৫৬ রান। ৩৮ বলে ২ বাউন্ডারিতে ২৭ রান করে মাহমুদউল্লাহ গুলবাদিন নাইবের শিকার হন।

এমন উত্থান পতনের মধ্যে একটা প্রান্ত ধরে দলকে টেনে নিয়ে গেছেন মুশফিক। ষষ্ঠ উইকেটে মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে ৩৩ বলে ৪৪ রানের জুটি তার। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু ইনিংসের ৪৯তম ওভারে এসে দৌলত জাদরানের বলে মারতে গিয়ে ক্যাচ হয়ে যান মুশফিক। ৮৭ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় তখন তিনি ৮৩ রানে।

এরপর মোসাদ্দেক শেষের কাজটা করে দিয়েছেন। ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে একদম শেষ বলে আউট হয়েছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

আফগানিস্তানের পক্ষে মুজিব উর রহমান ৩টি আর গুলবাদিন নাইব নিয়েছেন ২টি উইকেট।