ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ Logo জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: সালাম

বিলুপ্তির পথে দেশীয় ‘আটিয়া কলা’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০১৯ ২০৪ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও;
এক সময় গ্রামের মানুষ আটিয়া কলা, দুধ, দই, চিড়া ও মুড়ি দিয়ে সকালের নাস্তা করতো। কালের বিবর্তনে এসব দেশীয় খাবারের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসেছে ‘আটিয়া কলা’।

দেশি আটিয়া কলা মোটা ও লম্বা হয়। এ কলায় অনেক ভিটামিন ও প্রোটিন রয়েছে। গ্রামে এখনো প্রচলিত আছে, আটিয়া কলা ও চিড়া খেলে পাতলা পায়খানা কমে যায়।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বড়গাও ইউনিয়নের মোলান খুড়ি গ্রামের ৭০ বছরের বয়সের বৃদ্ধ রশিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, দেশি আটিয়া কলা এক সময়ের জনপ্রিয় খাবার ছিল। আমি ছোট থেকে দেখে এসেছি আমার বাবা প্রতিদিন সকালে দেশি আটিয়া কলা, দুধ, চিড়া দিয়ে নাস্তা করতেন। আমার বাবা আমাকে বলেছিলেন, যদি কারো পাতলা পায়খানা হয় তাহলে দেশি আটিয়া কলা আর দুধ, চিড়া খেলে ভাল হয়ে যায়।

কলা ব্যবসায়ী আমিনুল  বলেন, দেশি আটিয়া কলা এখন খুবই কম পাওয়া যায়। কিছু কিছু গ্রামে আটিয়া কলা পাওয়া যায়। তবে আগে অনেক পাওয়া যেত এখন তা কমে এসেছে। তবে এখনো কিছু কিছু গ্রামের মানুষ এই কলা খোঁজ করে।.ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, একটি বড় মাপের কলা খেলে ১০০ ক্যালরির বেশি শক্তি পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা। শর্করা পরিপাকতন্ত্রকে সহজে হজম করতে সাহায্য করে।

গবেষকেরা জানান, আটিয়া কলা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করে। এ কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান জানান, এ কলার বিচি বেশি হওয়ার কারণে কেউ বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে না। তবে গ্রামের বাড়ির আশপাশে এ কলার গাছ দেখা যায়‌। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে আটিয়া কলা টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বিলুপ্তির পথে দেশীয় ‘আটিয়া কলা’

আপডেট সময় : ১০:১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০১৯

জেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও;
এক সময় গ্রামের মানুষ আটিয়া কলা, দুধ, দই, চিড়া ও মুড়ি দিয়ে সকালের নাস্তা করতো। কালের বিবর্তনে এসব দেশীয় খাবারের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসেছে ‘আটিয়া কলা’।

দেশি আটিয়া কলা মোটা ও লম্বা হয়। এ কলায় অনেক ভিটামিন ও প্রোটিন রয়েছে। গ্রামে এখনো প্রচলিত আছে, আটিয়া কলা ও চিড়া খেলে পাতলা পায়খানা কমে যায়।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বড়গাও ইউনিয়নের মোলান খুড়ি গ্রামের ৭০ বছরের বয়সের বৃদ্ধ রশিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, দেশি আটিয়া কলা এক সময়ের জনপ্রিয় খাবার ছিল। আমি ছোট থেকে দেখে এসেছি আমার বাবা প্রতিদিন সকালে দেশি আটিয়া কলা, দুধ, চিড়া দিয়ে নাস্তা করতেন। আমার বাবা আমাকে বলেছিলেন, যদি কারো পাতলা পায়খানা হয় তাহলে দেশি আটিয়া কলা আর দুধ, চিড়া খেলে ভাল হয়ে যায়।

কলা ব্যবসায়ী আমিনুল  বলেন, দেশি আটিয়া কলা এখন খুবই কম পাওয়া যায়। কিছু কিছু গ্রামে আটিয়া কলা পাওয়া যায়। তবে আগে অনেক পাওয়া যেত এখন তা কমে এসেছে। তবে এখনো কিছু কিছু গ্রামের মানুষ এই কলা খোঁজ করে।.ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, একটি বড় মাপের কলা খেলে ১০০ ক্যালরির বেশি শক্তি পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা। শর্করা পরিপাকতন্ত্রকে সহজে হজম করতে সাহায্য করে।

গবেষকেরা জানান, আটিয়া কলা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করে। এ কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান জানান, এ কলার বিচি বেশি হওয়ার কারণে কেউ বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে না। তবে গ্রামের বাড়ির আশপাশে এ কলার গাছ দেখা যায়‌। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে আটিয়া কলা টিকিয়ে রাখা সম্ভব।