ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রূপালী ব্যাংকের ডিজিএম কর্তৃক সহকর্মী নারীকে যৌন হয়রানি: ধামাচাপা দিতে মরিয়া তদন্ত কমিটি Logo প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা হাতিয়ে বহাল তবিয়তে মাদারীপুরের দুই সহকারী সমাজসেবা অফিসারl Logo যমুনা লাইফের গ্রাহক প্রতারণায় ‘জড়িতরা’ কে কোথায় Logo ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আহসান কামরুল, সম্পাদক জিয়াউর রহমান Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ!




পরিবর্তন হল কারাবন্দিদের সকালের নাস্তার মেন্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ ১১০ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ প্রতিবেদক;

কারাগারে আড়াইশো বছর ধরে চলা কারাবন্দিদের সকালের নাস্তার মেন্যু পরিবর্তন এলো। রিটিশ আমলে বন্দিদের জন্য নির্ধারিত রুটি-গুড়ের বদলে দেওয়া হবে মুখরোচক খাবার। প্রাতঃরাশে বন্দিরা সপ্তাহে দু’দিন ভুনা খিচুড়ি, চারদিন সবজি-রুটি এবং বাকি একদিন হালুয়া-রুটি পাবেন। এখন থেকে কারাবন্দিদের নাস্তার জন্যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে জন প্রতি ৩০ টাকা।

রোববার সাড়ে ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পরিবর্তন আনেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

কারাগার প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত সকালের নাস্তায় একটি মেন্যু ছিল। মেন্যুটি হলো সকালের নাস্তায় একজন কয়েদি পেত ১৪.৫৮ গ্রাম গুড় এবং ১১৬.৬ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি)। একই পরিমাণ গুড়ের সঙ্গে একজন হাজতি পেত ৮৭.৬৮ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি)।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কারাবন্দিদের মানসিক প্রশান্তিতে রাখতে প্রিয়জনদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার জন্য প্রিজন লিঙ্ক ‘স্বজন’ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কারাবন্দিরা তাদের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে টাঙ্গাইলে এ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ সার্ভিস চালু করা হবে। বন্দিরা কারাগারে থেকে মানসিক প্রশান্তি পেলে তাদের অপরাধ প্রবণতা কমবে। কারাগার হচ্ছে সংশোধনাগার। কারাগারে বন্দিদের চাহিদা অনুযায়ী ৩৮টি ইভেন্টে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফলে কারাবন্দীরা মুক্তির পর পুনরায় অপরাধে না জড়িয়ে সংশোধনের সুযোগ পায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা, উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন) টিপু সুলতান, ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেরানীগঞ্জ সার্কেল রামানন্দ সরকার, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহে এলিদ মাইনুল আমীন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




পরিবর্তন হল কারাবন্দিদের সকালের নাস্তার মেন্যু

আপডেট সময় : ০১:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯

সকালের সংবাদ প্রতিবেদক;

কারাগারে আড়াইশো বছর ধরে চলা কারাবন্দিদের সকালের নাস্তার মেন্যু পরিবর্তন এলো। রিটিশ আমলে বন্দিদের জন্য নির্ধারিত রুটি-গুড়ের বদলে দেওয়া হবে মুখরোচক খাবার। প্রাতঃরাশে বন্দিরা সপ্তাহে দু’দিন ভুনা খিচুড়ি, চারদিন সবজি-রুটি এবং বাকি একদিন হালুয়া-রুটি পাবেন। এখন থেকে কারাবন্দিদের নাস্তার জন্যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে জন প্রতি ৩০ টাকা।

রোববার সাড়ে ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পরিবর্তন আনেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

কারাগার প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত সকালের নাস্তায় একটি মেন্যু ছিল। মেন্যুটি হলো সকালের নাস্তায় একজন কয়েদি পেত ১৪.৫৮ গ্রাম গুড় এবং ১১৬.৬ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি)। একই পরিমাণ গুড়ের সঙ্গে একজন হাজতি পেত ৮৭.৬৮ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি)।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কারাবন্দিদের মানসিক প্রশান্তিতে রাখতে প্রিয়জনদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার জন্য প্রিজন লিঙ্ক ‘স্বজন’ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কারাবন্দিরা তাদের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে টাঙ্গাইলে এ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ সার্ভিস চালু করা হবে। বন্দিরা কারাগারে থেকে মানসিক প্রশান্তি পেলে তাদের অপরাধ প্রবণতা কমবে। কারাগার হচ্ছে সংশোধনাগার। কারাগারে বন্দিদের চাহিদা অনুযায়ী ৩৮টি ইভেন্টে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফলে কারাবন্দীরা মুক্তির পর পুনরায় অপরাধে না জড়িয়ে সংশোধনের সুযোগ পায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা, উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন) টিপু সুলতান, ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেরানীগঞ্জ সার্কেল রামানন্দ সরকার, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহে এলিদ মাইনুল আমীন প্রমুখ।